‘দিনে
দিনে
বাড়িতেছে
দেনা।’
কার
দেনা
বা
ঋণ?
ব্যক্তির
দেনা?
না,
ব্যক্তির
দেনা
ব্যক্তির
ব্যাপার।
এটি
দেখবে
ব্যক্তি।
আমাদের
আলোচ্য
বিষয়
সরকারের
দেনা
বা
সরকারি
ঋণ।
সরকারি
ঋণের
অবস্থা
কী?
দৈনিক
বণিক
বার্তার
৯
মার্চের
খবরে
দেখলাম
সরকারের
ঋণ
এখন
জিডিপির
৪২
দশমিক
৫
শতাংশ।
তাহলে
সরকারি
ঋণের
পরিমাণ
আগে
কত
ছিল
যে
আমি
বলছি
‘দিনে
দিনে
বাড়িতেছে
দেনা’।
আলোচ্য
খবরটি
থেকে
বোঝা
যাচ্ছে
জিডিপির
তুলনায়
সরকারি
ঋণ
৩৪
দশমিক
৬
শতাংশ
থেকে
বৃদ্ধি
পেয়ে
এখন
হয়েছে
৪২
দশমিক
৫
শতাংশ।
২০২০-২১
অর্থবছর
শেষে
সরকারের
মোট
ঋণের
পরিমাণ
ছিল
১৪৭
দশমিক
৮
বিলিয়ন
ডলার।
বাংলাদেশী
টাকায়
যার
পরিমাণ
প্রায়
১২
লাখ
৭১
হাজার
কোটি
টাকা।
এ
ঋণের
৫৮
শতাংশ
এসেছে
অভ্যন্তরীণ
খাত
থেকে।
বিদেশী
উৎস
থেকে
এসেছে
বাকিটা।
বণিক
বার্তায়
প্রকাশিত
তথ্য
থেকে
বোঝা
যাচ্ছে,
২০১৭-১৮
অর্থবছর
থেকেই
সরকারের
ঋণ
বাড়ছে।
২০১৯-২০
অর্থবছর
পর্যন্ত
প্রকৃত
হিসাব।
বাকি
বছরগুলোর
হিসাব
‘প্রাক্কলিত/পূর্বাভাস’।
দেখা
যাচ্ছে
এই
মোট
ঋণে
বিদেশী
ঋণের
পরিমাণ
১৭
দশমিক
৫
শতাংশ।
হিসাব
দেখলে
মাথাটা
ঘুরে
যাওয়ার
কথা।
এত
টাকা
ঋণ!
ঋণের
সাথেই
অনেক
প্রশ্ন:
ঋণ
সুদসহ
পরিশোধ
করতে
হবে।
কোত্থেকে
তা
পরিশোধ
করা
হবে?
তারও
আগের
প্রশ্ন
ঋণ
কেন
করা
হচ্ছে,
কোত্থেকে
করা
হচ্ছে,
কত
সুদে
করা
হচ্ছে,
ঋণ
না
করে
কি
চলত
না
আমাদের?
এমন
অনেক
প্রশ্ন
মাথায়
আসে।
সরকারের
ঋণ
করা
কি
উচিত—এটাও
আরেক
প্রশ্ন।
সরকারের ঋণের
প্রশ্নে
প্রথমেই
দেখা
যাবে
আমরা
ঋণ
করছি
স্বাধীনতার
পর
থেকেই।
বস্তুত
কোনো
বছরই
বাদ
যায়নি
যে
বছরে
সরকার
ঋণ
করেনি।
তবে
প্রশ্ন,
সরকারের
ঋণ
করা
উচিত
কিনা?
