আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) পরিচালনা পর্ষদ আবার পুনর্গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। কোম্পানিটির সাত সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হাসান শহীদ ফেরদৌসকে। গতকাল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব কাজী আনোয়ারুল হক, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেশাদ ইমাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের আমানতকারীদের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক ও মো. সগীর হোসেন খান। কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন মো. সগীর হোসেন খান।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯, ২০ ও ২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিএলএফএসএল। তথ্যানুসারে, ২০২১ হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৪০ পয়সা। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১১৫ টাকা ৩৪ পয়সায়।
২০২০ হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার প্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সা। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০১ টাকা ২৪ পয়সায়।
২০১৯ হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১৯ টাকা ৭৬ পয়সা। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ৫৩ পয়সায়।
২০১৯ সালের ১৪ জুন পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার লেনদেন প্রথমবারের মতো স্থগিত করে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। লিস্টিং রেগুলেশনের ধারা ৫০ (১) অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ দিন পর পর এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া পিপলস লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২৮৫ কোটি টাকা ৪৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৭৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৮ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭।










