তা সত্ত্বেও গত জুলাইয়ে কিছুটা ধীরগতির প্রবৃদ্ধি দেখেছে চীনের রফতানি খাত। চীনা সরকারের কাস্টমস বিভাগ গত শুক্রবার এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত জুনের ১২ হাজার ৫৬০ কোটি ডলার থেকে জুলাইয়ে ১১ হাজার ২৫০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। খবর জাপান টুডে।
সরকারি উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় জুলাইয়ে চীনের রফতানি বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ। আগের মাসে এ প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৭ শতাংশ। অন্যদিকে জুলাইয়ে আমদানি বেড়েছে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু জুনে আমদানি বাড়ার হার ছিল ৩৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শক্তিশালী টাইফুনের কারণে বন্দরগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সামুদ্রিক ঝড়ের ধাক্কায় চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতি কিছুটা কমেছে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের বিশ্লেষক জুলিয়ান ইভান্স-প্রিচার্ড বলেন, ‘জুলাইয়ে বাণিজ্যের গতি কিছুটা কমলেও মূল চিত্র এখনো বেশ ইতিবাচক। বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রনিকস ও গ্রিন টেকনোলজি পণ্যের আকাশচুম্বী চাহিদার কারণে আমদানি-রফতানির মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য থেকে অ্যালুমিনিয়াম পরিবহন ব্যাহত করেছে। ফলে বিশ্ববাজারে ধাতুর সংকট মেটাতে চীনের অ্যালুমিনিয়াম রফতানি নাটকীয়ভাবে বেড়েছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন এখন আর কেবল কম দামি পণ্য তৈরির বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। উন্নত শিল্প-কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ সরবরাহে দেশটি এখন বিশ্বজুড়ে ১ নম্বর স্থান দখল করে নিচ্ছে।
চীনের সরকারি তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই সময়ে চীনে তৈরি হাই-টেক পণ্যের রফতানি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়েছে।
এ সময় চীনা যানবাহনের বিশ্বব্যাপী সরবরাহ বেড়েছে ৫৫ শতাংশ। এছাড়া সার্বিক ইলেকট্রনিকস ও ভারী যন্ত্রপাতির রফতানি সার্বিকভাবে ২৬ শতাংশ বেড়েছে।









