বাজেট
উন্নয়নের
দিকনির্দেশক,
এসডিজি,
প্রেক্ষিত
পরিকল্পনা
কিংবা
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনা
বাস্তবায়নের
হাতিয়ার
কিন্তু
রংপুর
অঞ্চলের
মানুষের
জন্য
বাজেট
হলো
‘অন্যান্য
অঞ্চলের
চেয়ে
উন্নয়নে
আরো
পিছিয়ে
যাওয়া’।
একে
বলা
যেতে
পারে
‘বাজেটে
অর্থ
বরাদ্দে
বৈষম্যের
প্রভাব’।
বলা
যায়,
স্বাধীনতা-পরবর্তী
৫০
বছরের
বাজেটে
রংপুর
অঞ্চল
কয়েক
লাখ
কোটি
টাকা
অর্থবরাদ্দের
বৈষম্যের
শিকার
হয়েছে।
এ
অর্থ
বরাদ্দে
বৈষম্যের
প্রত্যক্ষ
ফল
রংপুর
অঞ্চলের
দারিদ্র্য।
রংপুর
অঞ্চলের
দারিদ্র্য
সম্পর্কে
ভিশন-২০৪১-এর
চতুর্থ
অধ্যায়
‘একটি
দারিদ্র্যশূন্য
দেশ’ এ
স্পষ্ট
বলা
হয়েছে,
‘সাধারণ
ও
চরম
উভয়
ধরনের
দারিদ্র্য
নিরসনের
ক্ষেত্রে
অগ্রগতি
চিত্তাকর্ষক।
গ্রামীণ
ও
শহর
উভয়
অঞ্চলের
জনগণের
জন্য
দারিদ্র্য
দ্রুত
হ্রাস
পেয়েছে।
সাধারণ
দারিদ্র্যের
তুলনায়
চরম
দারিদ্র্য
অধিকতর
গতিতে
নিম্নগামী
হয়,
যদিও
শহুরে
দরিদ্রদের
জন্য
২০১৬
সালে
এ
অগ্রগতি
থমকে
দাঁড়ায়।
বিভাগীয়
পর্যায়ে
দারিদ্র্য
নিরসনের
অগ্রগতিতে
একই
ধরনের
ভালো
ফল
দেখা
যায়,
তবে
বাংলাদেশের
পূর্বাঞ্চলের
তুলনায়
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
উচ্চহারে
দারিদ্র্য
প্রদর্শন
অব্যাহত
থাকে।
২০১৬
সালে
রাজশাহী
ও
রংপুর
বিভাগের
জন্য
দারিদ্র্য
নিরসনে
অগ্রগতির
বিপরীতমুখিতা
উদ্বেগের
বিষয়,
যা
প্রেক্ষিত
পরিকল্পনা
২০৪১
কৌশলের
অধীনে
সমন্বিতভাবে
সমাধানের
ব্যবস্থা
নেয়া
হবে।’
সরকারি
দলিল
(ভিশন-২০৪১)-এ
বিভিন্ন
অঞ্চলর
দারিদ্র্য
বিষয়ে
দেখানো
হয়েছে
দেশের
পূর্বাঞ্চল
চট্টগ্রাম,
ঢাকা,
সিলেট
বিভাগে
২০১৬
সালে
দারিদ্র্যের
হার
ছিল
যথাক্রমে
১৮
দশমিক
৪
শতাংশ,
১৬
দশমিক
শূন্য
ও
১৬
দশমিক
২
শতাংশ
এবং
দেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
বরিশাল,
খুলনা,
রাজশাহী
ও
রংপুরে
দারিদ্র্যের
হার
ছিল
যথাক্রমে
২৬
দশমিক
৫
শতাংশ,
২৭
দশমিক
৫,
২৮
দশমিক
৯
ও
৪৭
দশমিক
২
এবং
জাতীয়
দারিদ্র্যের
হার
২৪
দশমিক
৩
শতাংশ।
দেখা
যায়,
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর
২০১০
সালের
খানা
আয়-ব্যয়
জরিপে
রংপুর
বিভাগে
দারিদ্র্যের
হার
ছিল
৪২
দশমিক
৩,
যা
২০১৬
সালে
৪৭
দশমিক
২
শতাংশে
দাঁড়িয়েছে,
অর্থাৎ
রংপুর
বিভাগে
দারিদ্র্য
বেড়েছে।
২০২১
সালে
জাতীয়
দারিদ্র্যের
হার
কমে
২০
দশমিক
৫
শতাংশ
হলেও
বিভিন্ন
গবেষণায়
দেখা
যায়,
রংপুরের
বর্তমান
দারিদ্র্যের
হার
কভিড-১৯-এর
