পিপলস রিপাবলিক অব চায়না। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইরান, ভারত, ইনকা, মায়ার মতো প্রাচীন চীনের সভ্যতা। ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে বিপ্লবের পর এক নতুন চীনের যাত্রা হয়। নানা রকম সংস্কার ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমান বিশ্বে চীন অন্যতম এক পরাশক্তি। জিডিপির হিসাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ফসল নয়া চীন এখন পুঁজিবাদী বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র। ঐতিহাসিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষিতে চীনের শক্তি-দুর্বলতা, সাফল্য-ব্যর্থতা ও ধারাবাহিক পরিবর্তনগুলো নিয়ে লিখেছেন আনু মুহাম্মদ
বাণিজ্যিক নির্মাণ খাতের উত্থান ও বৈশ্বিক বাজার
নতুন পর্যায়ে চীনের চোখ ধাঁধানো ‘উন্নয়ন’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাণিজ্যিক আবাসনসহ নির্মাণ খাতের বিকাশ। লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলা চীনের জিডিপির শতকরা প্রায় ১৫ ভাগ এ খাত এবং সম্পর্কিত নির্মাণ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক তত্পরতা থেকে আসে। এ নির্মাণকাজে চীন যে দক্ষতা ও ক্ষিপ্রগতির স্বাক্ষর রেখেছে তা সারা দুনিয়ার জন্যই বিস্ময়কর। অনেক প্রযুক্তিগত নতুন উদ্ভাবনও ঘটেছে এর মধ্য দিয়েই।
আবাসিক খাতসহ পুরো নির্মাণ খাতের বিকাশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় বেসরকারি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা। চীনের নব্য ধনিক শ্রেণীর বড় সমাবেশ এসব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানেই ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ এদের বিকাশকে নিরাপদ ও ত্বরান্বিত করেছে। অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর ঋণের বড় ক্ষেত্র এ নির্মাণ খাত। ২০১৬ সালের প্রথম দিকের হিসাব অনুযায়ী চীনের বৃহত্তম পাঁচটি ব্যাংক তার শতকরা ২৮ ভাগ ঋণই দিয়েছে আবাসিক নির্মাণ খাতে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ঋণপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও এ খাতে চাহিদার তুলনায় অতিউৎপাদনের কারণে ঋণখেলাপির হারও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ সময়ে বড় শহরগুলোতে বিশেষত সাংহাই, শেনজেন ও নানজিংয়ে ভবন সম্পত্তির দাম শতকরা ৩০ ভাগেরও বেশি বেড়ে যায়। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে সেদেশের নির্মাণ ব্যবসায়ী সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও একে চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমস্যা বা ‘বুদবুদ’ বলে স্বীকার করেন। বিদেশী ব্যাংক, স্থানীয় দালাল, রাষ্ট্রীয় বিশ্লেষক সবাই এ বিষয়ে একমত। এমনিতে সমগ্র অর্থনীতির মধ্যে অন্য যেকোনো খাতের তুলনায় এ খাতের প্রবৃদ্ধি হার বেশি। আবাসিক নির্মাণে অতিউৎপাদন সমস্যা মোকাবেলা করতে গিয়ে সহজ ঋণের সম্প্রসারণ ঘটানো হয়। এর মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে হলেও বিক্রি আবার বাড়ে।
চীনের অর্থনীতিতে, জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে, এখন উৎপাদনের চেয়ে ভোগ, শিল্পের চেয়ে পরিষেবার অবদান বেশি বেড়েছে। আগেই বলেছি, চীনের বিশাল অর্থনীতির একটি বড় অংশ নির্মাণ ও সম্পর্কিত তত্পরতা থেকেই আসে।
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর থেকে বিশ্ব অলিম্পিকে নির্মাণশৈলী এবং উচ্চ ব্যয় পুরো বিশ্বের জন্যই এক চমকে যাওয়ার ব্যাপার ছিল। একমাত্র বেইজিং অলিম্পিকেই চীন ব্যয় করেছে ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। নির্মাণ খাতে চীনের সক্ষমতা, প্রযুক্তি ও পুঁজির পুঞ্জীভবন এ খাতকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চীনের বিনিয়োগ সম্প্রসারণেও বিশেষ তাগিদ সৃষ্টি করেছে। এ সম্প্রসারণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশে চীনের ব্যয়বহুল প্রকল্প এবং ব্যাংকঋণেরও সম্প্রসারণ ঘটছে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে অবকাঠামো নির্মাণে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা এর একটি বহিঃপ্রকাশ। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।
