পুনর্নির্ধারিত
হলো
দেশে
ষষ্ঠ
জনশুমারি
ও
গৃহগণনা
অনুষ্ঠানের
সময়।
জনশুমারি
পরিচালনার
দায়িত্বপ্রাপ্ত
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর
(বিবিএস) সূত্রের
বরাত
দিয়ে
সম্প্রতি
মিডিয়ায়
প্রকাশিত
খবরে
জানা
যায়,
আগামী
১৫
থেকে
২১
জুন
সারা
দেশে
জনশুমারি
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা
অনুমোদন
দিয়েছেন।
নিয়মানুযায়ী
২০২১
সালের
শুরুতে
ষষ্ঠ
জনশুমারি
ও
গৃহগণনা
অনুষ্ঠানের
কথা
থাকলেও
তা
অনুষ্ঠিত
হয়নি।
পরবর্তী
সময়ে
একাধিকবার
জনশুমারির
সময়
নির্ধারণ
করেও
তা
বাস্তবায়ন
হয়নি।
সময়মতো
ষষ্ঠ
জনশুমারি
অনুষ্ঠিত
না
হওয়ায়
দেশের
প্রশাসনিক,
অর্থনৈতিক,
সামাজিক
ও
অন্যান্য
কর্মকাণ্ডে
এর
বিরূপ
প্রভাব
পড়ার
আশঙ্কা
দেখা
দেয়।
কারণ
দেশের
নাগরিকদের
মৌলিক
চাহিদা
পূরণের
জন্য
নীতি
ও
পরিকল্পনা
প্রণয়নে
হালনাগাদ
পরিসংখ্যানের
গুরুত্ব
অপরিসীম।
বাংলাদেশে এ-যাবৎ
পাঁচটি
জনশুমারি
অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
প্রথম,
দ্বিতীয়,
তৃতীয়,
চতুর্থ
ও
পঞ্চম
জনশুমারি
অনুষ্ঠিত
হয়
যথাক্রমে
১৯৭৪,
১৯৮১,
১৯৯১,
২০০১
ও
২০১১
সালে।
১০
বছর
পরপর
জনশুমারি
অনুষ্ঠানের
যে
নিয়ম
রয়েছে,
ষষ্ঠ
জনশুমারির
ক্ষেত্রে
তার
ব্যত্যয়
ঘটে।
২০২১
সালের
১৮
জানুয়ারি
আগারগাঁওয়ের
পরিসংখ্যান
ভবনে
অনুষ্ঠিত
এক
অনুষ্ঠানে
প্রধান
অতিথির
বক্তব্যে
পরিকল্পনামন্ত্রী
এমএ
মান্নান
বলেন,
ষষ্ঠ
জনশুমারি
ও
গৃহগণনা
ওই
বছরের
২৫
থেকে
৩১
অক্টোবর
অনুষ্ঠিত
হবে।
এরপর
৩০
সেপ্টেম্বর
‘Population
census faces further delays’ শিরোনামে
দ্য
ডেইলি
স্টারের
এক
প্রতিবেদনে
বলা
হয়,
বাংলাদেশ
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর
(বিবিএস) ব্যর্থতার
কারণে
ষষ্ঠ
জনশুমারি
আবারো
দেরির
সম্মুখীন
হয়েছে,
যদিও
এটি
অনুষ্ঠানের
জন্য
তিন
বছর
আগে
মাস্টারপ্ল্যান
প্রণয়ন
করা
হয়।
বিবিএসের
এক
কর্মকর্তার
বরাত
দিয়ে
প্রতিবেদনে
বলা
হয়,
অক্টোবরে
জনশুমারি
অনুষ্ঠানেও
অনিশ্চয়তা
দেখা
দিয়েছে
একাধিক
কারণে।
কারণগুলো
হলো:
ক.
করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাব;
খ.
ম্যানুয়াল
পদ্ধতির
পরিবর্তে
ডিজিটাল
ভিত্তিতে
ষষ্ঠ
জনশুমারি
ও
গৃহগণনা
পরিচালনা;
গ.
