রিয়েলটর ডটকমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে দেশটিতে ৩৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫২ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণী বাবা-মার সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এ সংখ্যা ওই বয়সসীমার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা প্রতি তিনজনে একজন। খবর ফক্স নিউজ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন বাজার এতটাই কঠিন হয়ে পড়েছে যে ভালো চাকরি ও উচ্চশিক্ষা থাকার পরও তরুণরা নিজেদের জন্য আলাদা কোনো বাসস্থান নিশ্চিত করতে পারছেন না।

রিয়েলটর ডটকমের প্রধান অর্থনীতিবিদ হ্যানা জোন্স বলেন, ‘বর্তমানে যেসব তরুণ-তরুণী বাবা-মার সঙ্গে থাকছেন, তাদের একটি বড় অংশই চাকরিজীবী ও অনেকেরই কলেজ ডিগ্রি রয়েছে। তাই তাদের এ পরিস্থিতির পেছনে যোগ্যতার অভাব দায়ী নয়, বরং প্রধান কারণ সাধ্যের মধ্যে থাকার মতো আবাসন বা বাড়ির অভাব।’

তিনি মনে করেন, এটি কর্মসংস্থানের কোনো সংকট নয়, বাজারে পর্যাপ্ত বাড়ির জোগানের সংকট। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ লাখ বাড়ির ঘাটতি রয়েছে। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর নতুন বাড়ি নির্মাণ কমে যায় দেশটিতে। ফলে এ ঘাটতি আরো প্রকট হয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাবা-মার সঙ্গে থাকা ২৫-৩৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীর প্রায় ৭০ শতাংশই নিয়মিত চাকরি করছেন।

তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০০ সালের দিকে কর্মজীবী তরুণদের মধ্যে প্রতি নয়জনে একজন বাবা-মার সঙ্গে থাকতেন। কিন্তু ২০২৫ সালের মধ্যে এ অনুপাত বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি সাতজনে প্রায় একজন।