কিছুদিন
আগে
খুলনার
দাকোপ
ও
সাতক্ষীরার
শ্যামনগর
উপজেলায়
গিয়েছিলাম।
দাকোপের
সুতারখালী
ইউনিয়নে
গিয়ে
আলাপ
হয়
সেখানকার
অধিবাসী
২৮
বছর
বয়সী
আলেয়া
বেগমের
সঙ্গে।
দীর্ঘ
বেড়িবাঁধ
পার
হয়ে
সুতারখালী
ইউনিয়ন
পরিষদে
পৌঁছতে
হয়।
বেড়িবাঁধ
বললে
যতটা
বড়সড়
অবকাঠামো
বোঝায়,
তেমনটা
অবশ্য
নয়।
কোথাও
কোথাও
ক্ষেতের
আইলের
মতো
সরু
রাস্তা!
মাঝারি
মাত্রার
জলোচ্ছ্বাসে
তা
নদীগর্ভে
বিলীন
হয়ে
যাবে।
মূলত
২০০৯
সালে
ঘূর্ণিঝড়
আইলার
পর
রাস্তাটি
বেড়িবাঁধ
হিসেবে
ব্যবহূত
হচ্ছে।
আইলার
জলোচ্ছ্বাসের
তোড়ে
বেড়িবাঁধের
বড়
একটা
অংশ
পানিতে
ভেসে
যায়।
ফলে
প্রায়
৩০০
পরিবার
নিজেদের
বাড়িঘর,
সহায়-সম্পত্তি
নদীগর্ভে
হারিয়ে
এ
রাস্তায়
এসে
আশ্রয়
নিয়েছে।
সেটিই
এখন
বেড়িবাঁধ।
রাস্তার
দুই
পাশে
গড়ে
উঠেছে
ছোট
ছোট
অসংখ্য
ঘর।
রাস্তার
শেষ
মাথায়
বেশকিছু
দোকানপাটও
হয়েছে।
তীব্র
রোদের
সঙ্গে
যুক্ত
হয়েছে
লবণের
উত্তাপ।
দোকানের
ছায়ায়
বসে
পানি
সংকটের
আলাপ
তুলতেই
কয়েকজন
আগ্রহ
দেখাল
কথা
বলতে।
দোকান
থেকে
বের
হয়ে
খানিকটা
এগোনোর
পরই
আলেয়া
বেগমের
সঙ্গে
আলাপ।
রাস্তার
ধারের
ছোট
একটি
খুপড়ি
ঘরে
আলেয়া
বেগম
ও
তার
ছয়
সদস্যের
পরিবারের
বাস।
পানির জন্য
হাঁটতে হয়
মাইলের পর
মাইল
ছয়
সদস্যের
হতদরিদ্র
পরিবারটিতে
নিত্যদিনের
সুপেয়
পানি
জোগানের
দায়িত্ব
আলেয়া
বেগমের
কাঁধে।
প্রতিদিন
খুব
সকালে
তিনি
বাড়ি
থেকে
তিন
কিলোমিটার
দূরের
একটি
টিউবওয়েল
থেকে
খাওয়ার
পানি
সংগ্রহ
করেন।
ফিরতে
ফিরতে
প্রায়
দুপুর।
যাওয়া-আসায়
ছয়
কিলোমিটার
পথ।
রান্না
ও
খাওয়ার
পানির
জন্য
প্রতিদিনই
আলেয়া
বেগমকে
এতখানি
পথ
পাড়ি
দিতে
হয়।
গোটা
বেড়িবাঁধে
সুপেয়
নিরাপদ
পানির
সংকট
এত
প্রবল
যে
প্রতিদিন
যদি
এই
ছয়
কিলোমিটার
পথ
তিনি
পাড়ি
না
দেন,
তবে
ঘরের
পাশের
নদীর
নোনা
পানি
হবে
তার
ভরসা।
তিনি
বলছিলেন,
‘সারা
দিনের
সময়টা
খুব
হিসাব
করে
চলতে
হয়।
কারণ
প্রতিদিনই
দুই
বেলা
পানি
সংগ্রহ
করে
বাড়ি
ফিরতে
অন্তত
৩
ঘণ্টার
মতো
সময়
লেগে
যায়।’
শুধু
আলেয়া
নন।
ওখানে
বসবাস
করা
৩০০
পরিবারের
একই
চিত্র।
বৃষ্টি হচ্ছে
না, খাওয়ার পানির জন্য
হাহাকার
বৃষ্টি
না
হওয়ায়
চলতি
বছরের
শুরুতে
পানির
সংকট
প্রকট
হয়েছে।
এর
সঙ্গে
যুক্ত
হয়েছিল
তীব্র
গরম।
উপকূলজুড়ে
বৃষ্টির
পানিতে
বছরের
প্রায়
ছয়
মাস
চলে
যায়।