এক হিসাবে দেখা গেছে, শুধু ২০১৪ সালে চীনের বিভিন্ন কোম্পানি আফ্রিকায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নির্মাণ চুক্তি করেছে। আফ্রিকায় এখন চীনের চালু নির্মাণ প্রকল্পের সংখ্যা তিন সহস্রাধিক। আফ্রিকায় নির্মাণ খাতে ফ্রান্স, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মিলিতভাবে বাজারমূল্যে যত নির্মাণকাজ করছে, চীন করছে তার চেয়ে বেশি। পুরো বিশ্বের মোট নির্মাণ প্রকল্পের এক-চতুর্থাংশ এখন চীন একাই সম্পাদন করে। ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ কর্মসূচিতে চীন যে বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিচ্ছে, তাতে তার এ প্রভাব আরো বাড়বে।
চীনে এখন বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্ বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ আছে, যার পরিমাণ ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। চীনের বহু নির্মাণ কোম্পানি ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ পাওয়ার কারণেই দেশের বাইরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিনিয়োগ করছে, চুক্তি করছে। নির্মাণকাজে নতুন নতুন প্রযুক্তির সফল ব্যবহারের মধ্য দিয়ে চীনা কোম্পানি এখন কার্যত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে। সাধারণ ইট ও সিমেন্ট ব্যবহার না করে তারা খুব দ্রুত বহুতল ভবন নির্মাণ শেষ করতে সক্ষম। পূর্ব নির্মিত উপাদান সংযোজনের মাধ্যমে ছয় দিনে ১৫ তলা ভবন নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা এর একটি দৃষ্টান্ত। এ দৃষ্টান্তের পর বহু প্রতিষ্ঠান চীনে বিভিন্ন নির্মাণ উপাদান তৈরির কারখানা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং তার রফতানির বাজারও তৈরি হচ্ছে। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, কাতার, ইরান, সুদান, অ্যাঙ্গোলাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এর চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ডেও এর বাজারের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
নির্মাণ খাতের এ ঊর্ধ্বমুখী গতির প্রভাব জ্বালানি ও পানির চাহিদার ওপরও চাপ ফেলেছে। এ চাপ কমাতে গিয়ে পরিবেশ অনুকূল নির্মাণ প্রযুক্তির বিষয়ে মনোযোগ বাড়তে দেখা যায়। এছাড়া বড় শহরগুলোতে নির্মাণকাজে ব্যাপক প্রসারের পর এখন সরকারিভাবে গ্রামাঞ্চলে নির্মাণকাজে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে নির্মাণ পুঁজি বিনিয়োগের জোগানের তুলনায় বাণিজ্যিক ভবনের নতুন চাহিদা কম। এক্ষেত্রে কৃত্রিমভাবে চাহিদা বাড়ানোর জন্য স্থানীয় সরকার নিজেই জমি ও ভবন ক্রয় করছে বৃহত্ আকারে, এজন্য তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের ওপর। ফলে নির্মাণ খাতে পুঁজি বিনিয়োগ যত বাড়ছে, তত স্থানীয় সরকারের ঋণগ্রস্ততা বাড়ছে।
ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড
২০১৩ সালের শেষের দিকে চীন সরকারের পক্ষ থেকে এক জোড়া বিশাল নির্মাণযজ্ঞ এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। সড়ক ও সমুদ্র পথ দিয়ে পরিকল্পিত এ দুটো যোগাযোগ নির্মাণযজ্ঞ হলো ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’ এবং ‘টুয়েনন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি মেরিটাইম সিল্ক রোড’। এ দুটোকে একসঙ্গে বলা হয় ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’। এ অবকাঠামো সংযোগ উদ্যোগ এবং ‘এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’সহ বিভিন্ন অর্থকরী প্রতিষ্ঠান স্থাপন বিবেচনা করা যায় বৈশ্বিক পর্যায়ে চীনের বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং তার সঙ্গে অর্থনৈতিক রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির পথনকশা হিসেবে। এসবের মধ্যে চীনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উদ্বৃত্ত পুঁজি বিনিয়োগ তত্পরতার প্রকাশ ঘটেছে। কারো কারো ভাষায়, চীনের ‘রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদের’ আত্মসম্প্রসারণের তাগিদেরই বহিঃপ্রকাশ এসব উদ্যোগ।