প্রভাবে
আরো
বেড়ে
৫০
শতাংশে
দাঁড়িয়েছে।
দেশের
সবচেয়ে
বেশি
দারিদ্র্যের
১০টি
জেলার
পাঁচটি
হলো
রংপুর
বিভাগে
(কুড়িগ্রাম ৭১
শতাংশ,
দিনাজপুর
৬৪,
গাইবান্ধা
৪৭,
রংপুর
এবং
লালমনিরহাট
৪২
শতাংশ)
অথচ
সবচেয়ে
কম
দারিদ্র্যের
জেলা
হলো
(নারায়ণগঞ্জ ৩
শতাংশ
ও
মুন্সীগঞ্জ
৩
শতাংশ)।
কেন
এ
১০
জেলা
এত
দরিদ্র
তার
কারণ
হিসেবে
অষ্টম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনায়
বলা
হয়েছে,
‘এসব
জেলা
মূলত
কৃষি
খাত
দ্বারা
পরিচালিত,
ভূমিহীন
কৃষকের
সংখ্যা
বেশি,
উন্নত
জেলাগুলোর
তুলনায়
উৎপাদন
ও
নির্মাণ
খাতে
অর্থনৈতিক
কর্মকাণ্ড
সীমিত।
বিশেষ
করে
অকৃষি
গ্রামীণ
কর্মসংস্থানের
সুযোগ-সুবিধা
এসব
জেলায়
কম
দরিদ্র
জেলাগুলোর
তুলনায়
কম।
প্রাকৃতিক
দুর্যোগ
ও
জলবায়ু
পরিবর্তনে
বিশেষ
করে
বন্যা
ও
নদীভাঙনে
অধিক
কষ্ট
পায়।
উন্নত
জেলাগুলোর
তুলনায়
অবকাঠামোগত
সুযোগ-সুবিধা
কম
বা
দুর্বল।
উন্নত
জেলাগুলোর
তুলনায়
আন্তর্জাতিক
অভিবাসন
ও
আয়
সরবরাহে
দুর্বল
অভিগম্যতা
রয়েছে।
ন্যূনতম
দরিদ্র
জেলাগুলোর
তুলনায়
দুর্বলতর
শহরকেন্দ্রিক
ব্যবস্থা
রয়েছে।’
ভিশন-২০৪১-এর
লক্ষ্য
হলো,
চরম
দারিদ্র্য
২০৩১
সালে
২
দশমিক
৫৫
শতাংশ
এবং
২০৪১
সালে
শূন্য
দশমিক
৬৮
শতাংশে
নামিয়ে
আনা,
সাধারণ
দারিদ্র্য
২০৩১
সালে
৭
দশমিক
শূন্য
এবং
২০৪১
সালে
২
দশমিক
৫৯
শতাংশে
নামিয়ে
আনা
এবং
আয়
বৈষম্য
(পালমা অনুপাত)
২০৩১
সালে
২
দশমিক
৭৫
এবং
২০৪১
সালে
২
দশমিক
৭০
শতাংশে
নামিয়ে
আনা।
পালমা
অনুপাত
হলো
আয়
বণ্টনের
শীর্ষে
১০
শতাংশের
শেয়ার,
যা
তলদেশের
৪০
শতাংশের
শেয়ার
দ্বারা
ভাগকৃত।
এটি
আয়
বৈষম্যের
উন্নততর
পরিমাপ
পদ্ধতি।
বর্তমান
বাজেটে
অর্থ
বরাদ্দ
প্রক্রিয়ায়
ভিশন-২০৪১-এর
লক্ষ্যমাত্রা
অর্জন
বড়
ধরনের
প্রশ্নের
সম্মুখীন।
ভিশন-২০৪১-এ
দারিদ্র্য
নিরসনের
কর্মকৌশল
হিসেবে
বলা
হয়েছে,
জিডিপি
প্রবৃদ্ধির
অব্যাহত
গতি
অর্জন,
উৎপাদন
ভিত্তির
কাঠামোগত
রূপান্তরের
মাধ্যমে
মোট
দেশজ
আয়
প্রবৃদ্ধিকে
দরিদ্রমুখী
করা,
দরিদ্র
জনগোষ্ঠীর
মানব
পুঁজির
ভিত্তি
শক্তিশালীকরণ,
দরিদ্র
জনগোষ্ঠীর
অর্থায়নে
অভিগম্যতার
উন্নতি
বিধান,
অভিবাসী
শ্রমবাজারে
দরিদ্র
জনগোষ্ঠীর
বর্ধনশীল
অভিগম্যতা,
সুষম
নগরায়ণ,
সুষম
আঞ্চলিক
উন্নয়ন,
পরিবেশ
পরিবর্তন
ও
প্রাকৃতিক
দুর্যোগকবলিত
জেলাগুলোর
ক্ষতিপ্রবণতা
কমিয়ে
আনা,
সামাজিক
সুরক্ষা
কর্মসূচিগুলোর
দারিদ্র্যমুখিতার
দ্রুত
উন্নতি
সাধন।
তাই
রংপুর
অঞ্চলকে
দারিদ্র্যমুক্ত
করতে
হলে
