বণিক বার্তার সঙ্গে আমার লেখালেখির সম্পর্ক প্রায় এক দশক পেরোল। অর্থাৎ এর জন্মলগ্ন থেকে আমি জড়িত ছিলাম। পত্রিকাটির সম্পাদক থেকে শুরু করে অনেকেই আমার প্রাক্তন ছাত্র বিধায় দুই পক্ষ থেকে বাড়তি আবদারের আদিখ্যেতা বলার অবকাশ রাখে না। গেল বইমেলায় আমার লেখা ‘রঙ্গরসে অর্থনীতি’ বইটি প্রকাশ করে আমাকে ধন্য করেছে। যদিও করোনার কারণে মেলার বই বেলা দেখতে বেশ দেরি করে ফেলেছে।

বণিক বার্তার বিরল বৈশিষ্ট্য হলো, এটা মূলত অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক বিষয়ভিত্তিক পত্রিকা।  দেশ-বিদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংবাদ পাঠকের সামনে তুলে ধরাই এর লক্ষ্য। আমার মনে হয়, এই একটি মাত্র কারণে পত্রিকাটি বহুল পঠিত। কিছু ক্ষেত্রে সাহসিক সংবাদের জন্য পত্রিকাটি প্রশংসার দাবি করতে পারে।

যেখানে সারা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ ভাবনা কালো চাদরে আবৃত, সেখানে বণিক বার্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলা বালকসুলভ বৈকি। তার পরও বলব, একঝাঁক প্রতিভাবান ও ত্যাগী সংবাদকর্মীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ঘটবে। পরিবর্তিত পৃথিবীর তথা বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ ও আলোচনা-সমালোচনা সামনে এনে বণিক বার্তা আগের মতোই অগ্রণী ভূমিকা নেবে বলে আমার দৃঢ় ধারণা। আমি এর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

 

আবদুল বায়েস: সাবেক উপাচার্য ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়