ডিজিটালভিত্তিক
হওয়ায়
ট্যাব
ক্রয়ের
দরপত্রে
জটিলতা।
এরপর
গত
বছরের
নভেম্বরে
পরিকল্পনামন্ত্রী
এমএ
মান্নান
জাতীয়
সংসদকে
জানান,
ষষ্ঠ
জনশুমারি
ও
গৃহগণনা
২৪
থেকে
৩০
ডিসেম্বর,
২০২১
সময়ে
সম্পূর্ণ
ডিজিটাল
পদ্ধতিতে
অনুষ্ঠিত
হবে।
কিন্তু
তা
হয়নি।
জনশুমারিকে একটি
দেশের
জনসংখ্যার
সরকারি
গণনা
হিসেবে
গণ্য
করা
হয়।
জাতিসংঘের
সংজ্ঞা
অনুযায়ী,
জনশুমারি
বলতে
নির্দিষ্ট
সময়ে
একটি
জনগোষ্ঠীর
বা
দেশের
জনসংখ্যা
গণনার
সামগ্রিক
প্রক্রিয়ায়
তথ্য
সংগ্রহ,
তথ্য
একত্রীকরণ
এবং
জনমিতিতে
অর্থনৈতিক
ও
সামাজিক
তথ্যাদি
প্রকাশ
করা
বোঝায়।
জনশুমারির
জন্য
প্রয়োজনীয়
বিষয়গুলোর
মধ্যে
রয়েছে
প্রথমত,
প্রয়োজনীয়
ভৌগোলিক
বৈশিষ্ট্য:
আদমশুমারির
সময়
যেখানে
পাওয়া
গেছে
অথবা
যেখানে
বাস
করেন,
জন্মস্থান,
বর্তমান
বাসস্থানে
কতদিন
ধরে
বাস
করছেন,
আগের
বাসস্থান,
কর্মস্থান;
দ্বিতীয়ত,
ব্যক্তিগত
ও
খানাসংক্রান্ত
তথ্যাদি:
লিঙ্গ,
বয়স,
খানাপ্রধানের
সঙ্গে
সম্পর্ক,
বৈবাহিক
অবস্থা,
বিবাহের
মেয়াদকাল,
মোট
জীবিত
জন্মগ্রহণকারী
সন্তান
সংখ্যা,
বর্তমানে
জীবিত
সন্তান
সংখ্যা,
নাগরিকত্ব,
শিক্ষা,
জাতীয়/নৃতাত্ত্বিক
পরিচয়,
ভাষা,
ধর্ম
এবং
তৃতীয়ত,
অর্থনৈতিক
বৈশিষ্ট্য,
যেমন
কর্মের
ধরন,
পেশা,
অর্থনৈতিক
অবস্থা,
জীবনধারণের
প্রধান
উৎস।
উপর্যুক্ত
বিষয়গুলোর
ওপর
ভিত্তি
করে
আর
যেসব
তথ্য
জনশুমারির
জন্য
প্রয়োজন
সেগুলোর
মধ্যে
রয়েছে—১.
ভৌগোলিক
বৈশিষ্ট্যাবলি:
জনসংখ্যার
সমষ্টি,
এলাকা-শহর,
গ্রাম;
২.
ব্যক্তিগত
ও
খানাসংক্রান্ত
বৈশিষ্ট্য:
পরিবারের
গঠন,
খানায়
বসবাসকারী
সদস্যদের
গঠন;
৩
অর্থনৈতিক
বৈশিষ্ট্য:
আর্থসামাজিক
অবস্থা,
নির্ভরতা
ইত্যাদি।
বিবিএস দেশের
জাতীয়
পরিসংখ্যান
সংস্থা
হিসেবে
কাজ
করছে।
বিবিএসের
গঠন,
দায়িত্ব,
কার্যাবলিসহ
বিভিন্ন
বিষয়
নির্ধারণে
সরকার
পরিসংখ্যান
আইন,
২০১৩
প্রণয়ন
করেছে।
আইনটির
উদ্দেশ্যাবলিতে
বলা
হয়েছে,
যেহেতু
বাংলাদেশের
জনসংখ্যা,
কৃষি,
শিল্প,
জনমিতি,
অর্থনীতি,
আর্থসামাজিক
বিষয়াদি,
প্রাকৃতিক
সম্পদ,
পরিবেশসংক্রান্ত
সঠিক
ও
নির্ভুল
পরিসংখ্যান
সম্পর্কিত
কার্যক্রমকে
গতিশীল,
সমন্বিত,
লক্ষ্যভিত্তিক
এবং
সংরক্ষণ
করার
লক্ষ্যে
বিধান
করা
সমীচীন
এবং
প্রয়োজনীয়,
সেহেতু
পরিসংখ্যান
আইন,
২০১৩
প্রণয়ন
করা
হলো।
পরিসংখ্যান
আইন,
২০১৩
মোতাবেক
বিবিএসের
কার্যাবলির
মধ্যে
রয়েছে—ক.
