বন্যা বাংলাদেশের জন্য নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতি বছরই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে বন্যার প্রকোপ দেখা দেয়, তবে এর ভয়াবহতা নিয়ে পুরো দেশ কেবল তখনই ভাবতে শুরু করে যখন গ্রাম, ইউনিয়ন আর জেলার সীমারেখা পেরিয়ে একটি সম্পূর্ণ বিভাগ বা একাধিক বিভাগে এর প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ে। ২০২২ তেমনি একটি বছর। মহামারীর কবল থেকে বেরিয়ে আসতে না আসতেই বাংলাদেশের সিলেট বিভাগ বন্যার কবলে পড়ে। মেঘালয়ে অপ্রত্যাশিত অতিবৃষ্টির ফলে, পাহাড়ি ঢল নেমে আসে বাংলাদেশ সীমানার দিকে। সুরমা ও কুশিয়ারার জলসীমা বেড়ে যায় রাতারাতি। বন্যার জলে ভাসতে শুরু করে সিলেট ও সুনামগঞ্জ। যারা এ বন্যার জলাবদ্ধতায় আটকে আছেন, দিন যাপন করছেন বিনা খাবারে, বিনা ওষুধে, বিনা রোজগারে, তাদের কাছে বন্যার ভয়াবহতা বর্ণনা করার প্রয়োজন পড়বে না। যারা ভাগ্যবান, বাস করছেন উঁচু দালানে বা বন্যাক্রান্ত এলাকার বাইরে, তাদের এ দুর্ভোগ অনুধাবনের সামর্থ্য কতটুকু, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। ঠিক তেমনিভাবে ভবিষ্যৎ বন্যা, খরা, ঝড় বা সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীই ততটা ভাবিত নয়। যা ঘটেনি তা নিয়ে ভেবে বর্তমান যাপিত করার বিলাসিতা কিংবা দূরদর্শিতা কোনোটির অবসরই থাকে না। আর এজন্যই এ নিবন্ধটির রচনা। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা সাময়িক নয়। এ জল সরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। এ জলাবদ্ধতা, এ বন্যা চিরস্থায়ী। হিমবাহের গলনের ফলে কিছু অঞ্চলে খরা এবং অন্যান্য জায়গায় প্লাবন ঘটবে তা নিশ্চিত। এর ফলে আগামী বছরগুলোয় পৃথিবীর কৃষিপ্রধান ও উপকূলতীরবর্তী অঞ্চলের যে ভয়াবহ পরিণতি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রায় ১৭ কোটির এই বাংলাদেশের বিচলিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বৈকি!  

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা তুষারপাত ঘটার জন্য উপযোগী নয়। আর এ কারণেই হিমবাহ আমাদের দেশে কখনো গড়ে ওঠেনি আর এজন্যই হয়তো এ বিশেষ প্রাকৃতিক উপাদানটিকে নিয়ে আমাদের তেমন আগ্রহ নেই। তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে উত্তর কিংবা দক্ষিণ মেরুর এবং হিমালয়, আল্পস বা আন্দেজ পর্বতমালায় অবস্থিত হিমবাহের ওপর যে প্রভাব পড়ছে এবং আসছে বছরগুলোয় এদের গলনের হার যে মাত্রায় বেড়ে যাবে, তার প্লাবনের ঢেউ বাংলাদেশের সমুদ্রতটে এসেও আছড়ে পড়বে। হিমবাহ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিমবাহসৃষ্ট নদ-নদী শুকিয়ে যাবে। দেখা দেবে অন্তহীন খরা। মধ্য আয়ের আমাদের এ উর্বরা দেশটির সহজিয়া মানুষকে বাঁচাতে হলে হিমবাহের প্রভাব নিয়ে তাই এখনই ভাবতে হবে।