তীব্র
খরতাপে
মিঠা
পানির
পুকুর
ও
জলাধার
শুকিয়ে
যায়।
গভীর-অগভীর
নলকূপের
পাশাপাশি
পানির
অভাবে
অধিকাংশ
পিএসএফ
(পুকুরের পানি
বিশুদ্ধকরণ
প্রক্রিয়া)
অকার্যকর
হয়ে
পড়ে।
এর
আগে
ইউনিয়ন
পরিষদের
সামনের
পুকুর
থেকে
খাওয়ার
পানি
সংগ্রহ
করতেন
আলেয়া
বেগম
এবং
ওখানকার
বাকি
সব
পরিবার।
সরেজমিনে
দেখা
গেল,
সেই
পুকুরের
পানি
শুকিয়ে
মাঝখানে
কিছু
কাদা
জমে
আছে।
এলাকার
বিত্তবান
পরিবারগুলো
দূরদূরান্ত
থেকে
রিভার্স
ওসমোসিস
নামের
পানি
বিশুদ্ধকরণ
প্রযুক্তি
থেকে
পানি
কিনে
আনলেও
আলেয়া
বেগমের
মতো
দরিদ্র
ও
হতদরিদ্র
পরিবারের
পক্ষে
৫০
পয়সা
থেকে
১
টাকা
খরচ
করে
প্রতি
লিটার
পানি
কেনা
সম্ভব
নয়।
দরিদ্র
সংসারে
ওই
কয়টা
টাকা
বাঁচাতে
হলে
প্রতিদিন
ছয়
কিলোমিটার
হাঁটতেই
হবে।
যত গভীরে যায়
শুধুই লবণ,
পানিতে কিনতে
খরচ রোজগারের বড় অংশ
বাংলাদেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের
ভূ-পৃষ্ঠতলে
লবণ
সবসময়ই
ছিল;
ফলে
উপকূলীয়
অঞ্চলগুলোয়
সুপেয়
নিরাপদ
পানির
অভাব
দীর্ঘদিনের।
প্রতিদিনের
গৃহস্থালি
কাজের
জন্য
নানা
ধরনের
প্রযুক্তি
ব্যবহার
করে
পানি
পরিশোধন
করা
হয়।
এর
মধ্যে
টিউবওয়েল,
বৃষ্টির
পানি
সংগ্রহ
ও
সংরক্ষণ
পদ্ধতি
এবং
লবণ
বিমুক্তকরণের
বিভিন্ন
প্রযুক্তি
(পিএসএফ, রিভার্স
ওসমোসিস)
উল্লেখযোগ্য।
অধিকাংশ
অঞ্চলে
টিউবওয়েল
আর
কাজ
করছে
না।
কারণ
ভূতলে
যত
গভীরে
যাওয়া
হোক
না
কেন,
মিঠা
পানির
সন্ধান
মেলা
ভার।
বাকি
প্রযুক্তিগুলো
অত্যধিক
ব্যয়বহুল
হওয়ায়
দরিদ্র
জনগোষ্ঠীর
পক্ষে
এসব
প্রযুক্তির
ব্যয়ভার
বহন
সম্ভব
নয়।
দুই
হাজার
লিটারের
একটি
পানির
ট্যাংক
স্থাপনে
খরচ
হয়
প্রায়
২০
হাজার
টাকা।
ফলে
ছোট
ছোট
ড্রাম,
কলসি
ও
বোতলে
বৃষ্টির
পানি
ধরে
রাখে
এ
অঞ্চলের
মানুষ।
সে
পানি
শেষ
হলেই
শুরু
হয়
সুপেয়
পানির
জন্য
হাহাকার।
এরপর
বিভিন্ন
বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের
অনুদানে
বসানো
ব্যয়বহুল
প্রযুক্তি
থেকে
লিটারপ্রতি
৫০
পয়সা
থেকে
১
টাকায়
পানি
কেনা।
এ
রকম
প্রযুক্তির
সংখ্যা
বেশি
নয়।
আবার
যেসব
এলাকায়
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
নেই,
সেখানে
এসব
প্রযুক্তি
আরো
বেশি
ব্যয়বহুল।
পানিবাহিত রোগে
ভুগছে উপকূলের মানুষ
যার
ফল
হলো,
এ
এলাকার
মানুষজন
নানা
ধরনের
পানিবাহিত
রোগে