সঠিক,
নির্ভুল
ও
সময়োপযোগী
পরিসংখ্যান
প্রণয়ন
ও
সংরক্ষণ;
খ.
সঠিক,
নির্ভুল
ও
সময়োপযোগী
পরিসংখ্যান
প্রণয়নের
জন্য
দেশের
আর্থসামাজিক
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে
জরিপ
পরিচালনা;
গ.
জনশুমারি,
কৃষিশুমারি,
মত্স্য
ও
প্রাণিসম্পদ
শুমারি,
অর্থনৈতিক
শুমারিসহ
অন্যান্য
শুমারি
ও
জরিপের
লক্ষ্যে
যাবতীয়
কার্যক্রম
গ্রহণ;
ঘ.
সরকারি
পর্যায়ে
উন্নয়ন
পরিকল্পনাবিদ,
নীতিনির্ধারক,
গবেষণা
ও
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,
জাতীয়
ও
আন্তর্জাতিক
সংস্থা
এবং
অন্যান্য
ব্যবহারকারীর
চাহিদা
অনুসারে
দ্রুততার
সঙ্গে
নির্ভরযোগ্য
ও
ব্যবহারবান্ধব
পরিসংখ্যান
সরবরাহ;
ঙ.
পরিসংখ্যানবিষয়ক
নীতিমালা
ও
পদ্ধতি
প্রণয়ন;
চ.
ভোক্তার
মূল্যসূচকসহ
অন্যান্য
মূল্যসূচক
ও
জাতীয়
হিসাব
প্রস্তুতকরণ;
ছ.
ভূমি
ব্যবহারসহ
বিভিন্ন
ফসলের
উৎপাদন,
উৎপাদন
ব্যয়
এবং
ফসলাধীন
জমির
প্রাক্কলন;
জ.
জাতীয়
জনসংখ্যা
রেজিস্টার
প্রণয়ন
ও
প্রকাশ;
ঝ.
জাতীয়
ও
আন্তর্জাতিক
সংস্থার
জন্য
প্রণীত
সরকারি
পরিসংখ্যানের
মান
সত্যায়ন;
ঞ.
পরিসংখ্যানসংক্রান্ত
পরামর্শ
সেবা
প্রদান।
বিবিএস তথ্যের
প্রধান
উৎস
হলেও
সরকারের
বিভিন্ন
খাতভিত্তিক
প্রতিষ্ঠানের
পরিসংখ্যানের
ওপরও
আমাদের
নির্ভর
করতে
হয়।
যেমন
কৃষিপণ্যের
পরিসংখ্যান
আমরা
প্রথমে
পাই
বাংলাদেশ
কৃষি
সম্প্রসারণ
অধিদপ্তর
(ডিএই), বাংলাদেশ
কৃষি
গবেষণা
ইনস্টিটিউট
(বারি), বাংলাদেশ
ধান
গবেষণা
ইনস্টিটিউট
(ব্রি), পাট
অধিদপ্তর
ও
বাংলাদেশ
পাট
গবেষণা
ইনস্টিটিউট
(বিজেআরআই) থেকে।
অভ্যন্তরীণ
উৎস
থেকে
সম্পদ
সংগ্রহের
পরিসংখ্যানের
জন্য
আমাদের
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
ওপর
নির্ভর
করতে
হয়।
বাংলাদেশ
ব্যাংক
থেকে
আমরা
মুদ্রানীতি
ও
বৈদেশিক
মুদ্রার
রিজার্ভ
সম্পর্কে
জানতে
পারি।
রফতানি
বাণিজ্যের
অবস্থা
সম্পর্কে
জানতে
পারি
রপ্তানি
উন্নয়ন
ব্যুরো
থেকে।
সরকারের
বিভিন্ন
খাতের
উন্নয়ন
ও
অনুন্নয়নমূলক
কর্মকাণ্ডের
অগ্রগতি
জানতে
পারি
অর্থ
মন্ত্রণালয়ের
অর্থ
বিভাগ
কর্তৃক
প্রতি
বছর
প্রকাশিত
বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক
সমীক্ষা
থেকে।
এ
রকম
উদাহরণ
আরো
দেয়া
যেতে
পারে।
বিবিএসের মতো
খাতভিত্তিক
প্রতিষ্ঠানগুলোর
পরিসংখ্যানের