সরকারের
ঋণ
করা
দোষনীয়
কিছু
নয়।
আমাদের
মতো
সব
দেশের
সরকারই
ঋণ
করে।
প্রতিবেশী
চীন
ও
ভারতও
ঋণ
করছে।
আর
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র
তো
বিশ্বের
সবচেয়ে
বড়
ঋণী
দেশ।
প্রশ্ন
ঋণ
করে
সরকার
‘ঘি’
যাচ্ছে
কিনা।
অর্থাৎ
সরকার
অযথা
খরচ
করে
আমাদের
ঋণী
বানাচ্ছে
কিনা?
সরকার
ঋণ
করে
কর্মচারীদের
বেতন
দিচ্ছে
না,
দৈনন্দিন
খরচ
নির্বাহ
করছে।
এ
ধরনের
পরিস্থিতি
হয়নি।
ঋণের
পরিমাণ
যাই
হোক
না
কেন,
ঋণের
টাকায়
কর্মচারীদের
বেতন-ভাতা
দেয়া
হচ্ছে
না।
পরিসংখ্যান
ঘাঁটলে
দেখা
যাবে
আমাদের
উন্নয়ন
বাজেটের
প্রায়
সবটাই
ঋণের
টাকা।
উন্নয়নের
খরচের
জন্য
বাজেটে
কোনো
উদ্বৃত্ত
থাকে
না।
আয়
বেশি
হবে
সরকারের
খরচ
কম
হবে।
উদ্বৃত্ত
টাকা
ব্যয়
হবে
‘উন্নয়ন
কর্মসূচিতে’।
এই
কাজটি
কোনো
বছরই
হচ্ছে
না।
সব
বছরেই
আমাদের
ঘাটতি
বাজেট
অর্থাৎ
যত
টাকা
দরকার
তত
টাকা
আমাদের
রাজস্ব
আয়
হচ্ছে
না।
ফলে
প্রতি
বছর
উন্নয়নের
জন্য
ধারদেনা
করতে
হচ্ছে।
আবার
ধারদেনার
অভাবসহ
নানা
কারণে
উন্নয়নের
বাজেটও
প্রতি
বছর
কাটছাঁট
করতে
হচ্ছে।
এটা
আমাদের
বাজেটের
খুবই
বড়
দুর্বলতা।
এ
দুর্বলতা
এড়ানোর
কি
কোনো
ব্যবস্থা
আছে?
আলবত
আছে।
উন্নয়নের জন্য
যে
টাকা
দরকার
তা
সংগ্রহের
জন্য
রাজস্ব
আয়
বাড়ানো
যেতে
পারে।
তা
না
হলে
উন্নয়নের
ব্যয়
কাটছাঁট
করে
ছোট
উন্নয়ন
বাজেট
তৈরি
করতে
হবে।
অথবা
আরেক
পথ
হচ্ছে
রাজস্ব
ব্যয়
কমানো
অর্থাৎ
রাজস্ব
ব্যয়ে
মিতব্যয়িতা
আনা।
আলোচনায় গেলে
শেষ
পর্যন্ত
দেখা
যাবে
আমরা
রাজস্ব
বাড়াতে
পারছি
না।
প্রতি
বছর
রাজস্ব
বাজেট
ছোট
করতে
হয়।
লক্ষ্যমাত্রামাফিক
রাজস্ব
আয়
আমরা
করতে
পারছি
না।
আমাদের
লক্ষ্যমাত্রা
থাকে
বেশ
বড়।
কিন্তু
তা
কোনো
বছরই
অর্জিত
হয়
না।
এটা
কি
আমাদের
সক্ষমতার
অভাব,
নাকি
কর
আদায়
ব্যবস্থার
সমস্যা?