সংযোগ অবকাঠামো পরিকল্পনা করা হয়েছে এভাবে—সড়কপথে চীন থেকে পাকিস্তান, তুরস্ক, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইতালি আবার সমুদ্রপথে ইতালি থেকে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ স্পর্শ করে মালাক্কা প্রণালি মালয়েশিয়া হয়ে আবার চীন। সিঙ্গাপুরের ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকার কারণে, চূড়ান্ত না হলেও ভারতীয় মহাসাগর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম চীন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশ হয়ে আরেকটি পথও এ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। শ্রীলংকাও এ সংযোগ পথের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমুদ্রপথের বিভিন্ন বিন্দুতে চীন তাই একাধিক গভীর সমুদ্রবন্দরের কাজে আগ্রহী। প্রথমদিকে এ পরিকল্পনায় রাশিয়া আগ্রহী না হলেও যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বিবাদের পর তারা আগ্রহী হয়েছে।
আগেই বলেছি, ব্রিকস সদস্য দেশগুলোসহ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা) ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার চিন্তা বিদ্যমান আর্থিক ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতার ফাটলের ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া ‘এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’ (এআইআইবি) চীনের প্রায় একক উদ্যোগে এবং পরিচালনায় এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ঠেকাতে চেষ্টা করলেও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ এর সদস্যও হয়েছে। এছাড়া ‘সিল্ক রোড ফান্ড’সহ আরো বেশকিছু আর্থিক ব্যবস্থার উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে চীন। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি, ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের মতো সংস্থার একক কর্তৃত্বশালী অবস্থার জন্য পরিষ্কার একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে চীনের এসব উদ্যোগ।
বলাবাহুল্য, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত বিশাল তহবিলের প্রশ্ন। আগের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে এত ব্যয়বহুল প্রকল্পের ভার বহন করা সম্ভব নয়। চীন এ প্রকল্পগুলো একের পর এক গ্রহণ করে যাচ্ছে, সিল্ক রোডের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন দেশে চীনের যেসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলোর মোট ব্যয় প্রায় ৯০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এআইআইবি, সিল্ক রোড তহবিল এবং এ নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয়ভার বহনে মূল দায়িত্ব চীনের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের। চীনের কর্মকর্তা জানিয়েছেন,
‘এসব বৃহত্ পুঁজিঘন প্রকল্পগুলো নেয়ার কারণ হলো চীনের উদ্বৃত্ত অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় দেশের ভেতর কম উত্পাদনশীল কাজে ব্যবহার না করে, অতি উত্পাদনক্ষমতার অপচয় না করে, তা আরো উত্পাদনশীল কাজে লাগানো। যেহেতু ব্যাংক খাতেই চীনের অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের কেন্দ্রীভবন ঘটে, সেহেতু এ ব্যাংক এই দায়িত্ব নিতে সক্ষম।’ সিএনবিসির একই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ‘এ পর্যন্ত চীনের ব্যাংকগুলো থেকে দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রকল্পে যে পরিমাণ ঋণ দেয়া হয়েছে তার পরিমাণ ১.২ ট্রিলিয়ন (বা ১২০০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।’
ঋণের পরিমাণ যে রকম অদৃষ্টপূর্ব হারে বাড়ছে, তাতে ভবিষ্যতে এ ঋণ পরিশোধ নিয়ে সমস্যা সংকটের বিষয়ে সতর্কতার কথাও বলা হয়!
এটা ঠিকই যে চীনে পুঁজি পুঞ্জীভবন ঘটছে অনেক দ্রুত হারে এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কারণে ব্যক্তি পুঁজিপতির পাশাপাশি রাষ্ট্রের হাতেও বিপুল বিনিয়োগযোগ্য পুঁজির সমাবেশ ঘটেছে। এর কারণে অধিকতর মুনাফাযোগ্য বিনিয়োগের জন্য পুঁজির চাপ তৈরি হয়েছে। পুঁজির এ বৈশ্বিক সম্প্রসারণের তাগিদ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিশ্বের বিদ্যমান ক্ষমতার ভারসাম্যের সঙ্গে চীনকে বোঝাপড়ায় যেতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে, ভারত নিজের ও মার্কিন তাগিদে চীনের তত্পরতা বিষয়ে সতর্ক। সিল্ক রোডের বাস্তবায়ন তাই সামনে মসৃণ হবে না। এরই মধ্যে চীন সাগরে কর্তৃত্ব নিয়ে জাপানসহ কয়েকটি দেশের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েছে চীন। এর মধ্যে চীনের সামরিক বাজেটও বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে আবার উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে। [চলবে]
আনু মুহাম্মদ: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়