প্রতি
বছরের
বাজেটে
এসব
কর্মকৌশল
বাস্তবায়নে
প্রয়োজনীয়
অর্থ
বরাদ্দ
থাকতে
হবে।
ভিশন-২০৪১
ও
অষ্টম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনার
দারিদ্র্য
নিরসনের
কৌশলের
প্রেক্ষাপটে বাজেট
২০২২-২৩-এ
রংপুর
অঞ্চলের
বরাদ্দ
নিয়ে
পর্যালোচনা
করা
হলো।
ভিশন-২০৪১-এ
দারিদ্র্য
দূরীকরণের
কৌশল
জিডিপি
প্রবৃদ্ধির
অব্যাহত
গতি
অর্জনের
ক্ষেত্রে
বলা
হয়েছে,
উন্নত
শ্রম
উৎপাদনশীলতা,
প্রযুক্তিগত
রূপান্তর,
শ্রমঘন
রফতানি
এবং
বিনিয়োগহার
ত্বরান্বিত
করার
ওপর
স্থাপিত
হবে
প্রবৃদ্ধির
অধিকতর
ত্বরান্বিতকরণের
ভিত্তি।
উচ্চপ্রবৃদ্ধি
তৈরি
করবে
কর্মসংস্থান
ও
আয়ের
ভিত্তি
যা
দারিদ্র্যকে
নিম্নগামী
করাসহ
উচ্চতর
ভোগ
ও
জীবন-মানকে
উৎসাহিত
করবে
কিন্তু
২০২২-২৩
অর্থবছরের
বাজেটে
উন্নত
শ্রম,
উৎপাদনশীলতা,
প্রযুক্তিগত
রূপান্তর,
শ্রমঘন
রফতানি
এবং
বিনিয়োগহার
ত্বরান্বিতকরণে
কোনো
প্রত্যক্ষ
অর্থ
বরাদ্দ
নেই।
আবার
দারিদ্র্যশূন্য
দেশ
গড়তে
প্রবৃদ্ধিকে
হতে
হবে
অন্তর্ভুক্তিমূলক
ও
দারিদ্র্য
নিরসনমূলক।
এজন্য
পিছিয়ে
পড়া
অঞ্চলগুলোয়
সরকারি
ব্যয়
বৃদ্ধি
করতে
হবে
কিন্তু
বাংলাদেশ
ইনস্টিটিউট
অব
প্ল্যানার্সের
(বিআইপি) এক
গবেষণায়
দেখা
যায়,
দেশের
বার্ষিক
উন্নয়ন
কর্মসূচির
(এডিপি) অনেক
কম
অংশ
বরাদ্দ
করা
হয়
রংপুর
বিভাগের
জন্য।
২০১২-১৩
থেকে
২০১৬-১৭
অর্থবছরে
এডিপিতে
রংপুর
বিভাগের
জন্য
বরাদ্দ
ছিল
মাত্র
গড়
হিসাবে
৩
দশমিক
১৩
শতাংশ,
যেখানে
ঢাকা
বিভাগের
জন্য
বরাদ্দ
ছিল
৩৮
দশমিক
৫৪
শতাংশ।
২০১৮-১৯
অর্থবছরে
এর
পরিমাণ
কমে
দাঁড়িয়েছে
শূন্য
দশমিক
৯৮
শতাংশ।
২০২২-২৩
সালের
উন্নয়ন
বাজেট
বিশ্লেষণ
করলে
দেখা
যায়,
বর্তমানেও
এ
বরাদ্দের
খুব
বেশি
পরিবর্তন
হয়নি।
কৃষি খাতে
জিডিপি
ও
কর্মসংস্থান
অংশ
ক্রমে
সংকুচিত
হওয়া
সত্ত্বেও
এখন
থেকে
২০৩১
সালের
মধ্যবর্তী
মেয়াদে
দারিদ্র্য
নিরসনের
ক্ষেত্রে
কৃষির
প্রধান
ভূমিকা
অব্যাহত
থাকবে
বলে
ভিশন-২০৪১-এ
বলা
হয়েছে।
অষ্টম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনায়
পিছিয়ে
পড়া
অঞ্চলগুলোর
দারিদ্র্য
বিমোচনের
কৌশল
হলো
‘পিছিয়ে
পড়া
জেলাগুলোয়
কৃষি
উৎপাদনশীলতা
বৃদ্ধি
ও
আয়
সহায়তা
প্রদানে
সহায়তা
করতে
কৃষি
গবেষণা
ও
সম্প্রসারণমূলক
সেবাগুলোর
ওপর
আলোকপাত’
কিন্তু
২০২২-২৩
সালের
উন্নয়ন
বাজেট
পর্যালোচনা
করে
দেখা
যায়,
কৃষি
মন্ত্রণালয়ে
মোট
বরাদ্দ
৪
হাজার
৩৩৮
কোটি
৮৪
লাখ
টাকা
হলেও
রংপুর
অঞ্চলের
জন্য
গৃহীত
প্রকল্পগুলো
হলো
১.