যে
কারণেই
হোক
না
কেন
দেখা
যাচ্ছে
আমাদের
কর-জিডিপির
অনুপাত
সাড়ে
আট
শতাংশের
মতো।
অথচ
তা
হওয়ার
কথা
১৫-২০
শতাংশ।
জিডিপির
আকার
দিন
দিন
বাড়ছে।
মানুষের
মাথাপিছু
আয়
বাড়ছে।
ব্যবসার
পরিধি
বাড়ছে।
নতুন
নতুন
অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ড
অর্থনীতিতে
যোগ
হচ্ছে।
নতুন
নতুন
করদাতা
সংযুক্ত
হওয়ার
কথা।
রেজিস্ট্রীকৃত
কোম্পানির
সংখ্যা
বাড়ছে।
এতৎসত্ত্বেও
কর
আদায়ে
আমরা
সাফল্য
অর্জন
করতে
পারছি
না
কেন,
বিশেষ
করে
আমরা
যেন
প্রত্যক্ষ
করের
ওপর
কম
জোর
দিয়ে
পরোক্ষ
করের
দিকে
মনোযোগ
বেশি
দিচ্ছি।
আমরা
দৃশ্যত
‘ইনকাম
ট্যাক্স’
আদায়
করছি।
আবার
‘কনজাম্পশন
ট্যাক্স’ও
আদায়
করছি।
তাহলে
রাজস্ব
আদায়ের
পরিমাণ
বাড়ছে
না
কেন?
কেন
প্রতি
বছর
রাজস্ব
আদায়ের
টার্গেট
কাটছাঁট
করা
হচ্ছে?
এই
প্রশ্নের
উত্তর
একবার
মন্ত্রী
পর্যায়ের
একজন
দিয়েছিলেন।
তার
কথায়
বলতে
হয়
আমাদের
দেশে
যারা
কর
দিতে
পারে
তারা
কর
দেয়
না,
আর
যারা
পারে
না
তাদের
করের
বোঝাই
বাড়ে।
এটা
একটা
বড়
সমস্যা।
একটা
উদাহরণ
দিই।
দুই
কোটি,
সোয়া
দুই
কোটি
টাকা
সম্পদ
হলেই
‘ওয়েলথ
ট্যাক্স’
দেয়ার
নিয়ম
চালু
আছে।
এর
নাম
‘সারচার্জ’।
পরিসংখ্যানে দেখা
যায়,
৮-১০
হাজার
করদাতা
সম্পদের
ওপর
সারচার্জ
দেন।
অথচ
কে
না
জানে
দুই,
সোয়া
দুই
কোটি
টাকার
সম্পদ
আছে
এমন
লোক
রাস্তাঘাটে
পাওয়া
যায়।
প্রতিটি
উপজেলায়
এমন
লোকের
সংখ্যা
এখন
অজস্র।
ঢাকা,
চট্টগ্রাম,
খুলনা
ও
রাজশাহী
শহরের
কথা
বাদই
দিলাম।
দেশে
পাবলিক
ও
প্রাইভেট
কোম্পানি
মিলিয়ে
আছে
লক্ষাধিক।
এর
মধ্যে
কয়টা
কোম্পানি
আয়কর
দেয়?
দেশে
হাজার
হাজার
বড়
বড়
মুদি
দোকান,
ওষুধের
দোকান,
মাছের
আড়তের
মালিক,
পণ্য
ব্যবসায়ী,
আমদানিকারক
আছে
তাদের
কয়জন
আয়কর
দেন?
