কয়েক সপ্তাহ ধরে চীনে ইরানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ বেড়েছে। জ্বালানি রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক যখন বিশ্ববাজারের অন্য দেশগুলো থেকে তেল সরবরাহ বাড়াতে চাচ্ছে, তখন চীনের এ পদক্ষেপ তাদের উদ্যোগকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জোটভুক্ত দেশগুলোর তেলের বাজার এক রকম সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। খবর ব্লুমবার্গ।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা ইরান থেকে প্রায় এক লাখ ব্যারেল অনুমোদিত অপরিশোধিত ও ঘনীভূত জ্বালানি তেল কিনেছে। অন্যদিকে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের বেশির ভাগ তেল শোধনকারী ব্যবসায়ী সেখান থেকে তেল কিনছেন না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে ভীত তারা।
ইরান পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থার সদস্য হলেও তার সরবরাহের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আছে। এ নিষেধাজ্ঞার কারণে তেলের দামে ছাড় দিয়েছে ইরান। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম। তাই সস্তায় অপরিশোধিত তেল কেনার জন্য চীনের ব্যবসায়ীরাও ইরানের দিকেই ঝুঁকছেন। ফলে ওপেকের সদস্যরাষ্ট্র অ্যাঙ্গোলা, নরওয়ে বা ব্রাজিলের মতো দেশের কাছ থেকে তেল কেনার পরিমাণ কমেছে।
এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক চীন যখন ইরান থেকে তেল কিনছে তখন অ্যাঙ্গোলা, নাইজেরিয়া ও কঙ্গোর মতো দেশগুলোতে অলস তেলের মজুদ বাড়ছে। অন্য সময়ের মতো পর্যাপ্ত ক্রেতা নেই সেখানে। এপ্রিলে সরবরাহযোগ্য এক কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল পড়ে আছে অ্যাঙ্গোলার। একই অবস্থা নাইজেরিয়া ও কঙ্গোর।










