রুডইয়ার্ড
কিপলিং
কলকাতা
শহরকে
‘ভয়ংকর রাত্রির
শহর’
হিসেবে
বর্ণনা
করেছিলেন।
বর্তমান
ঢাকা
শহরকে
কীভাবে
দেখতেন
তা
অজানা
হলেও
অকল্পনীয়
নয়।
অমর্ত্য
সেন
তার
শৈশবে
ঢাকা
দেখেছিলেন
অপেক্ষাকৃত
শান্ত
এবং
ছোট
জায়গা,
যেখানে
জীবন
ছিল
মধুর
ও
ধীর।
আজ
থেকে
৫০
বছর
আগে,
অর্থাৎ
স্বাধীনতার
শুভলগ্নে
ঢাকা
ছিল
গাছগাছালিতে
ঢাকা
মোটামুটি
মধ্যম
সাইজের
ছিমছাম
একটা
শহর।
কার্জন
হলসংলগ্ন
দোয়েল
চত্বর
থেকে
তেজগাঁও
পুরনো
বিমানবন্দর
হয়ে
মহাখালী
পর্যন্ত
রাস্তার
দুই
পাশে
বড়
বড়
গাছের
পল্লবিত
শাখার
ছায়া
পথিকের
প্রশান্তি
এনে
দিত।
অন্য
জায়গায়
এর
ব্যতিক্রম
ছিল
না।
খাল
ছিল
বেশ
কয়টা,
সহনীয়
মাত্রায়
নালা-নর্দমা,
বুড়িগঙ্গায়
পরিষ্কার
পানির
প্রবাহ।
তখনকার
১৬
লাখ
মানুষের
শহরটিতে
রিকশা
ছিল
অপেক্ষাকৃত
অনেক
কম,
তবে
সাইকেল
নেহাত
কম
নয়।
বাস
বলতে
‘মুড়ির টিন’,
ঘোড়ার
গাড়ির
শব্দ
নবাবী
আমলের
নিদর্শন;
অক্সিজেনের
প্রবাহ
অবারিত।
তাছাড়া
আফসান
চৌধুরীর
বর্ণনায়,
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
একজন
ছাত্র
মাত্র
পাঁচ
টাকায়
দিনাতিপাত
করতে
পারত।
এক
টাকার
বাস
টিকেটে
প্রায়
সব
জায়গায়
যাওয়া-আসা,
এক
প্যাকেট
স্টার
সিগারেট
দেড়
টাকা,
এক
প্যাকেট
বিরিয়ানি
এক
টাকা,
এক
কাপ
চা
পঞ্চাশ
পয়সা।
বাকি
টাকায়
বাসায়
ফেরা
এবং
এর
মধ্যে
রাজনীতি
এবং
স্বপ্ন
দিয়ে
উদরপূর্তি’
(আফসান চৌধুরী,
সত্তরের
ঢাকা)।
দুই. গেল
৫০
বছরে
বাংলাদেশে
যেমন
অভাবনীয়
পরিবর্তন
প্রত্যক্ষ
করা
যায়,
তেমনি
এর
রাজধানী
ঢাকার
বেলায়।
বাংলাদেশের
রাজধানী
এখন
পৃথিবীর
দ্রুততম
গড়ে
ওঠা
মেগা
সিটি—জনসংখ্যা
দুই
কোটি
ছুঁই
ছুঁই,
প্রতি
বছর
বাড়ছে
প্রায়
৪
শতাংশ
হারে,
প্রতি
বর্গকিলোমিটারে
প্রায়
৫০
হাজার
মানুষের
বাস!
