চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে থাইল্যান্ডে ইস্পাতের তৈরি পণ্যের চাহিদা ১৩ শতাংশ কমে ৮৭৮ কোটি টনে দাঁড়িয়েছে। প্রধানত নির্মাণ খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ায় ইস্পাতের তৈরি পণ্যের চাহিদা কমেছে। খবর ব্যাংকক পোস্ট।  

ফেডারেশন অব থাই ইন্ডাস্ট্রিজ (এফটিআই) জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী ইস্পাতের মূল্য বেড়েছে। চীনে ইস্পাতের চাহিদা কমে যাওয়া এবং রাশিয়া থেকে এশিয়ায় ইস্পাত আমদানির কারণেও মূল্য কমেছে। পাশাপাশি চীনের জিরো কভিড নীতির কারণে ইস্পাতের মূল্য কমেছে। কভিড-১৯ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশটির বিভিন্ন শহরে লকডাউনের কারণেও মূল্য হ্রাস পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এফটিআইয়ের থাইল্যান্ড আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রি ক্লাবের চেয়ারম্যান নাভা চন্তাসুরাকন বলেন, দেশটিতে ইস্পাতের মূল্য জুন থেকে ওঠানামা শুরু করে। জুনে এশিয়ার বাজারে ইস্পাতের মূল্য ৩ দশমিক ২ থেকে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে এবং জুলাইয়ে ৫ দশমিক ২ থেকে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

নাভা চন্তাসুরাকন আরো বলেন, চলতি বছরের প্রথমার্ধে চীনে ইস্পাতের মূল্য ৬ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৫ হাজার ১০ কোটি টনে দাঁড়িয়েছে। ওই সময়ে চীনে ইস্পাতের পণ্য রফতানি হয়েছে ৩৪২ কোটি টন। যার বেশির ভাগই কম মূল্যে বিক্রি হয়েছে। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের কারণে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইউরোপে ইস্পাতের তৈরি পণ্যের রফতানি কমেছে। তাই এ সময়ে রাশিয়া থেকে এশিয়ায় ইস্পাতের পণ্য রফতানি বেড়েছে।