বিশ্বজুড়ে দুগ্ধপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করছে রাশিয়া। প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধান করছে দেশটি। বাড়ানো হচ্ছে রফতানি। সমাপ্ত ২০২৩ সালে দেশটির দুগ্ধপণ্য রফতানি আগের বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। দেশটির ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব ডেইরি প্রডিউসারসের প্রধান আর্টিওম বেলভ এমনটা জানিয়েছেন বলে রুশ বার্তা সংস্থা ইতার-তাসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

আর্টিওম বেলভ বলেন, ‘‌রুশ দুগ্ধপণ্যের বাজার প্রবৃদ্ধিতে গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বড় প্রভাবক হয়ে উঠেছে ঊর্ধ্বমুখী ব্যবহার ও রফতানি। বিশেষ করে ২০২৩ সাল ছিল এ খাতের জন্য সবচেয়ে বেশি সাফল্যের বছর।’ ২০২২ সালের তুলনায় দেশটিতে এসব পণ্যের ব্যবহার ৫ শতাংশ বেড়েছে বলেও জানান তিনি। 

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বজুড়ে যেসব দুগ্ধপণ্যের চাহিদা বেশি, সেসব পণ্যের রফতানি বাড়াচ্ছে রাশিয়া। এর মধ্যে ননিবিহীন গুঁড়ো দুধের (এসএমপি) রফতানি প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। হুই পাউডার (শক্ত পনির থেকে উৎপাদিত গুঁড়ো দুধ) রফতানি বেড়েছে তিন গুণ। 

রাশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়ের খাদ্য ও প্রক্রিয়াকরণ বিভাগের প্রধান ভ্লাদিমির স্কভর্টসভ বলেন, ‘‌রাশিয়ার দুগ্ধপণ্য বর্তমানে প্রায় ৬০টি দেশে রফতানি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যের এক-তৃতীয়াংশই যাচ্ছে রফতানি বাজারে।

তিনি জানান, রুশ দুগ্ধপণ্যের প্রচলিত বাজার সিআইএস ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলো। রুশ উৎপাদকরা আলজেরিয়ায় রফতানি শুরু করেছে। দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দুগ্ধপণ্য ব্যবহারকারী। 

রাশিয়ার কৃষিমন্ত্রী দিমিত্রি পেট্রুশেভ সম্প্রতি জানান, গত পাঁচ বছর ধরেই তরল দুধ উৎপাদন অব্যাহত বাড়ছে। ২০২৩ সালে উৎপাদন ৩ কোটি ৩৫ লাখ টনে উন্নীত হয়েছে।