গাছ
কেটে,
নালা,
নদী,
খাল
দখলে
নিয়ে
প্রবৃদ্ধির
প্রমত্ত
জোয়ারে
গা
ভাসায়
ঢাকা
শহর।
কথায়
বলে,
‘মুখে মুখে
শেখ
ফরিদ,
বগলে
ইট’—বটম
আপ
প্ল্যানিং
মুখে
মুখে
কিন্তু
তলে
তলে
টপডাউন
পদ্ধতিতে
প্রশাসন
চলে
আসছে
অনাদিকাল
থেকে।
কথায়
বলে,
অল
রোডস
লিড
টু
রোম,
বাংলাদেশে
ঠিক
তেমনি—অল
রোডস
লিড
টু
ঢাকা।
প্রতিদিন
নাকি
দুই
হাজার
মানুষ
ঢাকায়
ঢোকে
সুখের
সন্ধানে।
কুড়িল
বস্তির
এক
নারীর
কথায়,
‘ঢাকা ভালো
লাগে
না,
তবে
স্বপ্ন
আছে
গ্রামে
গিয়া
এক
খণ্ড
জমি
কিনবাম।’
ঢাকা
অর্থনৈতিক,
রাজনৈতিক
ও
সাংস্কৃতিক
কেন্দ্র।
দক্ষিণ
এশিয়ার
বড়
শহরগুলোর
একটি।
পূর্ব-দক্ষিণ
এশিয়ায়
সবচেয়ে
বড়।
বিশ্বব্যাংক
বলছে,
মেগা
সিটিগুলোর
মধ্যে
দেড়
কোটি
মানুষসমেত
ঢাকার
বিশেষত্ব
হচ্ছে
দ্রুততম
বর্ধনশীল।
২০২৫
সালের
মধ্যে
দুই
কোটিরও
বেশি
মানুষ
নিয়ে
ঢাকা
মেক্সিকো,
বেইজিং
কিংবা
সাংহাইয়ের
চেয়ে
বড়
হবে।
সবই
সুখবর
ওই
গানটির
কথার
মতো,
‘ঢাকা শহর
আইসা
আমার
আশা
ফুরাইছে,
আরে
লাল
লাল
নীল
নীল
বাতি
দেইখ্যা
নয়ন
জুড়াইছে।’
তিন. তবে
বিআইডিএস
আয়োজিত
এক
কনফারেন্সে
‘ওভার ক্রাউডেড’
ঢাকার
বেলায়
সব
ভালো
ভালো
নয়—এমন
কিছু
যেন
বলতে
চাইলেন
আহমদ
আহসান,
পরিচালক,
পলিসি
রিসার্চ
ইনস্টিটিউট।
ঢাকা
শুধু
জনবহুল
নয়,
ব্যয়বহুলও
বটে।
বাংলাদেশে
মোট
নগরবাসীর
এক-তৃতীয়াংশের
বসত
ঢাকায়,
অন
বড়
শহর
মিলিয়ে
চার
ভাগের
ভাগীদার।
গত
১০
বছরে
ঢাকার
জনসংখ্যা
বেড়েছে
৫০
শতাংশের
বেশি।
ঢাকা
অতিরিক্তভাবে
বেড়ে
ওঠার
কারণে
বাংলাদেশ
জিডিপির
এক-দশমাংশ
হারাচ্ছে।
ঢাকায়
সম্পদ
ও
অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ডের
অতিমাত্রায়
কেন্দ্রীকরণের
কারণে
২০১৭
সালে
মাথাপিছু
আয়
ও
জিডিপি
সম্ভাব্যতার
চেয়ে
১১
শতাংশ
কম
হয়েছিল।
মূলত
একই
কারণে
২০১৯
সালে
জিডিপি
৩৫
বিলিয়ন
ডলার
কম
হয়।
আর
ঢাকার
আকৃতি
সবচেয়ে
অনুকূল
অবস্থা
অতিক্রান্ত
হওয়ার
ফলে
বাংলাদেশ
হারাচ্ছে
তার
জিডিপির
৬-১০
শতাংশ।
ঢাকার
এই
‘অতিবৃদ্ধি’ সার্বিক
নগর
দারিদ্র্য
হ্রাসের
হার
তাত্পর্যপূর্ণভাবে
শ্লথ
করেছে,
যেখানে
গ্রামীণ
দারিদ্র্য
কমেছে
সন্তোষজনক
হারে।
ট্র্যাফিক
জটের
কারণে
জিডিপির
প্রায়
৩
শতাংশ
হারিয়ে
যায়।
পরিবেশজনিত
কারণে
স্বাস্থ্যের
ক্ষতি
ধরলে
ব্যয়
আরো
বিশাল
এবং
তা
ঢাকার
অতি
জনাকীর্ণতার
কারণে।
চার. অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ডের
পুঞ্জীভবনের
পেছনে
প্রায়ই
কাজ
করে
দক্ষ
বাজারশক্তি,
রিটার্নস
টু
স্কেল,
এগলোমারেসন
অর্থনীতি,
স্থানীয়করণ
এবং
নগরায়ণ—সব
মিলিয়ে
সৃষ্টি
করে
নগর
কেন্দ্র
ও
শহর।
নিঃসন্দেহে
এসব
উন্নয়ন
প্রবৃদ্ধির
কেন্দ্রবিন্দুতে
থাকলেও
সীমার
বাইরে
অর্থনৈতিক
কেন্দ্রীকরণের
কুফল
যে
আছে
তা
দিবালোকের
মতোই
স্পষ্ট।
তত্ত্ব
বলে,
শহরের
একটা
চূড়ান্ত
আকৃতি
থাকে।
তারপর
ক্রমহ্রাসমান
প্রান্তিক
উৎপাদন
বিধির
মতো
উৎপাদন
মাত্রার
অর্থনৈতিক
অসুবিধা
ও
নেতিবাচক
বহিস্থ
প্রভাবে
খরচ
বাড়ে।
যেমন
গাদাগাদি
অবস্থা
এবং
দূষণের
খরচ।
ফলে
স্কেল
ও
এগলোমারেসনের
সুবিধা
টপকে
অসুবিধা
জায়গা
দখল
করে।
সম্ভবত
এ
কারণেই
শহরগুলো
সীমাহীনভাবে
বাড়তে
পারে
না।
তাছাড়া
প্রাইমেটের
(সবচেয়ে বড়
শহর)
অতিবৃদ্ধি
অন্যান্য
শহরের
বৃদ্ধির
ভিত্তি
দুর্বল
করতে
পারে।
আর
অতিমাত্রায়
শহর
বিস্তৃতির
ব্যাখ্যা
সবার
জানা—বাজারের
ব্যর্থতার
সুযোগে
ভারী
বিনিয়োগ,
স্থির
খরচ
ও
এক্সটার্নালিটিজ,
নেটওয়ার্ক
প্রভাব
এবং
গুনার
মিরডেলের
বৃত্তাকারে
ক্রমবর্ধমান
সংগঠন
(Circular cumulative causation)
ইত্যাদি
ইকোনমিজ
অব
স্কেল
পাইয়ে
দিতে
অবদান
রাখে।
রাজনৈতিক,
অর্থনৈতিক
কারণটিও
কম
গুরুত্বপূর্ণ
নয়—রাজনৈতিক
অভিজাত
শ্রেণী
প্রাইমেট
শহর/অঞ্চল
পছন্দ
করে—‘ঈশ্বর
বাস
করেন
ওই
ভদ্র
পল্লীতে’
(মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)।
তবে
ব্যক্তি
পর্যায়ে
যা
সবচেয়ে
ভালো
সিদ্ধান্ত,
সামাজিক
দৃষ্টিকোণ
থেকে
তা
না-ও
হতে
পারে
এবং
সেজন্যই
সংশোধনক্ষম
ব্যবস্থা
নেয়া
উচিত।
বস্তুত,
বাংলাদেশের
জন্মই
হয়েছে
দুর্বল
নীতি
ও
ইকোনমিক
জিওগ্রাফির
বিষয়ে
বিচার-বিভ্রাটের
কারণে।
সাধারণত
অর্থনৈতিক
উন্নয়ন
ডিসকোর্সে
অর্থনৈতিক
ভূবিজ্ঞানের
তথা
ইকোনমিক
জিওগ্রাফির
জোরালো
কোনো
জায়গা
থাকে
না,
যদিও
আন্তর্জাতিক
বৈষম্য
কিংবা
বিনিয়োগের
বেলায়
ভূবিদ্যার
প্রসঙ্গ
প্রান্তিক
উঠে
আসে।
অর্থনৈতিক
ভূবিদ্যা
মানে
অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ড,
সম্পদ,
উৎপাদনের
উপকরণের
অবস্থান
নিয়ে
অধ্যয়ন।
আহমদ
আহসান
সেদিন
আমাদের
রাজধানী
ঢাকা
শহরের
অতিজনাকীর্ণতা
এবং
এর
পরিণাম
নিয়ে
প্রাণবন্ত
আলোচনা
করলেন;
জনবহুল
ঢাকা
কীভাবে
ব্যয়বহুল
হলো,
সে
আলোচনায়
অর্থনৈতিক
ভূবিদ্যার
কথা
তুলে
ধরলেন
ওই
কনফারেন্সে।
আমরা
জানি,
উৎপাদনশীলতার
প্রধান
চালক
হচ্ছে
অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ড,
ব্যক্তি,
ফার্ম
কিংবা
খাতে
সম্পদের
বরাদ্দ।
অর্থনৈতিক
ভূবিদ্যা
জানতে
চায়
কোথায়,
কেন
এবং
কীভাবে
এ
বিন্যাস
ঘটে।
আর
এই
বণ্টন
ও
পুনরায়
বণ্টন
প্রক্রিয়ায়
উপাদানের
চলমানতা
গুরুত্বপূর্ণ
সহগ
হয়ে
ওঠে,
যা
কিনা
প্রায়ই
উপেক্ষিত
থাকে
আমাদের
চিন্তা
ও
চেতনায়।
অথচ
ভূবিদ্যাভিত্তিক
বিশ্লেষণ
প্রবৃদ্ধির
উৎস,
অভ্যন্তরীণ
ও
বহির্বাণিজ্য,
জাতীয়,
আঞ্চলিক
ও
নগর
উন্নয়নের
বিষয়ে
অন্তর্দৃষ্টি
দান
করে।
ইকোনমিক
জিওগ্রাফি-বিষয়ক
দুটো
প্রসঙ্গ
উল্লেখ
না
করলেই
নয়—এক.
দরিদ্র
জেলাগুলোয়
দারিদ্র্যের
প্রকোপ
অপেক্ষাকৃত
বেশি;
দুই.
প্রবৃদ্ধির
জন্য
টেকসই
শহর
উন্নয়ন
জরুরি,
বিশেষত
এর
গুণগত
মান।
মধ্যম
আয়ের
দেশের
ফাঁদে
পড়তে
যাওয়া
বাংলাদেশের
চিন্তা
হওয়া
উচিত
মানসম্মত
নগর,
শুধুই
নগর
নয়।
যেন
বলতে
না
হয়,
‘ফিরিয়ে দাও
সে
অরণ্য,
লহ
এই
নগর।’
যেমন
উড়োজাহাজে
বসে
রাতের
বেলায়
জানালায়
উঁকি
মেরে
দেখি
বাংলাদেশ
অন্ধকারে
ডুবে
আছে,
হারিকেনের
মতো
মিটমিট
আলোয়
কিছু
শহর
আর
একমাত্র
ঢাকা
শহরের
যত
কাছাকাছি
ততই
আলোর
হাতছানি।
ভিয়েতনাম,
থাইল্যান্ড
বা
অন্য
কোথাও
দেশের
ভেতর
প্লেন
ঢুকলে
আলোর
ঝলকানি
বিস্তৃত
শহর
থেকে
শহরে।
ঢাকা
১৬
কোটি
মানুষের
দেশে
সবচেয়ে
বড়
শহর;
মোট
জনসংখ্যা
দুই
কোটি
(প্রায় এক-তৃতীয়াংশ)
ধারণ
করে।
এ
দেশে
১০
লাখের
ওপর
মানুষ
নিয়ে
আছে
মাত্র
চারটা
শহর,
অথচ
এমন
শহর
ভিয়েতনামে
৭,
ইন্দোনেশিয়ায়
১৪,
ভারতে
৫৪,
চীনে
১০২,
এমনকি
পাকিস্তানে
১৪টি।
বুঝতে
বাকি
থাকে
না
যে
বাংলাদেশে
নগর
বলতে
একমাত্র
ঢাকাই।
পাঁচ.
তা
মোটেও
ঠিক
নয়।
দেশের
অন্যান্য
শহর
ও
অঞ্চল
উন্নয়নে
মনোযোগী
হওয়া,
বিশেষত
চট্টগ্রাম
বাণিজ্যিক
শহরকে
প্রাধান্য
দেয়া;
গণসেবা
ও
বিনিয়োগ
পরিবেশ
উন্নত
করা,
শহর-সরকারকে
বিকেন্দ্রীকরণের
মাধ্যমে
শক্তিশালী
করা,
শহরের
কৃতিত্ব
পরিমাপ,
তথ্য
ও
গবেষণা
বৃদ্ধিকল্পে
আরো
বিনিয়োগ
ইত্যাদি
সময়ের
দাবি।
বাংলাদেশের
৩৪০টা
শহর
ও
পৌরসভার
পরিকল্পনা
ও
ব্যবস্থাপনা
ঢাকায়
থেকে
৩৫টি
উন্নয়ন
সম্পর্কিত
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষে
কখনো
সম্ভব
ছিল
না,
আজও
সম্ভব
নয়।
এসব
সরকারি
দপ্তর
ঢাকায়
ভিড়
না
বাড়িয়ে
বিকেন্দ্রীকরণের
ছাতায়
ঢাকার
বাইরে
অন্যান্য
শহরে
স্থানান্তর
করা
উচিত।
ঢাকা
সারা
বাংলাদেশের
প্রতিনিধিত্ব
করে
না।
মুখ
দেখে
শরীর
চেনা
যায়
না—বহু
আগে
বলেছিলেন
রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর;
পল
স্যামুয়েলসন
তার
‘ইকোনমিকস’ বইয়ের
সূচনায়
ফ্যালাসি
অব
কম্পোজিশনের
উদাহরণ
টানতে
গিয়ে
প্রায়
একই
কথা
বলেছেন,
শরীরের
একটা
অংশ
পুরো
অঙ্গ
হিসেবে
বিবেচনা
করা
যায়
না।
তার
পরও
‘আশায় আশায়
তবু
এই
আমি
থাকি,
যদি
আসে
কোনো
দিন
সেই
সুখ
পাখি’
বলে
ছুটছে
মানুষ
ঢাকায়
বাস
করতে,
যদি
না
নাগরিক
সুবিধা
পৌঁছে
গ্রামে।
আর
তার
জন্য
চাই
পরিকল্পিত
নগর
বিস্তৃতি
ও
উন্নয়ন।
যত
তাড়াতাড়ি
উপলব্ধি
তত
দ্রুতই
মঙ্গল।
আব্দুল বায়েস: অর্থনীতির অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির খণ্ডকালীন শিক্ষক










