এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশনের প্রধান উলরিখ ক্লেপম্যান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেএফডব্লিউর পরিচালক মাইকেল সামসার-হেলস্টার্ন, ইডকলের নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর মোরসেদ এবং আকিজ বশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস কে বশির উদ্দিন।

মোট ১০১ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মধ্যে প্রায় ৭৬ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা অর্থায়ন করেছে ইডকল। প্রকল্পটি প্রতি বছর প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং বছরে প্রায় ১৪ হাজার ৬২৬ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হ্রাসে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উলরিখ ক্লেপম্যান বলেন, এ প্রকল্পটি জার্মানি ও বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতার শক্তিশালী অংশীদারত্বের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতায় বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলবায়ু কর্মসূচিকে সমর্থন করতে জার্মানি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কেএফডব্লিউর পরিচালক মাইকেল সামসার-হেলস্টার্ন বলেন, ইডকলকে প্রদান করা ৬০ মিলিয়ন ইউরোর অর্থায়ন শিল্প খাতে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাস্তবায়নে সহায়তা করছে। ইডকলের নির্বাহী পরিচালক ও সিইও আলমগীর মোরসেদ বলেন, ইডকল প্রায় ২২০ মেগাওয়াটপিক প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে এবং ২০০ মেগাওয়াটপিকেরও বেশি সক্ষমতার প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে। আকিজ বশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস কে বশির উদ্দিন বলেন, ইডকলের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে এরই মধ্যে মোট ৬৭ মেগাওয়াটপিক সক্ষমতার ১১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।