আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবার জাপানি রাবারের দাম বেড়েছে। রাবারের শীর্ষ ভোক্তা দেশ চীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে নতুন প্রণোদনা প্রদান করতে পারে, এমন প্রত্যাশায় পণ্যটির দাম বেড়েছে। তবে নিম্নমানের কৃত্রিম রাবার ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ওসাকা এক্সচেঞ্জে (ওএসই) মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে রাবারের দাম ৪ ইয়েন বা ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেড়েছে। এতে প্রতি কেজির দাম দাঁড়িয়েছে ৩৯১ ইয়েন বা ২ ডলার ৭০ সেন্ট। তবে সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে (এসএইচএফই) জানুয়ারির সরবরাহ চুক্তিতে পণ্যটির দাম ৭৫ ইউয়ান বা দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে। প্রতি টন ১৮ হাজার ৪৪০ ইউয়ানে (২ হাজার ৬২৭ ডলার ১৫ সেন্ট) লেনদেন হয়েছে। এসএইচএফইতে নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বুটাডিন রাবারের দাম ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনে ৩১০ ইউয়ান কমে লেনদেন হয়েছে ১৫ হাজার ৮২০ ইউয়ানে।
চীন চলতি বছর ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘প্রয়োজনীয় আর্থিক প্রণোদনা’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন দেশটির নেতারা। একই সপ্তাহে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আরো কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসও দিয়েছিলেন তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এসব পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। সামনের দিনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম গতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা। এতে রাবারের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
কভিড-১৯ মহামারীর পর উল্লেখযোগ্য হারে সুদহার কমিয়েছে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না। এর পরই বড় আকারের আর্থিক প্রণোদনার প্রতিশ্রুতি দেয় দেশটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম পলিটব্যুরো। সুদহার কর্তন ও ১ ট্রিলিয়ন (১ লাখ কোটি) ইউয়ানের লিকুইডিটি ইনজেকশনসহ অর্থনীতি গতিশীল করতে আরো বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।