ভুগছে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থার
তথ্যমতে,
বাংলাদেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
শিশুমৃত্যুর
পাঁচটি
প্রধান
কারণের
চারটিই
দূষিত
পানি
পানের
সঙ্গে
সম্পর্কিত।
সুপেয়
নিরাপদ
পানির
অভাবে
রোগ-ব্যাধির
হার
বৃদ্ধি,
স্কুল
এবং
কর্মক্ষেত্রে
উপস্থিতির
হার
এবং
সামগ্রিক
জীবনের
গুণগত
মানও
উল্লেখযোগ্য
হারে
হ্রাস
পাচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য
প্রকৌশল
অধিদপ্তরের
(ডিপিএইচই) ২০১২
সালের
গবেষণা
মতে,
উপকূলীয়
অঞ্চলের
৬১
শতাংশ
জনগোষ্ঠী
গুরুতর
স্বাস্থ্য
সমস্যার
মুখোমুখি।
নিরাপদ
পানির
অভাবে
নারীরা;
বিশেষ
করে
কিশোরীরা
সবচেয়ে
স্বাস্থ্যঝুঁকিতে
থাকে।
পানি
কম
পান
করার
কারণে
নারীরা
উচ্চ
রক্তচাপ
ও
হূদরোগে
আক্রান্ত
হচ্ছেন
এবং
শুধু
নারীদের
মধ্যেই
এটি
সীমাবদ্ধ
থাকছে
না,
নবজাতক
শিশুদের
স্বাস্থ্যও
প্রভাবিত
হচ্ছে।
অধিকাংশ
নারী
জরায়ুর
জটিলতায়
ভুগতে
থাকেন।
কম
বয়সেই
প্রজননক্ষমতা
হারিয়ে
বসেন
কেউ
কেউ।
আইলা থেকে
শুরু, প্রচলিত প্রায় সব
প্রযুক্তি অকার্যকর
২০০৭
সালের
ঘূর্ণিঝড়
সিডর
এবং
২০০৯
সালে
ঘূর্ণিঝড়
আইলা
বাংলাদেশের
দক্ষিণ-পশ্চিম
উপকূলে
আঘাত
হেনেছিল।
মূলত
আইলার
প্রভাবেই
এ
অঞ্চলে
বিশুদ্ধ
পানির
সংকট
তীব্রভাবে
শুরু
হয়।
আইলার
আঘাতে
এ
অঞ্চলের
প্রায়
সব
বিশুদ্ধ
পানির
উৎস
ধ্বংস
হয়ে
যায়।
সমুদ্রের
পানিতে
প্লাবিত
হয়
বিস্তীর্ণ
অঞ্চল।
গাছ
মরে
উপকূল
বিরাণ
ভূমি
হয়ে
যায়।
জীবিকায়নে
বড়সড়
পরিবর্তন
আসে।
উপকূলের
মানুষ
সেই
ধাক্কা
এখনো
কাটিয়ে
উঠতে
পারেনি।
যদিও
গত
দশ
বছরে
সরকার
ও
বিভিন্ন
বেসরকারি
উদ্যোগে
নানা
পদক্ষেপ
নেয়া
হয়েছে।
মাঠ
অভিজ্ঞতায়
দেখা
যায়,
এ
অঞ্চলের
বেশির
ভাগ
স্থানে
ভূগর্ভের
পানির
স্তর
নিচে
নেমে
গেছে।
ফলে
টিউবওয়েলগুলো
অকেজো
হয়ে
পড়েছে।
কোথাও
কোথাও
সুপেয়
পানির
জন্য
৮০০
থেকে
১
হাজার
ফুট
গভীরে
খনন
করতে
হয়,
যাতে
খরচ
পড়ে
১
লাখ
টাকার
বেশি।
এর
সঙ্গে
যুক্ত
হয়েছে
প্রায়
প্রতি
বছর
বাঁধ
ভাঙন
ও
বন্যা।
ফলে
এ
অঞ্চলের
অন্তত
৭০
শতাংশ
মানুষ
খাওয়ার
পানি
এবং
ঘরের
কাজের
ব্যবহারের
জন্য
পুকুরের
পানির
ওপর
নির্ভরশীল
হয়ে
পড়েছে।
পুকুরের পানিই
শেষ ভরসা,
প্রয়োজন রক্ষণাবেক্ষণ
গোটা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
সুপেয়
পানির
উৎস
হিসেবে
পুকুর
