অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের রেকর্ড দরপতনের পর পরই পরিস্থিতি সামলাতে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক উত্তোলনে লাগাম টানা হয়েছে। এতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে জ্বালানি পণ্যটির রফতানিকারকদের জোট অরগানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক) ও জোটের মিত্র দেশগুলো। ওপেক প্লাসের আওতায় সই হয়েছে জ্বালানি তেলের উত্তোলন হ্রাস চুক্তি। এখন এ চুক্তির সুফল মিলতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তির দিকে রয়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এমনটাই মন্তব্য করেছেন ওপেকের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ বারকিন্দো। খবর রয়টার্স ও অয়েলপ্রাইসডটকম।
জ্বালানি তেলের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওপেক প্রধান বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য ধরে রাখা অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক। বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহে লাগাম টানতে উত্তোলন হ্রাস চুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এক মাসের কম সময়ে এর সুস্পষ্ট প্রভাব দেখা গেছে বাজারে। রেকর্ড দরপতন থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জ্বালানি তেলের দাম ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। এটা খুবই ভালো একটি লক্ষণ। এখন বাজার পরিস্থিতির এ চাঙ্গা ভাবকে টেকসই করতে আমাদের সরবরাহ লাগাম টানা দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে হবে।
মূলত নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী জ্বালানি তেলের চাহিদায় রেকর্ড পতন ঘটিয়েছে। এর বিপরীতে জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহ কমানো সম্ভব না হলে গত মার্চে বড় ধরনের দরপতন শুরু হয়। এপ্রিলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ইতিহাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে। এ পরিস্থিতি সামলাতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সৌদি আরব ও রাশিয়াসহ ওপেক প্লাসের দেশগুলো অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক গড় উত্তোলন দৈনিক ৯৭ লাখ ব্যারেল কমিয়ে আনতে চুক্তি করে, যা জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহের ১০ শতাংশ। ১ মে থেকে বৈশ্বিক এ চুক্তি কার্যকর হয়েছে।