প্রতি
বছর
সেরা
করদাতাদের
নাম
ছাপা
হয়।
দেখা
যায়
এতে
নাম
আসে
তাদের,
যাদের
আসার
কথা
নয়,
আবার
যাদের
আসার
কথা
তাদের
নাম
আসে
না।
আর
ব্যবসায়ীদের
কথা
কী
বলব,
তারা
তো
কোনো
করই
দিতে
চান
না।
কর
রেয়াত,
কর
মওকুফ,
কর
অব্যাহতি,
করের
হার
হ্রাসের
দাবিতে
তারা
সোচ্চার।
সামনে
বাজেট
আসছে
২০২২-২৩
অর্থবছরের।
এরই
মধ্যে
ব্যবসায়ীরা
কর
হ্রাসের
নানা
দাবি
নিয়ে
সোচ্চার
হয়েছেন।
একটি
খবরে
দেখলাম
‘বাংলাদেশ
গার্মেন্ট
অ্যাকসেসরিজ
অ্যান্ড
প্যাকেজিং
ম্যানুফ্যাকচারার্স
অ্যান্ড
এক্সপোর্টার্স
অ্যাসোসিয়েশন’
(বিজিএপিএমইএ) তাদের
করপোরেট
ট্যাক্স
১০-১২
শতাংশে
হ্রাস
করার
দাবি
জানিয়েছে।
তারা
তাদের
সমর্থনে
অনেক
যুক্তিও
উপস্থাপন
করেছে।
কোনো
কোনো
শিল্পে
করপোরেট
ট্যাক্স
কত
এবং
তাদের
কত
তার
একটা
ফিরিস্তি
দিয়েছে।
এদিকে
দেখা
যাচ্ছে
চট্টগ্রাম
চেম্বারের
নেতারাও
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ড
(এনবিআর) থেকে
নানা
ধরনের
কর
কর্তন
চান।
তারা
শুল্ক-সংক্রান্ত
৭০টি,
ভ্যাট-সংক্রান্ত
২২টি
এবং
আয়কর-সংক্রান্ত
১০২টি
প্রস্তাব
নিয়ে
এনবিআরের
সঙ্গে
বসবেন
বলে
জানা
গেছে।
এভাবে
দেখলে
বোঝা
যাচ্ছে
কর
তো
দূরের
কথা
কর
অব্যাহতি,
কর
হ্রাস,
কর
রেয়াত
ইত্যাদির
দাবিই
চারদিকে।
আবার
সরকারকে
জরুরি
অবস্থা
মোকাবেলা
করার
জন্য
অনেক
সময়
কর
হ্রাস,
ভ্যাট
হ্রাস,
শুল্ক
হ্রাস
করতে
হয়।
এই
যেমন
পবিত্র
রমজান
আসছে।
এক
শ্রেণীর
ব্যবসায়ী
চাল,
ডাল,
পেঁয়াজ,
সয়াবিন,
ছোলা,
চিনি
ইত্যাদির
দাম
অস্বাভাবিকভাবে
বাড়িয়েছেন।
সরকার
বাজার
নিয়ন্ত্রণের
জন্য
বাধ্য
হয়ে
এসব
পণ্যের
আমদানির
ওপর
শুল্ক
হ্রাস
করেছে।
এতেও
প্রচুর
রাজস্ব
ক্ষতি
হবে।
প্রতি
বছর
এভাবে
ব্যবসা
ও
শিল্প
খাতে
রাজস্ব
বোর্ডকে
নানাবিধ
প্রণোদনা
দিতে
হয়।
ফলে
রাজস্ব
আদায়ের
টার্গেট
যেমন
একদিকে
বাস্তবায়িত
হয়
না,
তেমনি
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়
রাজস্ব
আদায়ের
শৃঙ্খলা।
দৃশ্যত
মনেই
হয়
সরকার
অতিরিক্ত
মাত্রায়
ব্যবসাবান্ধব
হওয়ার
অন্তরালে
ব্যবসায়ীবান্ধব
হয়ে
উঠেছে।
রাজস্ব
আদায়ের
যতগুলো
উৎস
আছে
সব
উৎসে
রাজস্ব