মান
সত্যায়নের
ব্যবস্থা
না
থাকায়
বিবিএসের
পরিসংখ্যানের
সঙ্গে
খাতভিত্তিক
প্রতিষ্ঠানগুলোর
পরিসংখ্যানের
অনেক
সময়
অমিল
দেখা
যায়।
তাছাড়া
বেসরকারি
পরিসংখ্যানের
ওপরও
আমাদের
নির্ভর
করতে
হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
বিবিএস
পরিচালিত
হাউসহোল্ড
ইনকাম
অ্যান্ড
এক্সপেন্ডিচার
সার্ভে
(হায়েস) ২০১৬-তে
দেশে
দারিদ্র্যের
হার
উঠে
আসে
২৪
দশমিক
৩
শতাংশ।
গত
দুই
বছরে
দেশে
করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাবের
কারণে
মানুষের
আয়
কমে
যাওয়ায়
বেসরকারি
গবেষণা
প্রতিষ্ঠানগুলো,
যেমন
সাউথ
এশিয়ান
নেটওয়ার্ক
অন
ইকোনমিক
মডেলিং
(সানেম), সেন্টার
ফর
পলিসি
ডায়ালগ
(সিপিডি), পাওয়ার
অ্যান্ড
পার্টিসিপেশন
রিসার্চ
সেন্টার
(পিপিআরসি) বলেছে,
দেশে
দারিদ্র্যের
হার
বেড়ে
দাঁড়িয়েছে
৩৫
থেকে
৪২
শতাংশের
মধ্যে।
২০১৬
সালের
পর
নতুন
করে
হায়েস
রিপোর্ট
প্রকাশিত
হয়নি।
চলতি
অর্থবছরের
বাজেট
বক্তৃতায়
অর্থমন্ত্রী
দেশে
দারিদ্র্যের
হার
সম্পর্কে
কোনো
সুনির্দিষ্ট
তথ্য
দেননি,
যদিও
তিনি
বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের
পরিসংখ্যান
মানতে
অনীহা
প্রকাশ
করেছেন।
এ
অবস্থায়
মানুষ
বেসরকারি
গবেষণা
প্রতিষ্ঠানগুলোর
দেয়া
দারিদ্র্য
হারে
বিশ্বাস
স্থাপন
করতে
শুরু
করে।
বিবিএসের বিরুদ্ধে
বড়
অভিযোগটি
হলো
পরিসংখ্যান,
বিশেষ
করে
শস্য
উৎপাদনের
পরিসংখ্যান
যথাসময়ে
সরবরাহ
করতে
না
পারার
এবং
এ
কারণে
নীতিনির্ধারক,
গবেষণা
ও
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এবং
অন্যান্য
ব্যবহারকারীকে
অসুবিধায়
পড়তে
হয়।
বিবিএস
থেকে
সময়মতো
পরিসংখ্যান
না
পাওয়ায়
সরকারের
বিভিন্ন
খাতভিত্তিক
প্রতিষ্ঠানের
পরিসংখ্যানের
ওপর
নির্ভর
করতে
হয়
তাদের
এবং
এসব
প্রতিষ্ঠানের
পরিসংখ্যান
অনেক
সময়
অতিরঞ্জিত
হয়।
ফলে
নীতিনির্ধারকরা
সিদ্ধান্ত
গ্রহণে
সমস্যার
সম্মুখীন
হন।
যেমন
কৃষি
মন্ত্রণালয়ের
কৃষি
সম্প্রসারণ
অধিদপ্তরের
হিসাব
অনুযায়ী,
২০১৯-২০
অর্থবছরে
দেশে
চাল
উৎপাদন
দাঁড়ায়
৩
কোটি
৮৭
লাখ
টনে।
এদিকে
কিছুদিন
পর
বিবিএসের
দেয়া
হিসেবে
ওই
অর্থবছরে
চালের
প্রকৃত
উৎপাদন
দাঁড়ায়
৩
কোটি
৬৬
লাখ
টনে।
বিবিএসের
হিসাবের
সঙ্গে
ডিএইর
হিসাবের
পার্থক্য
দাঁড়ায়
২১
লাখ
টনে।