‘রংপুর,
দিনাজপুর
ও
পঞ্চগড়
জেলার
উৎপাদিত
টমেটো
সংরক্ষণ,
প্রক্রিয়াকরণ
ও
বিপণন
কর্মসূচি
(ডিএএম)’ প্রকল্পে মোট
বরাদ্দ
২
কোটি
৫০
লাখ
১৬
হাজার
টাকা।
‘রাজশাহী,
রংপুর
ও
দিনাজপুর
অঞ্চলের
নতুন
জাতের
গম
ও
ভুট্টার
উৎপাদন
বৃদ্ধিকরণ
ও
সম্প্রসারণ
কর্মসূচি’
প্রকল্পে
২
কোটি
৫৫
লাখ
৩৮
হাজার
টাকার
মতো
কিছু
অল্প
বরাদ্দের
নতুন
প্রকল্প
হাতে
নেয়া
হয়েছে।
দেখা
যায়,
‘কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলা
সেচ
উন্নয়ন
প্রকল্পে’
যখন
বরাদ্দ
১৫৬
কোটি
৮৫
লাখ
টাকা
তখন
‘ভূ-উপরিস্থ
পানির
সর্বোত্তম
ব্যবহার
ও
বৃষ্টির
পানি
সংরক্ষণের
মাধ্যমে
বৃহত্তর
রংপুর
জেলার
সেচ
সম্প্রসারণ
প্রকল্পে’
মোট
বরাদ্দ
৬৩
কোটি
২৮
লাখ
টাকা।
‘আধুনিক
প্রযুক্তির
মাধ্যমে
সিলেট
অঞ্চলর
কৃষি
উন্নয়ন
প্রকল্পে’
যখন
বরাদ্দ
ধরা
হয়েছে
৩৯
কোটি
টাকা,
‘ক্লাইমেট-স্মার্ট
প্রযুক্তির
মাধ্যমে
খুলনা
জলবায়ু
পরিববর্তন
অভিযোজন
প্রকল্পে’
বরাদ্দ
২২
কোটি
টাকা,
তখন
রংপুর
অঞ্চলে
এ
ধরনের
প্রকল্প
হাতে
নেয়া
হয়নি।
অধিকন্তু
‘চর,
উত্তরাঞ্চল
ও
পাহাড়ি
এলাকার
উপযোগী
ফসলের
লাভজনক
শস্য
ব্যবস্থাপনা
প্রযুক্তি
উদ্ভাবন
এবং
শস্যনিবিড়তা
বৃদ্ধিকরণ
কর্মসূচি
(বিনা) প্রকল্পে’
এ
বছরের
বাজেটে
কোনো
অর্থ
বরাদ্দ
করা
হয়নি।
কৃষিক্ষেত্রে
গবেষণা,
সমপ্রসারণ
সেবা,
প্রাতিষ্ঠানিক
ঋণ
সুবিধায়
সহজলভ্যতা,
রফতানি
সহায়তার
মাধ্যমে
খামার
উৎপাদনে
বহুমুখিতা
শক্তিশালী
করতে
নীতি
প্রণয়ন
অপরিহার্য।
বিশেষ
করে
মত্স্য,
প্রাণিসম্পদ,
দুধ
উৎপাদন
এবং
ফলমূল,
শাকসবজিও
ফুল
চাষের
ভূমিকা
আরো
সম্প্রসারণে
ব্যবস্থা
নেয়া
প্রয়োজন।
কিন্তু
এ
বছরের
বাজেটে
এ
ধরনের
কোনো
জোরাল
পদক্ষেপ
নেই।
ভিশন-২০৪১
বলা
হয়েছে,
ম্যানুফ্যাকচারিং
খাত
থেকে
যেহেতু
উৎপাদন
ও
কর্মসংস্থান
প্রবৃদ্ধির
সিংহভাগ
আসতে
থাকবে,
বাংলাদেশের
জন্য
তাই
একটি
শ্রমঘন
রফতানি
বৃদ্ধির
