উন্নয়ন জগতের
মহীরুহ
স্যার
ফজলে
হাসান
আবেদ
আমাদের
মাঝে
আর
নেই
কিন্তু
তাঁর
শিক্ষা,
তাঁর
পথনির্দেশনা
ও
তাঁর
প্রতিষ্ঠিত
সংস্থার
মূল্যবোধকে
ধারণ
করে
ব্র্যাকের
এক
লক্ষাধিক
কর্মী
গভীর
শ্রদ্ধাভরে
তাকে
স্মরণ
করছে
এবং
সংস্থাকে
সম্মুখপানে
এগিয়ে
নেয়ার
প্রত্যয়ে।
আমরা
জানি
গ্রামীণ
ও
পিছিয়ে
পড়া
জনগোষ্ঠীকে
আলোর
পথ
দেখাবার
এক
আলোকবর্তিকার
নাম
ফজলে
হাসান
আবেদ।
এই
নাম
শুধু
বাংলাদেশের
দরিদ্র
জনপদের
সঙ্গে
মিশে
যাওয়ার
নাম
নয়,
বিশ্বের
দরিদ্র,
যুদ্ধবিধ্বস্ত
দেশগুলোর
উন্নয়নের
নামের
সমার্থক।
বিশ্বের
বৃহত্তম
বেসরকারি
সাহায্য
সংস্থা
‘ব্র্যাক’ একজন
বাংলাদেশীর
দ্বারা
প্রতিষ্ঠিত
এবং
গোটা
বিশ্বে
তার
পরিচিতি,
এ
বিষয়টি
চিন্তা
করতেই
একজন
বাঙালি
হিসেবে
গর্বে
বুক
ভরে
ওঠে।
আমি
এই
সংস্থার
একজন
গর্বিত
সদস্য।
এই
সংস্থায়
যোগদানের
পূর্বেই
পরিচিত
এই
সংস্থার
সঙ্গে।
বাঙালি
হিসেবে
কে
না
পরিচিত
এ
সংস্থার
সঙ্গে?
বাংলার
গ্রাম-গঞ্জ,
শহর,
পিছিয়ে
পড়া,
এগিয়ে
যাওয়া
যে
এলাকায়ই
আপনি
যান
না
কেন,
দেখবেন
ব্র্যাকের
অফিস।
এ
দেশের
মানুষের
কল্যাণে
নিবেদিত
এই
সংস্থা,
কথায়
নয়
কাজেই।
২০০৬
সালে
জাতিসংঘের
ডেভেলপমেন্টের
প্রধান
আবেদ
ভাইকে
সর্বোচ্চ
সম্মানজনক
পদক
দেয়ার
সময়
বলেছিলেন,
‘ফজলে হাসান
আবেদের
মতো
মাত্র
ছয়জন
রাষ্ট্রপ্রধান
থাকলে
বিশ্বের
খাদ্যের
অভাব
দূর
হয়ে
যেত।’
এভাবে
স্যার
ফজলে
হাসান
আবেদের
জ্ঞান,
সাহস,
মানবতা
ও
বিচক্ষণতার
জন্য
বিশ্বের
অনেক
সম্মানীত
ব্যক্তি
ও
রাষ্ট্রপ্রধান
তাকে
সম্মানের
আসনে
প্রতিষ্ঠিত
করেছেন।
আফগানিস্তানে
যখন
ভয়াবহ
যুদ্ধ
চলছিল,
তার
মধ্যে
পৃথিবীর
অনেকেই
তাদের
কাছে
আসেনি
অথচ
এ
ব্যক্তি
সাহস
করে
সেখানে
স্বাস্থ্যসেবার
গুরুদায়িত্ব
হাতে
নিয়ে
মানুষকে
স্বাস্থ্যসেবা
প্রদান
করেছেন।
স্যার
ফজলে
হাসান
আবেদের
বড়
একটি
স্বপ্ন
হচ্ছে,
শিশু
ও
মাতৃমৃত্যু
হার
আরো
কমানো।
তিনি
বলেছেন,
‘বাংলাদেশের সহজাত
সুবিধা
হলো,
এখানকার
মানুষগুলো
বুদ্ধিমান।
এদের
যদি
একটু
ভালো
শিক্ষার
সুযোগ
দেয়া
যায়,
তাহলে
আমরা
অনেক
এগিয়ে
যেতে
পারতাম।
বিশ্বে
অনেক
দেশ
আছে,
যেসব
দেশের
মানুষ
এতটা
বুদ্ধিমান
নয়।
আমাদের
লোকগুলো
বেশি
সুযোগ
পায়নি,
কিন্তু
তাদের
মেধা
আছে,
বুদ্ধি
আছে।
এদের
একটু
সুযোগ
দিলে
পৃথিবীতে
শ্রেষ্ঠ
জাতি
হিসেবে
পরিচিতি
পেত।’
এ
দেশের
মানুষ
ও
তাদের
সুপ্ত
প্রতিভার
প্রতি
ছিল
তাঁর
অগাধ
বিশ্বাস;
আর
সেই
বিশ্বাসই
তাকে
সহায়তা
করেছে
গোটা
পৃথিবীর
বুকে
ব্র্যাকের
মতো
এক
প্রতিষ্ঠান
গড়ে
বাংলাদেশকে
পরিচিত
করাতে।
শিক্ষা যে শুধু বই পড়া, পাস করা আর সার্টিফিকেট নেয়া নয়, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ব্র্যাক ‘শিক্ষা কর্মসূচি’ এসব কর্মকাণ্ড। আমরা অলিতে গলিতে এখন কিন্ডারগার্টেন কিংবা প্রাথমিক বিদ্যালয় দেখতে পাই কিন্তু দুর্গম পাহাড়, হাওড় ও নদীবহুল অঞ্চলে যেখানে