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখলেও
যথাযথ
রক্ষণাবেক্ষণ
এক্ষেত্রে
প্রধান
অন্তরায়।
পুকুরগুলো
পুনঃখনন,
পরিষ্কার
রাখা
এবং
লবণ
যাতে
না
ঢোকে,
তার
জন্য
ব্যবস্থা
রাখা
জরুরি।
পুকুরে
মাছ
চাষ
বন্ধ
রাখতে
হবে।
গরু-ছাগল
গোসল
করানো
বা
কাপড়
ধোয়ার
মতো
কাজ
সেসব
পুকুরে
করা
যাবে
না।
কিন্তু
তার
জন্য
সচেতনতার
অভাব
রয়েছে।
জেলা
পরিষদ
অন্তত
পাঁচ
শতাধিক
পুকুর
মাছ
চাষের
জন্য
বন্ধক
দিয়ে
রেখেছে।
কিছু
পুকুর
বেদখল
হয়েছে।
ভরাট
করে
অনেক
পুকুরে
বাড়িঘর-বাজার
তৈরি
করা
হচ্ছে।
এসব
পুকুর
উদ্ধার
করে
স্থায়ী
ভিত্তিতে
খাওয়ার
পানির
জন্য
বরাদ্দ
করে
আইন
প্রস্তুত
ও
তা
বাস্তবায়নে
নীতিমালা
জরুরি।
পুকুরগুলোকে
বাণিজ্যিক
মাছ
চাষের
বাইরে
রাখতে
হবে।
জলাধারগুলোকে
রক্ষায়
উদ্যোগ
নিতে
হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন, সামনে অনিশ্চিত পথ
জলবায়ু
পরিবর্তনের
প্রভাবে
এ
অঞ্চলে
আলেয়া
বেগমের
মতো
হাজার
হাজার
দিনমজুরের
সংখ্যা
বেড়েছে।
গত
২৫
বছরে
বাংলাদেশের
এ
অঞ্চলে
লবণাক্ততার
মাত্রা
প্রতি
বছর
গড়ে
২৬
শতাংশ
করে
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের
২০১৪
সালের
এক
গবেষণায়
দেখা
গেছে,
২০৫০
সালের
মধ্যে
জলবায়ু
পরিবর্তনের
ফলে
ভূগর্ভে
লবণের
পরিমাণ
উল্লেখযোগ্য
হারে
বাড়বে
এবং
দক্ষিণ-পশ্চিম
উপকূলীয়
অঞ্চলে
খাওয়ার
পানি
ও
সেচের
পানির
সংকট
বেড়ে
যাবে;
যা
কমপক্ষে
২
দশমিক
৯
মিলিয়ন
দরিদ্র
জনগোষ্ঠীর
জীবনযাত্রাকে
প্রতিকূল
পরিস্থিতিতে
ফেলবে।
যেখানে
বর্তমানে
সুপেয়
পানির
সংকটে
ভুগছে
২
দশমিক
৫
মিলিয়ন
মানুষ।
সমন্বয়ের অভাব,
কম বরাদ্দ, জনগণের সম্পৃক্ততা কম
আইলার
পর
এক
যুগ
পেরিয়ে
গেলেও
বাংলাদেশ
সরকার
ও
বেসরকারি
সংস্থাগুলো
উপকূলীয়
অঞ্চলে
সুপেয়
পানি
সরবরাহের
বিষয়টি
নিশ্চিত
করতে
পারেনি।
এজন্য
দায়ী
মূলত
নদীতে
পানিপ্রবাহের
অভাব
(যা লবণাক্ততা
বৃদ্ধিতে
ভূমিকা
রাখে),
দুর্গম
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
এবং
যথাযথ
সমন্বয়
না
রাখা।
সরকারি
বরাদ্দের
পরিমাণ
একদিকে
যেমন
কম,
অন্যদিকে
অধিকাংশ
বরাদ্দ
হয়
টিউবওয়েলকে
মাথায়
রেখে।
অথচ
ভূগর্ভে
কোনো
সুপেয়
পানি
নেই।
ফলে
সেই
টিউবওয়েল
অকেজো
হয়ে
পড়ে
থাকে।
যেখানে
অনেক
টাকা
খরচ
করে
ব্যয়বহুল
প্রযুক্তি
স্থাপন
করা
হয়,
সেখানে
অতিরিক্ত
লবণ
এবং
নিয়মিত
