থাইল্যান্ডের বাজারে প্রাকৃতিক রাবারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সীমিত হয়ে আসায় বাড়তে শুরু করেছে পণ্যটির দাম। এরই মধ্যে দেশটিতে প্রতি কেজি রফতানিযোগ্য রাবারের দাম আড়াই ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রাবার অথরিটি অব থাইল্যান্ড (আরএওটি)। মূল্যবৃদ্ধির এ হার অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই দেশটিতে প্রাকৃতিক রাবারের কেজি ৩ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর সিনহুয়া ও বিজনেস রেকর্ডার।
আরএওটির গর্ভনর নারকোন তাঙ্গাভিরাপাত জানান, চলতি সপ্তাহে থাইল্যান্ডের বাজারে প্রতি কেজি রফতানিযোগ্য প্রাকৃতিক রাবার ৮১ বাথ (থাই মুদ্রা) বা ২ ডলার ৬০ সেন্টে বিক্রি হয়েছে। চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ যে হারে কমছে তাতে শিগগিরই প্রতি কেজি রফতানিযোগ্য প্রাকৃতিক রাবারের দাম ১০০ বাথ বা ৩ ডলার ২১ সেন্ট ছাড়াতে পারে।
তবে ২০২০ সালের একেবারে শেষদিকে গিয়ে থাইল্যান্ডের বাজারে প্রাকৃতিক রাবারের দাম কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন নারকোন তাঙ্গাভিরাপাত। তার মতে, বছরের শেষে থাইল্যান্ডের বাজারে প্রতি কেজি প্রাকৃতিক রাবারের দাম ৭০ বাথ বা ২ ডলার ২৪ সেন্টে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এজন্য অভ্যন্তরীণ ও রফতানি বাজারে বাড়তি চাহিদার চাপ সামলাতে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ানোর ওপর মনোযোগ দিতে হবে।
থাইল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ। পণ্যটির মোট বৈশ্বিক রফতানি বাণিজ্যের ৩৫ দশমিক ৮ শতাংশ দেশটি এককভাবে জোগান দেয়। আরএওটি জানিয়েছে, চলতি বছরের অক্টোবরে থাইল্যান্ডে সব মিলিয়ে ৪ লাখ ৪১ হাজার টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন হয়েছে। এ সময় দেশটিতে প্রাকৃতিক রাবারের চাহিদা ছিল ৪ লাখ ৯১ হাজার টন। একদিকে সরবরাহ সীমিত হয়ে আসা, অন্যদিকে উৎপাদনের চেয়ে চাহিদা বেশি থাকায় গত অক্টোবরে থাইল্যান্ডের বাজারে দাম বেড়েছে প্রাকৃতিক রাবারের।










