এ দরবৃদ্ধির পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চিঠির জবাবে বিষয়টি জানিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ২৪ টাকা ২০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৪৭ দশমিক ১০ শতাংশ। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪৭ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১৯ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ।

আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১০ টাকা ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ১০ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ২২ পয়সায়।

২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ৮০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৬০ লাখ। এর ৩৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৫ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।