হিমবাহ বা গ্লেসিয়ারের কথা উঠলেই কল্পনায় ভেসে ওঠে ঘন নীল বরফের স্তূপ কিংবা বিশাল হিমশৈলের (আইসবার্গ) সাগরে ভেসে চলা। অথচ হিমবাহের উৎস, এর জীবন পরিক্রমা বা হিমবাহসৃষ্ট ভূমিরূপ বা জলরূপ সম্পর্কে আমরা অনেকেই তেমন অবগত না। হিমবাহ কোনো স্থবির প্রাকৃতিক রূপ নয়; বরং এর গতিময়তা, গলন আর অন্তর্গত জৈব রাসায়নিক উপাদানের নিঃসরণ গোটা বিশ্বের জলরাশির আয়তন ও গুণগত মানের ওপর ব্যাপক প্রভাব রেখে চলেছে। পার্বত্য আর মেরু অঞ্চলে এ প্রাকৃতিক বিস্ময়ের অবস্থান থাকলেও বিশ্বের কোনো অঞ্চলই তার প্রভাবমুক্ত নয়। এ নিবন্ধটি হিমবাহের সঙ্গে পরিচিতির পাশাপাশি এর ওপর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবকে তুলে ধরবে।

হিমবাহ বা গ্লেসিয়ার তুষার, বরফ, জল ও পললের পুঞ্জীভূত বহুবর্ষজীবী ভর, যা নিজ ওজনের পরিপ্রেক্ষিতে ধীর গতিতে ভূমিতে (পার্বত্য অঞ্চলে) বা জলে (মেরুসাগরে) গতিময়তা লাভ করে। হিমবাহের মূলত দুটি প্রকারভেদ রয়েছে; পার্বত্য ও মেরুসাগর হিমবাহ। পার্বত্য হিমবাহ বা আলপাইন গ্লেসিয়ার উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর পর্বতাঞ্চল (পালার গ্লেসিয়ার নামেও পরিচিত), ইউরোপের আলপ্স পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকার এনডস পর্বতাঞ্চল ও হিমালয় পর্বতমালায় গঠিত হয়। অন্যদিকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুসাগরেও তুষারপাত থেকে আইসশিট ধরনের হিমবাহের সংগঠন পরিলক্ষিত হয়। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৯১ শতাংশ হিমবাহ অ্যান্টার্কটিকায়, ৮ শতাংশ গ্রিনল্যান্ডে, শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ উত্তর আমেরিকায়, শূন্য দশমিক ২ শতাংশ এশিয়ায় এবং বাকি শূন্য দশমিক ১ শতাংশ দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে কোনো হিমবাহ খুঁজে পাওয়া যায় না। 

হিমবাহ গঠন প্রক্রিয়া অনন্যসাধারণ। বিশেষ জলবায়ুর উপস্থিতি গ্লেসিয়ার বিনির্মাণে অত্যাবশ্যক। যে অঞ্চলে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে বছরের কিছু সময় বিরাজ করে, যেখানে তুষারপাত ঘটে এবং যে এলাকার তাপমাত্রা গেল মৌসুমে পতিত তুষারের সম্পূর্ণ গলন প্রতিরোধে সক্ষম, সে অঞ্চলে হিমবাহ সৃষ্টি হতে পারে। হিমবাহের গঠন সময়সাপেক্ষ। একাধিক মৌসুমের তুষারপাতের পর জমে থাকা তুষার নিজ ভারে স্ফটিকীকরণ প্রক্রিয়ায় জলের মৌলসমূহকে পুনর্বিন্যস্ত করে। তুষার বা ফুঁয়োফুঁয়ো হয়ে থাকে; অর্থাৎ এতে বায়ুর পরিমাণ প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ। তুষার যখন বরফে রূপান্তরিত হয় তখন জলমৌলের পুনর্বিন্যাসের কারণে বায়ুর পরিমাণ কমে ১০ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়। এভাবে বহুবর্ষীয় তুষার ও বরফ জমতে থাকা ভারে নিচের স্তরে অবস্থিত বরফ আরো ঘনীভূত হয়, যা কিনা আটকে থাকা বাতাসকে চেপে বের করে দেয়। এমন করেই গড়ে ওঠে হিমবাহের ঘননীল বরফের স্তর। হিমবাহের বরফের রঙ কেন ঘন নীল? এ প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এক কথায় বলতে গেলে আলোক রশ্মির প্রতিফলনের ফলাফল এ নীল রঙ। তুষার, বর্ণালির প্রায় সব রঙ প্রতিফলিত করে বলে এর রঙ সাদা। বরফে বায়ুর পরিমাণ যত কমতে থাকে, নীল রঙের প্রতিফলন তত বাড়তে থাকে আর অন্য রঙগুলো বরফ কর্তৃক শোষিত হয়। তাই পুনর্গঠিত হিমবাহের বরফস্তরের রঙ ঘন নীল, যা কিনা নীল আলোক রশ্মি প্রায় সম্পূর্ণ প্রতিফলিত করতে সক্ষম। হিমবাহের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর গতিময়তা। আপাতদৃষ্টে হিমবাহ স্থবির বলে প্রতীয়মান হলেও প্রায় সব পার্বত্য এবং মেরুসাগরের প্রকাণ্ড বরফের স্তূপ নিজ ভারে মাধ্যাকর্ষণের টানে ধীরগতিতে অগ্রসর হয়। মূলত তিনটি প্রক্রিয়ায় পার্বত্য হিমবাহ সচল হয়। প্রথমত, বরফের স্ফটিকের শৃঙ্খলার বিকৃতি বা আইস ক্রিস্টাল ডিফরমেশন প্রায় সব পার্বত্য হিমবাহকে নিয়ত গতি দিয়ে থাকে। দ্বিতীয় পদ্ধতিকে বলা হয়ে থাকে ভ্যাশেল স্লাইডিং, যা কিনা পাহাড়ের গা-ঘেঁষে, পৃষ্ঠদেশ ছুঁয়ে হিমবাহ প্রবাহের গতিকে ব্যাখ্যা করে। হিমবাহের গতিময়তার তৃতীয় পন্থার নাম পললের বিকৃতি বা স্যাডিমেন্ট ডিফরমেশন। হিমবাহের এ চলন যে তার বিস্তৃতিকে নিশ্চিত করে তাই নয়, বরং পার্বত্য হিমবাহের প্রবাহে পাথর, পাথর কুঁচি ও পলল পরিবাহিত হয়, স্থানান্তরিত হয়; আর এভাবে, পার্বত্য হিমবাহ তার চলার পথে উপত্যকার আকার নির্ধারণ করে এবং বিভিন্ন ভূমিরূপের ও জলরূপের জন্ম দেয়। ইরোসনাল ল্যান্ডফরমস, ডিপজিশনাল ল্যান্ডফরমস ও গ্লেসিওফ্লুবিয়াল ল্যান্ডফরমস হিমবাহ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপের উদাহরণ। অন্যদিকে হিমবাহের গলিত জল খাঁড়িতে পুঞ্জীভূত হয়ে জন্ম দেয় গ্লেসিকেল লেকসের। হিমবাহ তাই প্রকৃতির আশ্রিত নয় বরং তার ছেনি-হাতুড়িতে প্রকৃতির রূপকে পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের সে এক নিপুণ কারিগর।        

হিমবাহ-নিঃসৃত জল পৃথিবীর বহু নদীর প্রাণশক্তি জোগায় এবং উপত্যকা বা সমতল ভূমির উর্বরা ক্ষমতাকে বজায় রাখে। যেমন হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহ ভারত উপমহাদেশের তিনটি নদী অববাহিকাকে সমৃদ্ধ করে চলেছে: সিন্ধু, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা। সিন্ধু নদ প্রায় ৩ হাজার ৫০০ হিমবাহ নির্গত জল থেকে সৃষ্ট। অন্যদিকে গঙ্গা প্রায় ১০০০ এবং ব্রহ্মপুত্র প্রায় ৬০০ হিমবাহের সঙ্গে যুক্ত। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের আজকের হার বজায় থাকলে এ শতাব্দীর শেষে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হিমবাহ সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে আর ২২০০ সালের ভেতর দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি হিমবাহের একই পরিণতি ঘটবে। এর পরিণাম দুভাবে প্রতিভাত হতে পারে। প্রথমত সিন্ধু, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্রের জলপ্রবাহ চরমভাবে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কিনা অন্তহীন খরার সূচনা করবে। সিন্ধু উপত্যকায় বর্তমান সময়েই তীব্র জলসংকট দেখা দিচ্ছে। আসছে দশকগুলোয় এ সংকট গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় দেখা দেবে তা হলফ করে বলা যায়। দ্বিতীয়ত, হিমবাহের অতিগলনের ফলে আগামী দশকগুলোয় গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের জলসীমা বেড়ে চলবে—এ আশঙ্কা অমূলক নয়। আর এতে বন্যার প্রকোপের হার ও তীব্রতা দুই-ই বৃদ্ধি পাবে। বন্যার একটি অধ্যায় অতিক্রম করতে কয়েক বছর, কখনো দশক পেরোয়; পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন সুসম্পন্ন হতে ব্যয় হয় অর্থ ও শ্রম। বন্যা শেষ হতে না হতেই খরা আর খরার পরই বন্যার বিভীষিকার এহেন ভবিষ্যৎ চক্রের ইঙ্গিত অত্যন্ত দুশ্চিন্তার। হিমবাহের সঙ্গে পরিচয় না থাকলেও এটি আমাদের জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করবে, তা নিশ্চিত।  