পরিচর্যার
অভাবে
সেসব
প্রযুক্তি
দুই
থেকে
আড়াই
বছরের
মধ্যে
অকেজো
হয়ে
পড়ে।
সেসব
মেরামতে
সরকারি,
বেসরকারি
বা
জনগণের
সক্রিয়
ভূমিকা
চোখে
পড়ে
না।
ফলে একথা
নির্দ্বিধায়
বলা
যায়,
বাংলাদেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
নিরাপদ
খাওয়ার
পানির
সংস্থানে
একক
কোনো
প্রযুক্তি
কাজ
করবে
না;
বরং
কোনো
একটি
এলাকায়
যে
প্রযুক্তি
কাজ
করে,
সেটিকে
মাথায়
রেখে
বাজেট
বরাদ্দ
করতে
হবে।
মাঠ
পর্যায়ে
বাস্তবায়নের
সময়
জনগণের
অংশগ্রহণের
কোনো
বিকল্প
নেই।
সরকারের আরো
কিছু উদ্যোগ, দরকার টেকসই
সমাধান
গত
এক
দশকে
উপকূলীয়
অঞ্চলে
পানির
সমস্যা
সমাধান
করার
জন্য
সরকার
বিভিন্ন
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করেছে।
গড়াই
নদী
পুনঃখনন
তাদের
মধ্যে
একটি।
এ
পদক্ষেপের
মাধ্যমে
উপকূলীয়
অঞ্চলে
নদীর
পানিপ্রবাহ
বৃদ্ধি
পাবে
বলে
মনে
করা
হয়
এবং
বিশুদ্ধ
খাওয়ার
পানির
উৎসগুলোও
পুনরায়
উদ্ধার
হবে
এবং
এর
মাধ্যমে
কিছুটা
হলেও
এ
অঞ্চলের
লবণাক্ততার
সমস্যা
সমাধান
করা
সম্ভব
হবে।
এছাড়া
পরিবার
ও
কমিউনিটির
অংশগ্রহণ
এবং
তাদের
সচেতন
করার
মাধ্যমে
পানির
উৎসগুলোর
নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণ
সম্ভব।
এজন্য
জনস্বাস্থ্য
প্রকৌশল
অধিদপ্তরের
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
পালন
করতে
হবে।
যত্রতত্র
চিংড়ি
ও
কাঁকড়া
চাষকে
নিরুৎসাহিত
করতে
হবে।
চিংড়ি
চাষের
জন্য
লবণাক্ত
পানি
প্রবেশে
বেড়িবাঁধ
কাটা
ও
তলদেশে
পাইপ
বসানো
বন্ধ
করতে
হবে।
কেননা
এসব
কারণে
বেড়িবাঁধগুলো
দুর্বল
হচ্ছে
এবং
ভাঙনের
ঝুঁকিতে
পড়ছে।
উপসংহার
বাংলাদেশের
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
ঘিরে
রয়েছে
বেশ
কয়েকটি
নদী।
এসব
নদীতে
পানির
অভাব
নেই,
কিন্তু
গোটা
অঞ্চলে
সুপেয়
পানির
অভাব
রয়েছে।
উচ্চমাত্রার
লবণাক্ততার
কারণে
এবং
দীর্ঘমেয়াদি
টেকসই
সমাধানের
অভাবে
উপকূলীয়
অঞ্চলের
মানুষ
নিরাপদ
খাওয়ার
পানির
অভাবে
ভুগছে।
এ
অভাব
প্রতি
বছরের,
প্রাত্যহিক।
এজন্য
দরকার
নীতিনির্ধারণী
পর্যায়ের
দৃষ্টি।
দরকার
সরকারি
ও
বেসরকারি
পর্যায়ে
দীর্ঘমেয়াদি
পদক্ষেপ।
তা
না
হলে
সেদিন
বেশি
দূরে
নয়,
যেদিন
শুধু
খাওয়ার
পানির
অভাবে
লাখো
মানুষ
নিজেদের
বাড়িঘর
ছেড়ে
অন্যত্র
আশ্রয়
খুঁজবে।
রাজু নূরুল: উন্নয়নকর্মী