কৌশল
অনুসরণ
সমীচীন
হবে।
কিন্তু
২০২২-২৩
সালের
উন্নয়ন
বাজেটের
শিল্প
মন্ত্রণালয়ের
বরাদ্দে
‘রংপুর
জেলায়
বাংলাদেশ
শিল্প
কারিগরি
সহায়তা
কেন্দ্র
(বিটাক)’ স্থাপন
বাবদ
বরাদ্দ
৩
কোটি
টাকা
এবং
‘বিসিক
খাদ্য
প্রক্রিয়াকরণ
শিল্পনগরী,
ঠাকুরগাঁওয়ের
জন্য
৫
কোটি
টাকা
বরাদ্দ
করা
হয়েছে।
এছাড়া
বাজেটে
রংপুর
অঞ্চলের
জন্য
শিল্প
খাতে
উৎপাদন
ও
কর্মসংস্থান
বৃদ্ধির
কোনো
বিশেষ
বরাদ্দ
নেই।
অথচ
‘বিসিক
শিল্প
পার্ক,
সিরাজগঞ্জে’
বরাদ্দ
১৫০
কোটি
টাকা,
‘বিসিক
কেমিক্যাল
ইন্ডাস্ট্রিয়াল
পার্ক,
মুন্সীগঞ্জে’
৮২
কোটি
৭০
লাখ
টাকা
বরাদ্দ
করা
হয়েছে।
শিল্পায়নের
জন্য
দেখা
যায়,
ঢাকা
ও
চট্টগ্রামে
বিশেষ
অর্থনৈতিক
অঞ্চলগুলোয়
ব্যাপক
কর্মযজ্ঞ
চলছে।
হয়েছে
হাজার
হাজার
কোটি
টাকা
সরকারি
বরাদ্দ।
বিশেষ
অর্থনৈতিক
অঞ্চলগুলো
দেশীয়
প্রতিষ্ঠানগুলোর
পাশাপাশি
বিনিয়োগ
নিয়ে
এসেছে
ভারত,
জাপান,
চীন,
অস্ট্রেলিয়া,
কানাডা
ও
সুইজারল্যান্ড
থেকে।
বাংলাদেশ
সরকার
প্রস্তাব
দিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র,
সৌদি
আরব
ও
অন্যান্য
দেশকে
অর্থনৈতিক
অঞ্চলগুলোয়
বিনিয়োগ
করার।
পাশাপাশি
রংপুর
ও
বরিশাল
বিভাগের
চিত্র
ভিন্ন।
রংপুর
বিভাগে
চারটি
ও
বরিশাল
বিভাগে
তিনটি
বিশেষ
অর্থনৈতিক
অঞ্চল
অনুমোদন
পেলেও
অগ্রগতি
নেই।
২০২২-২৩
অর্থবছরের
উন্নয়ন
বাজেটে
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের
বরাদ্দে
‘নারায়ণগঞ্জের
আড়াইহাজারে
জাপানিজ
অর্থনৈতিক
অঞ্চলের
জন্য
অবকাঠামো
উন্নয়ন
প্রকল্পে’
১৩০৭
কোটি
টাকা
১৯
লাখ
টাকা,‘
মিরসরাই
ভারতীয়
অর্থনৈতিক
অঞ্চল
স্থাপন
প্রকল্পে’
১৩৩
কোটি
টাকা
বরাদ্দ
থাকলেও
রংপুর
ও
বরিশাল
বিভাগের
কোনো
অর্থনৈতিক
অঞ্চলের
নাম
নেই।
(চলবে)
ড. মো.
মোরশেদ হোসেন: অধ্যাপক,
অর্থনীতি
বিভাগ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর










