সংঘাতের মৌলনীতি আটলান্টিকের উভয় দিকে একটা মৃদু প্রভাব সৃষ্টি করেছে। ইউক্রেন সংকট শুরুর তিন মাস পর আন্তঃআটলান্টিক দেশগুলোর মধ্যে যৌথ উদ্দেশ্যের অন্তর্নিহিত গুরুত্বের একটা জরুরি বোধের উদ্বোধন ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফ্রান্সের স্যাকলেতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি কাউন্সিলের (টিটিসি) দ্বিতীয় মিনিস্টারিয়াল বৈঠক। দুই দিনব্যাপী এ বৈঠকে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে একটা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যেটা নিয়ে আগের পিটার্সবার্গ বৈঠকে দীর্ঘ সময় সবিস্তার আলোচনা হয়েছিল।

সরবরাহ ব্যবস্থার চাপ প্রশমন, রফতানি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ যাচাই, বাজারবহির্ভূত নীতিতে বাণিজ্য সাড়ার বিষয়ের সমন্বয় এবং চর্চাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থাপনাবিষয়ক হাতিয়ারের ওপর সহযোগিতা, এসএমইর ডিজিটাল রূপান্তর এবং জলবায়ুর মতো অন্য সংশ্লিষ্ট মাত্রাগুলো নিয়ে উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে।

দ্বিতীয় টিটিসি বৈঠকের প্রধান বার্তা অবশ্য পাওয়া যেতে পারে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথরিন তাইয়ের কথায়। বৈঠকের পর তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, সহযোগিতা কাঠামো হিসেবে টিটিসি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। অদূর-ভবিষ্যতে এটিকে এগিয়ে নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দরকার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সাধারণ ফ্যাক্টরগুলো চিহ্নিত করা, বিতর্কিত ক্ষেত্রগুলোয় চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে আস্থা প্রতিষ্ঠা এবং আটলান্টিকের উভয় দিকের নীতিনির্ধারণী মহলকে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত করা।

প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য টিটিসি ছিল চীনকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায়। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্দেশ্য ছিল প্লাটফর্ম নিয়ন্ত্রণ ও সবুজ উত্তরণ এবং বাণিজ্য অস্বস্তি কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরোপীয় মূল্যবোধের কাছাকাছি নিয়ে আসা। সত্য যে, একটা অভিন্ন প্লাটফর্মের পথ সন্ধান করতে এখন পর্যন্ত তাদের প্রচেষ্টাগুলো সমর্থ হয়নি। এখন ইউক্রেনের বিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জটিলতাগুলো মনে হয় টিটিসির দিকে যাত্রার নতুন এক প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। কোনো কোনো বিশ্লেষক এটাকে যৌথ পরিচয় বোধ তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে।
আটলান্টিকের উভয় দিকের দেশগুলো এখনো মনে করে যে কর্তৃত্ববাদী বিকল্প (যেমন চীন, রাশিয়া) ঠেকাতে পশ্চিমের জন্য সর্বোত্তম পন্থা হবে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করা। তারা সম্মত হয়েছে যে উদার গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ জটিলতার মূলে রয়েছে প্রযুক্তি ও বাণিজ্য। এ দুটি বিষয় সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বে তাদের গুণক ভূমিকা রাখবে।

এখানে স্মরণ করা যেতে পারে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক মাসজুড়ে রফতানি নিয়ন্ত্রয়ণে একত্রে কাজ করে আসছে, তবে এটি কেবল সম্ভাবনাময় শুরু হিসেবে থেকে গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সবর্শেষ বৈঠকে যথার্থভাবে উঠে এসেছে, কাঠামোটিতে কিছু সাফল্যের ইঙ্গিত আছে বটে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়। কাজেই বিশ্লেষকদের পরামর্শ হলো, টিটিসির কাজকে ওয়ার্কিং গ্রুপকে সঙ্গে নিয়ে আরো গভীর ও মূর্ত করে তুলতে হবে।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে, শুল্ক কোটার মতো বাণিজ্য বাধাগুলো ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ক্ষেত্রে রয়েগেছে, যা ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তগুলো বাধাগ্রস্ত করে এবং পরোক্ষভাবে চীনের ওপর তাদের আমদানিনির্ভরতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এটা মাথায় রেখে কৌশলগত অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, পশ্চিমা সরবরাহ নিগড় আরো স্থায়িত্বশীল হবে, যদি তারা পশ্চিমা প্রযুক্তিতে সুসজ্জিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আস্থাশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মানদণ্ড অর্জন মৌলিকভাবে পশ্চিমা অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর পতন ঠেকাবে। সেদিক থেকে এটিকে আগামীর একটি ভালো পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
আনিকা হেডবার্গ, স্টেফান সিপকা, গিলেমে ভ্যান ডার লু, ফ্রেডরিকো মলেট, জর্জ রিকেলেস, আন্ড্রিয়া গার্সিয়া রদ্রিগেজ, সাইমান ডেকেইরেল এবং এভিন জনজেন ফের মতো পশ্চিমা চিন্তার বিবর্তনশীল নিগড়ে সযত্ন নজর রাখা বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর ও কাঁচামালের সরবরাহ ব্যবস্থার স্থায়িত্বশীলতা বাড়াতে অভ্যন্তরীণভাবে চালিত উদ্যোগগুলোয় আন্তঃআটলান্টিক সংহতি আনার চেষ্টা করছে। এটি বোধগম্য, যেহেতু সরবরাহ ব্যবস্থা এখন গভীরভাবে বিশ্বায়িত, সেহেতু আজকে ডিজিটালাইজেশনের যুগে এতে কেবল ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র নয়, নিজস্ব সীমানার বাইরে অন্য দেশগুলোরও সমান এখতিয়ার আছে। এটা টিটিসি প্রবক্তাদের মাথায় রাখতে হবে।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা অবশ্য এটাও মনে হয় বুঝেছেন, স্থায়িত্বশীলতা নিশ্চিতে সরবরাহ নিগড়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আলোচনা থেকে এ অভিব্যক্তিও উঠে এসেছে, এ প্যারাডাইমের মধ্যে প্রতিশ্রুতিসহ সরবরাহ নিগড়ের ঝুঁকি সক্রিয়ভাবে সামলানোর যৌথ বাস্তব হাতিয়ার তৈরির বিষয়টি স্পষ্টত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে।

কিছু অংশগ্রহণকারী মনে হয় এ বিষয়টিও নজরে এনেছেন, ক্লিনটেক বা সেমিকন্ডাক্টরের মতো কিছুসংখ্যক ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে বিরাজমান সুরক্ষাবাদী নীতির কারণে অনশোর উৎপাদনের চেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। এ দৃশ্যপট একটি উদ্বেগের উৎস বিবেচিত হয়েছে এবং এটা টিটিসিকে প্রতিবন্ধকতাগুলো এড়াতে তদারকি ও তথ্যপ্রবাহ সমন্বয়ে যৌথ হাতিয়ার উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি প্রদানে চালিত করেছে। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রে প্রাক-সতর্কতার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। এ ধরনের সমন্বিত পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক ব্যক্তি খাতে দুর্বল স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রবাহের বিষয়টি সমাধানে সাহায্য করবে। এটা এখনো পরিষ্কার নয়, নতুন নীতি উদ্যোগগুলো ব্যাপকভাবে অভ্যন্তরীণ থাকবে নাকি বহুপাক্ষীয় হবে।

সরবরাহ নিগড়, মানদণ্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ৫জি, ৬জি এবং অন্য নীতি বিষয়ে টিটিসির আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দিকগুলো বিশ্লেষকরা খুব মনোযোগের সঙ্গে দেখছেন। তাদের মধ্যে ইউরোপিয়ান পলিসি সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, যৌথ বিবৃতি আবশ্যিকভাবে বিনিয়োগ যাচাই, বাণিজ্য ও শ্রম, বাণিজ্য ও জলবায়ু, বাজারবহির্ভূত নীতি ও চর্চার মতো ক্ষেত্রগুলোয় তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় শক্তিশালী করতে পারম্পরিক ইচ্ছার একটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী ঘোষণা (চীনকে ইঙ্গিত করে)। তবে তারা সম্মত হয়েছে, অশুল্ক বাধা, সরবরাহ নিগড়, ডিজিটাল ও নিয়ন্ত্রণমূলক ইস্যুগুলোকে যেগুলোর আইনি ও রাজনৈতিক কারণ বিদ্যমান চুক্তির মধ্যে একটা সম্মত জায়গায় নিয়ে যাওয়া কঠিন।

আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘স্পর্শকাতর বাণিজ্য নথিগুলো  ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম রফতানির ওপর বহাল থাকা মার্কিন ২৩২ শুল্ক ধারা কীভাবে মোকাবেলা করা হবে, সে বিষয়টি এবং জটিল প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত নতুন তথ্যবিনিময় চুক্তির চূড়ান্তকরণের মতো বিষয়কে ব্যাপকভাবে টিটিসির পরিধির বাইরে রেখে দেয়। তবু সরকারি ক্রয় ঘিরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন ও  অনেক স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা, ভর্তুকি, কার্বন বর্ডার সমন্বয় ব্যবস্থাসহ সম্ভাব্য বাণিজ্য অস্বস্তি কীভাবে প্রতিরোধ করা হবে, সেসব বিষয় সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে কিছুটা আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এতে অনেকের মধ্যে বিশ্বাস জন্মেছে, টিটিসি ওয়ার্কিং গ্রুপের ঘন ঘন বৈঠক পারস্পরিক আস্থা এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে খাতভিত্তিক চুক্তির ভিত্তি তৈরি করতে পারে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী টিটিসি বৈঠকে এগুলোর সুস্পষ্ট ফল আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ বৈঠককে কেবল ভবিষ্যৎ ইন্টারনেটের জন্য ঘোষণার মূলনীতির প্রতি অঙ্গীকার হিসেবে দেখা হচ্ছে না, যেটা একটা অবাধ ও উন্মুক্ত সাইবার পরিসর সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দেবে; উপরন্তু এটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে, যা নতুন প্রযুক্তিগুলো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান টেকগুলো পরিচালনার ব্যাপারেও সহযোগিতা করবে। বাণিজ্যবিরোধ প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তি অপব্যবহারের ঝুঁকি হ্রাসের মাধ্যমে এ ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিতভাবে গবেষণা ও উদ্ভাবন বেগবান করবে এবং আটলান্টিকের উভয় দিকে উদ্ভাবন ব্যবধান পূরণে সাহায্য করবে।

আনিকা হেডবার্গ, স্টেফান সিপকা, গিলেমে ভ্যান ডার লু, ফ্রেডরিকো মলেট, জর্জ রিকেলেস, আন্ড্রিয়া গার্সিয়া রদ্রিগেজ, সাইমান ডেকেইরেল এবং এভিন জনজেন ফে আরো উল্লেখ করেছে, যৌথ বিবৃতি ‘সঠিকভাবে সবুজ উত্তরণ ও জলবায়ু পদক্ষেপের সমর্থনে বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভূমিকার গুরুত্ব স্বীকার করে। একই সঙ্গে জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত বিপর্যয় ও দূষণ এবং আবর্তনিক অর্থনীতিতে যাওয়ার বৈশ্বিক উত্তরণ-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে’।

তা সত্ত্বেও নিচের দুটি দিকে আরো নমনীয়তা দরকার হবে। এক. কার্বন নির্গমনমুক্ত পশ্চিমা অর্থনীতির প্রধান উপাদান হিসেবে সৌরবিদ্যুতের স্বীকৃতি, যা জ্বালানি ব্যয় কমাবে এবং আটলান্টিকজুড়ে জ্বালানিনিরাপত্তা সংহত করবে। সবুজ জ্বালানি উত্তরণ, আবর্তনিক অর্থনীতি এগিয়ে নেয়া এবং সরবরাহ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য আরো সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। দুই. খাদ্যনিরাপত্তা-সংক্রান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বশীলতা বিবেচনার সঙ্গে একীভূত করতে হবে। এটা কৃষি খাতে গ্রিন হাউজ গ্যাস কমাতে, জীববৈচিত্র্যের বিনাশ ঠেকাতে, সব প্রাণীর কল্যাণ নিশ্চিতে এবং জলবায়ু কর্মপ্রক্রিয়া সমর্থনে প্রকৃতির সম্ভাবনাময় শক্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে। টিটিসি কর্তৃক গৃহীত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা খুব কঠিন একটা কাজ। তবু প্রত্যাশিত কর্ম পরিক্রমা এগিয়ে নিতে হবে এবং সামনে এগোনোর জন্য আরো আকাঙ্ক্ষী হতে হবে।

এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অন্য উন্নয়নশীলগুলো মনে করে টিটিসিকে প্রতিশ্রুত বহুমুখী চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে হবে, যা তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্রের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে হবে। শুধু আটলান্টিক নয়, বিশ্বজুড়ে নীতি নির্ধারণী মহলকে সংযুক্ত করতে নিজ সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে শুরু করেছে এ কাঠামো। তাত্ক্ষণিক ভূরাজনৈতিক সংকট নিরসনের অনেক পরে এ ধরনের সহযোগিতা আবশ্যক প্রমাণ হবে।    

মোহাম্মদ জমির: সাবেক রাষ্ট্রদূত; পররাষ্ট্র, তথ্য অধিকার ও সুশাসনসংক্রান্ত বিষয়াদির বিশ্লেষক