অন্যদিকে মেরু অঞ্চলের হিমবাহ বাংলাদেশ থেকে দূরবর্তী হলেও, দক্ষিণ মেরুর অর্থাৎ অ্যান্টার্কটিক মহাদেশের থোয়াইটেস গ্লেসিয়ার বাংলাদেশ এবং এর মতো সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ হিমবাহটির আয়তন পুরো যুক্তরাজ্যের ভূমি-আয়তনের সমান এবং বর্তমানে বছরে এটি ৫০ বিলিয়ন টন বরফ সমুদ্রে নিঃসরণ করছে। আশঙ্কা হচ্ছে, এ যে থোয়াইটেস আগামী কয়েক বছরের ভেতর অ্যান্টার্কটিক আইসক্যাপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এরপর এর দ্রুত গলন ঘটবে যা কিনা এ দশকের ভেতর গোটা পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২-৩ ফুট বাড়িয়ে দেবে। এটি বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণাম বয়ে নিয়ে আসতে পারে। কেবল সমুদ্র জলের অনুপ্রবেশই নয়, যেকোনো সাইক্লোনসৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস ২-৩ ফুট বেশি উচ্চতায় আছড়ে পড়বে ভোলা, পটুয়াখালীর মতো নিম্নাঞ্চলে। সমুদ্রের নোনা জলের প্রভাবে মাটির উর্বরা শক্তিও হ্রাস পাবে। এ সম্ভাবনাগুলো বিচলিত হওয়ার মতো তো বটেই। কেবল এ পূর্বাভাসই শেষ নয়। থোয়াইটেস বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর অ্যান্টার্কটিক আইসশেলফের অখণ্ডতায় আঘাত আসবে, যা কিনা পরবর্তী দশকগুলোয় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিচ্ছে।

হিমবাহ নিয়ে ভাবিত হওয়ার এবং সুপরিকল্পনা গঠনের সময় এখনই। বাংলাদেশ কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে তা নিয়ে ভাবতে হবে। দক্ষিণের জনগোষ্ঠীকে কোথায় স্থানান্তর করা হবে? চাষযোগ্য জমির যে ক্ষতি হবে তার পরিপ্রেক্ষিতে বিকল্প ফসল উৎপাদনের ব্যবস্থা কী? বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে আণবিক শক্তি চুল্লির স্থাপনা কতটা যুক্তিযুক্ত? এ প্রশ্নগুলো সমস্যাটির জন্য প্রস্তুত হওয়ার পরিকল্পনা সূচনা মাত্র করতে পারে। তবে এখনই পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ভবিষ্যতের এ ভয়াল পরিণতি থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতে পারে বাংলার মানুষ। আমাদের সমন্বিত চেষ্টা আজ একান্ত জরুরি।  

 

নাভিদ সালেহ: অধ্যাপক, পরিবেশ প্রকৌশল অনুষদ

ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস, অস্টিন, যুুক্তরাষ্ট্র