বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা খুবই দুর্বল এবং এ ক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ভোগান্তির শিকার হন। এটি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রেরও দীর্ঘসূত্রতা এবং জটিলতার সৃষ্টি করে। ফলে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েন। অন্যদিকে বিভিন্ন পণ্যের মেধাস্বত্ব এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-২০২৬-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। যেটি বিশেষ করে ওষুধ শিল্পকে জটিলতার মধ্যে ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বিনিয়োগ নীতি পরিবর্তন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এডিমন গিন্টিং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাশরুর রিয়াজ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং, জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) পরিচালক মিয়াং হো লি, হংকং ও সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেডের সিইউ মাহবুব-উর রহমান।

লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘‌হতাশা নয়, বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনার নাম। আমরা দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের পথচলা সহজ করতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি। ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে তাদের সব ধরনের সেবা দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেয়ার চেষ্টা করছি। যার সুফল পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।’

মিয়াং হো লি বলেন, ‘‌জাপানের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য খুবই আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকেও নীতিসহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনার উন্নতি ঘটাতে হবে।’