জুলাইয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে চীন ৫৭৪ কোটি ডলার প্রত্যক্ষ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এটি জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সম্মিলিত আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বেশি। এক মাসের মধ্যে দেশটিতে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী টাইফুন ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
জুলাইয়ে জলোচ্ছ্বাসে দেশব্যাপী ৭০ লাখেরও বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছিল। এছাড়া বেইজিং ১৪০ বছরের মধ্যে রেকর্ড দাবদাহের পর টানা বৃষ্টি দেখেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে পরিস্থিতি আগস্টে আরো খারাপ হবে। জলোচ্ছ্বাস ও দাবদাহের কারণে বিশেষ করে চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোয় আরো অর্থনৈতিক নেতিবাচক প্রভাবসহ আগস্টে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
টাইফুন তালিম ও দোকসুরি জুলাইয়ে যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি করেছে। দোকসুরির অবশিষ্টাংশ এখনো উত্তর-পূর্ব চীনকে ভোগাচ্ছে। উত্তরাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের দোকসুরি থেকে অবশিষ্ট বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যার কারণে বুধবার পর্যন্ত ১২ লাখেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বেইজিং ও হেবেইয়ের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করা বন্দরনগরী তিয়ানজিনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বন্যার কারণে প্রায় ৬৬ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। সব ক্ষতি মিলিয়ে ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে সম্মিলিত মোট ক্ষয়ক্ষতিকে
ছাড়িয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতি চীনের অর্থনীতির জন্য ত্রৈমাসিক প্রবৃদ্ধির ওপর একটি অপ্রত্যাশিত নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করেছে। চীনের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য উচ্ছেদ প্রচেষ্টা শুরু করেছে। পাশাপাশি চীন সরকার ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে দুর্যোগ-পরবর্তী পুনরুদ্ধারের জন্য অতিরিক্ত তহবিল বরাদ্দ করেছে।










