কভিড-১৯ পরবর্তী চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বেগ পেতে হচ্ছে। দেশটি গত বছরের তুলনায় জুলাইয়ে রফতানি ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। কাস্টমসের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, চীনের রফতানি ২৮ হাজার ১৮০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে, যা জুনের পতনের চেয়ে বেশি। এদিকে আমদানিও ১২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ২০ হাজার ১২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়াকে তুলে ধরেছে। এটি গত মাসের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ কম থেকে বেড়েছে। খবর এপি। 

চীনের বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আগের বছরের থেকে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়ে এখন ৮ হাজার ১০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। চীনা সরকার ব্যবসা ও ভোক্তা কার্যক্রম উৎসাহিত করার জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে যখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিটি গত তিন মাসের তুলনায় ২০২৩ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।

যদিও ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ব্যবসায়িক উদ্যোক্তাদের সমর্থন, বাড়ি কেনায় উৎসাহিত করা ও ভোক্তাদের ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এখনো যথেষ্ট প্রণোদনা ব্যবস্থা বা উল্লেখযোগ্য কর কমানোর ঘোষণা আসেনি। রফতানি কমে যাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার মুখে চীন তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে লড়াই করে যাচ্ছে, তবে পরিস্থিতি এখনো প্রতিকূল।