অর্থাৎ
ডিএই
২১
লাখ
টন
বেশি
চাল
উৎপাদনের
তথ্য
সরবরাহ
করে।
ডিএইর
হিসাবের
এ
গরমিলের
কারণে
সঠিক
সময়ে
চাল
আমদানি
করতে
পারেনি
সরকার—স্বয়ং
খাদ্যমন্ত্রী
সাধন
চন্দ্র
মজুমদার
এ
অভিযোগ
করেন।
এক
সংবাদ
সম্মেলনে
খাদ্যমন্ত্রী
বলেন,
কৃষি
মন্ত্রণালয়ের
সরবরাহ
করা
তথ্যের
চেয়ে
প্রায়
২১
লাখ
টন
কম
চাল
উৎপাদন
হয়েছে
বলে
জানিয়েছে
বিবিএস।
উৎপাদনের
সঠিক
তথ্যটি
যথাসময়ে
জানা
গেলে
সে
অনুযায়ী
সিদ্ধান্ত
নেয়া
যেত।
আমদানির
প্রয়োজনীয়তা
উপলব্ধি
করা
সত্ত্বেও
২০২০-২১
অর্থবছরের
প্রথম
ভাগে
চাল
আমদানির
উদ্যোগ
না
নেয়া,
আন্তর্জাতিক
বাজারে
চালের
দাম
বৃদ্ধি
ইত্যাদির
খেসারত
দিতে
হয়
জনগণকে।
আন্তর্জাতিক
বাজারে
চালের
দাম
বেড়ে
যাওয়ায়
৫০
শতাংশের
বেশি
আমদানি
শুল্ক
হ্রাস
করে
২৫
শতাংশে
নামিয়ে
আনার
পরও
বেসরকারি
খাতকে
চাল
আমদানিতে
তেমন
উৎসাহিত
করা
যায়নি।
লক্ষ্যমাত্রা
অনুযায়ী
সরকারি
খাতেও
চাল
আমদানি
সম্ভব
হয়নি।
ফলে
ওই
অর্থছরের
এপ্রিলে
সরকারি
গুদামে
চালের
মজুদ
এক
যুগের
মধ্যে
সর্বনিম্ন
পর্যায়ে
নেমে
আসে।
এর
সুযোগ
নেন
চালকল
মালিক
ও
চাল
ব্যবসায়ীরা।
দেশের
৭০
শতাংশের
বেশি
মানুষের
প্রধান
খাদ্য
মোটা
চালের
কেজিপ্রতি
দাম
৫০
টাকায়
পৌঁছে।
আর
মাঝারি
ও
সরু
চালের
দামেও
বল্গাহীন
ঊর্ধ্বগতি
পরিলক্ষিত
হয়।
এতে
আর্থিকভাবে
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়
সাধারণ
মানুষ।
প্রধান
খাদ্য
চালের
অতি
উচ্চমূল্যের
কারণে
গরিব
ও
অতিগরিবরা
খাদ্যনিরাপত্তার
ঝুঁকিতে
পড়ে।
সব শেষে
বলতে
চাই,
প্রশাসনিক,
অর্থনৈতিক
ও
অন্যান্য
ক্ষেত্রে
সঠিক
সুপারিশ
প্রণয়ন
এবং
সিদ্ধান্ত
গ্রহণের
জন্য
হালনাগাদ
পরিসংখ্যানের
গুরুত্ব
অপরিসীম।
বিশেষ
করে
পরিকল্পিত
অর্থনীতির
জন্য
সঠিক
পরিসংখ্যানের
বিকল্প
নেই।
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনার
ভাষায়,
‘সঠিক,
নির্ভরযোগ্য
ও
সময়োপযোগী
পরিসংখ্যান
টেকসই
উন্নয়ন
পরিকল্পনা
প্রণয়ন
ও
সিদ্ধান্ত
গ্রহণে
ভিত্তি
হিসেবে
কাজ
করে
এবং
আমাদের
পরিবর্তিত
বিশ্বকে
বুঝতে
সাহায্য
করে।’
তাই
চিহ্নিত
সমস্যাগুলো
দ্রুততার
সঙ্গে
সমাধান
করে
আগামী
জুনেই
ষষ্ঠ
জনশুমারি
অনুষ্ঠান
নিশ্চিত
করা
হোক।
আর
যেন
এ
জনশুমারির
সময়
পিছিয়ে
না
যায়।
মো. আবদুল লতিফ মন্ডল: সাবেক সচিব