কর্মকর্তাদের
হুমকির
সম্মুখীন
হতে
হয়
বলেও
খবর
ছাপা
হয়।
বন্ডেড
ওয়্যারহাউজ
কার্যত
উন্মুক্ত
হচ্ছে
প্রভাবশালী
ব্যবসায়ীদের
কারণে।
ভ্যাট
একটা
ভালো
ব্যবস্থা,
যার
মাধ্যমে
প্রচুর
রাজস্ব
আদায়
করা
যায়।
কিন্তু
ভ্যাট
আদায়ে
কোনো
সাফল্যই
আসছে
না
এক
শ্রেণীর
ব্যবসায়ীর
অসহযোগিতার
কারণে।
বস্তুত
দেখা
যাচ্ছে
ব্যবসায়ীদের
প্রভাবশালী
অংশ
করই
দিতে
চায়
না।
এ
কারণে
সাবেক
অর্থমন্ত্রী
আবুল
মাল
আবদুল
মুহিত
একবার
বলেছিলেন,
ব্যবসায়ীরা
শুধু
নিতেই
জানে,
দিতে
জানে
না।
এখানেই
সরকারের
করণীয়
কী,
তা
বোঝা
যায়।
নব্য
ধনী
ব্যবসায়ী
শ্রেণীর
কাছ
থেকে
কর
আদায়ের
জোর
প্রচেষ্টা
সরকারকে
দেখাতে
হবে।
নমনীয়তা
ভালো
কিন্তু
অতিরিক্ত
নমনীয়তা
রাজস্ব
আদায়ের
শৃঙ্খলা
নষ্ট
করে
দেয়।
এ
কারণে
শেষ
পর্যন্ত
দেখা
যায়
সাধারণ
মানুষকেই
করের
বোঝা
বহন
করতে
হয়।
আর
এই
বোঝা
যেমন
আয়করে,
তেমনি
ভ্যাটে।
মোদ্দা
কথা,
ব্যবসায়ীদের
সুখ-দুঃখ
থাকবে।
তা
যেমন
সরকার
যথাসম্ভব
দেখবে,
তেমনি
ব্যবসায়ীদের
সরকারের
স্বার্থ-দেশের
স্বার্থ
দেখতে
হবে।
অনেক
ব্যবসায়ী
আছেন
যারা
দেশে
টাকা
বিনিয়োগ
না
করে
বিদেশে
টাকা
পাচার
করেন,
তারা
তা
না
করে
দেশে
বিনিয়োগ
করলে
দেশের
ভেতরে
উৎপাদন,
বেচাকেনা
বাড়ে।
এর
দ্বারা
দেশবাসী
উপকৃত
হয়।
তারা
এই
কাজটি
করবেন
কি?
প্রশ্ন থেকেই
যায়
সরকারের
ঋণ
কমানো
যায়
কিনা
অথবা
ঋণ
বৃদ্ধির
হারে
লাগাম
টানা
যায়
কিনা?
এটাও
সম্ভব।
কীভাবে?
আমরা
জানি
আমাদের
সরকারি
ব্যয়ের
গুণগত
মান
খুবই
খারাপ।
দৃশ্যত
সরকারি
সংস্থা
বা
মন্ত্রণালয়গুলো
এক
টাকার
কাজ
দুই
বা
তিন
টাকায়
করে।
অনেক
ক্ষেত্রে
কাজ
না
করেই
টাকা
ব্যয়ের
হিসাব
দেখানো
হয়।
হাসপাতালে
রোগীরা
ওষুধ
পায়
না,
খাবার
পায়
না।
অথচ
এসবের
জন্য
সরকারের
যে
রাজস্ব
বাজেট
আছে
তার
টাকা
সমুদয়
খরচ
হয়।
কয়েদিদের
খাবার
বাইরে
বিক্রি
হয়।
বাল্ব,
চাদর,
পর্দা,
বালিশ
ইত্যাদি
জিনিস
কিনতে
কী
অসম্ভব
মাত্রায়
খরচ
করা
হয়
তার
খবর
প্রায়ই
খবরের
কাগজে
ছাপা
হয়।
একটি
প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের
দালান-কাঠামো
পাঁচ
বছরও
টেকে
না।
রাস্তা
মেরামতের
পর
পরই
দেখা
যায়
রাস্তা
নষ্ট।
সিমেন্ট
ব্যবহারই
করা
হয়
না
মেরামতি
কাজে।
এ
রকম
শত
শত,
হাজার
হাজার
উদাহরণ
আছে
সরকারি
ব্যয়ের।
এ
ব্যাপারে
প্রধানমন্ত্রী,
পরিকল্পনামন্ত্রী
বহুবার
বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী
তো
প্রকাশ্যেই
বলেছেন
বেতন-ভাতা
বাড়ানো
হয়েছে,
এবার
দুর্নীতি
বন্ধের
ব্যবস্থা
করুন।
বিষয়টি
কত
গুরুত্বপূর্ণ
আকার
ধারণ
করলে
সর্বোচ্চ
পর্যায়
থেকে
এ
আহ্বান
আসে।
বস্তুত
আমাদের
খরচের
গুণগত
দিক
অসন্তোষজনক
নয়,
মারাত্মকভাবে
অসন্তোষজনক।
আমার
দৃঢ়
বিশ্বাস
গুণগত
মান
বাড়াতে
পারলে
সরকারের
খরচ
কমে
আসবে।
রাজস্ব
বাজেট
এবং
উন্নয়ন
বাজেট
এই
উভয়
ক্ষেত্রেই
সাশ্রয়
হবে।
দুই
ক্ষেত্রেই
অপচয়,
চুরি-দুর্নীতির
কোনো
সীমা
নেই।
এমতাবস্থায়
এ
বিষয়ে
সরকারের
নজর
দেয়া
দরকার।
এই
ক্ষেত্রে
অবস্থার
উন্নতি
করতে
পারলে
রাজস্ব
বাজেট
ও
উন্নয়ন
বাজেটের আকার
ছোট
করে
একই
পরিমাণ
কাজ
সমাধা
করা
সম্ভব।
তাহলে
সরকারের
ঋণের
পরিমাণ
কমবে।
ঘাটতি
বাজেটের
পরিমাণ
কমবে,
যা
এখন
বৃদ্ধির
দিকে।
অবশ্য এখন
আমাদের
অস্বাভাবিক
সময়
যাচ্ছে।
করোনার
কারণে
দুই
বছর
নষ্ট
হয়েছে।
এখন
চলছে
রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধ।
এসব
দেশ
থেকে
আমরা
গম/খাদ্য
আমদানি
করে।
আবার
যুদ্ধের
ফলে
আন্তর্জাতিক
বাজারে
জিনিসপত্রের
দাম
অনেক
বেড়েছে।
জাহাজের
ভাড়া
বেড়েছে,
যার
চাপ
অভ্যন্তরীণ
বাজারেও
পড়ছে।
যেমন
ধরা
যাক
সারের
কথা।
সারে
আমাদের
প্রচুর
ভর্তুকি
প্রতি
বছর
দিতে
হয়।
এটা
সরকারের
নীতি।
২০২০-২১
অর্থবছরে
সারে
ভর্তুকির
পরিমাণ
ছিল
মাত্র
৭
হাজার
৭০০
কোটি
টাকা।
২০২১-২২
অর্থবছরে
এই
ভর্তুকির
পরিমাণ
২৮
হাজার
কোটি
টাকায়
উন্নীত
হতে
পারে।
খাদ্য,
বিদ্যুৎ
ইত্যাদি
খাতেও
ভর্তুকি
বাড়বে।
অতএব
সরকারের
ঘাটতি
বাড়তে
পারে।
ঘাটতি
বৃদ্ধি
মানেই
হচ্ছে
সরকারের
ঋণ
বৃদ্ধি।
সাবধান
হওয়ার
এখনই
সময়।
খরচের
গুণগত
মান
বৃদ্ধি
যেমন
দরকার,
তেমনি
দরকার
কর
রেয়াত,
কর
অব্যাহতির
সংস্কৃতি
থেকে
কিছুটা
হলেও
মুক্তি।
ড. আর এম দেবনাথ: অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক










