অবশিষ্ট ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতার পর গঠিত  তত্কালীন আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পশ্চিম পাকিস্তানের মালিকদের ছেড়ে যাওয়া পাটকলগুলো জাতীয়করণ করে সেগুলো নবগঠিত বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে ন্যস্ত করে। বিজেএমসির অধীনে ন্যস্ত ৮২টি পাটকলের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এরই মধ্যে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করার পর অবশিষ্ট থাকে ২৬টি মিল। চালু ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল এখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাট শিল্পে সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতার অবসান ঘটবে। গত বছরের ১ জুলাই এসব পাটকল বন্ধ করে দেয়ার আগে সরকার এগুলো পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু রাখার কথা বলেছিল। সে প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে সরকার এখন এসব পাটকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিল, এ সিদ্ধান্ত অনুসৃত মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা সংগতিপূর্ণ এবং এতে  রাষ্ট্রীয় স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত থাকবে, তা আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হলে পূর্ব বাংলা পূর্ব পাকিস্তান নাম নিয়ে পাকিস্তানের একটি প্রদেশে পরিণত হয়। সব পাটকল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভাগে পড়ায় পূর্ব পাকিস্তানের কাঁচা পাট বাজারজাত করার ব্যাপারে সমস্যা দেখা দেয়। পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যবসায়ী বাওয়া গ্রুপ এবং আদমজী পরিবার পঞ্চাশের দশকের শুরুতে নারায়ণগঞ্জে পাটকল স্থাপন করলে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান বহুলাংশে খুঁজে পাওয়া যায়। ১৯৫১-৭০ সময়কালে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদিত পাট ও পাটজাত সামগ্রী পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎস ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বিশ্ববাজারে কৃত্রিম তন্তুর আবিষ্কার, ব্যবসা-বাণিজ্যে অনভিজ্ঞ সরকারি কর্মকর্তাদের এসব পাটকলের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রদান, দুর্নীতি, মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণীর উদ্ভব এবং শ্রমিক অসন্তোষের কারণে এ খাতে বিপর্যয় দেখা দেয়।

১৯৭৫ পরবর্তী সরকার বিজেএমসির আওতাধীন এসব পাটকলের বিরাষ্ট্রীয়করণ শুরু করে, যা পরবর্তী সময়ে অব্যাহত থাকে। গত বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সংখ্যা ছিল ২৬, যার মধ্যে চালু ছিল ২৫টি। সুষমকরণ, আধুনিকায়ন, প্রতিস্থাপন ও বিস্তারের (বিএমআরই) মাধ্যমে পাটকলগুলোকে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগের কথা সরকার ২০১৮ সাল পর্যন্ত বলে আসছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তত্কালীন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত বলেন, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিজেএমসিকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে মিলগুলোর বিএমআরই করা হচ্ছে। ২০২০ সালে সরকার অনেকটা হঠাৎ করে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ওই বছরের ১ জুলাই থেকে এসব পাটকল বন্ধ করে দেয়। সরকারি ভাষ্যমতে, জন্মলগ্ন থেকে এসব পাটকল ক্রমাগতভাবে লোকসানে থাকাই এগুলো বন্ধের কারণ। তবে পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণার আগে সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) সেগুলো চালু রাখার কথা বলে। ২০২০ সালের ২৫ জুন অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পিপিপির মাধ্যমে জুট মিল থাকবে, এটা ডিসাইডেড।’ ২০২০ সালের ১ জুলাই রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণার এক মাস পর ৩ আগস্ট বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠককালে বলেন, ‘সম্প্রতি বন্ধ ঘোষিত দেশের পাটকলগুলোকে আবার চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপির মাধ্যমে পাটকলগুলো চালু করা হচ্ছে।’ এ রকম আরো উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এসব খবর সে সময় গুরুত্বসহকারে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

গত মে মাসে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী একটি দৈনিককে (যুগান্তর) দেয়া সাক্ষাত্কারে বলেন, বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো প্রথমে পিপিপির মাধ্যমে দেয়ার চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু সেভাবে চালু করতে গেলে মিল হস্তান্তর করতে চার থেকে পাঁচ বছর লেগে যাবে। সেখান থেকে বেরিয়ে সরকার লিজ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। লিজের অর্থ হলো, মিলগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে এবং মালিকানায় থাকবে সরকার। পাটকলগুলো ২০ বছর মেয়াদে লিজ দেয়া হবে। তবে লিজ নিয়ে ভালো করতে পারলে মেয়াদ আরো বাড়ানো হবে। কিন্তু চালু করতে না পারলে তা ফেরত নেয়া হবে। বন্ধ পাটকলগুলোর দায়দেনা কে পরিশোধ করবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, দায়দেনা পরিশোধ করবে সরকার। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে। মিলগুলো বুঝিয়ে দেয়ার সময় সেগুলো পরিশোধ করে দেয়া হবে। লোকসানি পাটকল শ্রমিকদের লিজগ্রহীতা কাজে লাগাতে চাইবে কিনা—এ প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, অভিজ্ঞ লোক ছাড়া মিল দ্রুত চালুর কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃত পাটকল মালিকরা মিল চালুর সময় এসব অভিজ্ঞ ও দক্ষ শ্রমিককে খুঁজে বের করবে। তার বিশ্বাস, মিল মালিকরা দক্ষ শ্রমিকদের খুঁজে বের করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেবে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে ভাড়াভিত্তিক লিজ প্রদানের ভিত্তিতে বিজেএমসির অধীন বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো লিজ পদ্ধতিতে চালু করার পক্ষে যে যুক্তি দেখানো হয়েছে তা হলো, লিজ পদ্ধতিতে এগুলো দ্রুত চালু করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে পিপিপি বা যৌথ উদ্যোগ পদ্ধতিতে চালু করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। ১৯৭৭-১৯৯৬ সময়কালে ৪৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর আরো কয়েকটি মিল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পর শেষ পর্যন্ত ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বিজেএমসির অধীনে থাকে, যার মধ্যে ২৫টি চালু অবস্থায়। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এসব পাটকল বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার ফলাফল মোটেই সুখকর হয়নি। বেসরকারি খাতে কম দামে ছেড়ে দেয়া পাটকলগুলোর সম্পদ বিক্রি করে বেসরকারি মালিকরা লাভবান হয়েছেন। মিল বন্ধক রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন, মিল যথাযথভাবে চালাননি, শ্রমিক ছাঁটাই করেছেন। যেসব পাটকল বেসরকারি উদ্যোক্তারা লিজ নিয়েছিলেন, সেগুলোও চলেনি। এখন যে ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ দেয়া হবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে যে একই অবস্থার পুনরাবৃত্তি হবে না, তার নিশ্চয়তা কোথায়?

এদিকে মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে জানা যায়, বেসরকারি পাটকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ) প্রস্তাব করেছে, পাটকলগুলোর লিজের মেয়াদ হতে হবে ৯৯ বছর। তাদের যুক্তি, দীর্ঘ মেয়াদের লিজ হলে বড় পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাংকঋণের মাধ্যমে বিনিয়োগ করে বাণিজ্যিকভাবে মিলগুলোকে লাভজনক করার সুযোগ আছে। স্বল্পমেয়াদি লিজে ব্যাংকঋণ পাওয়া যাবে না। যেহেতু সরকার-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে পাটকলগুলো লিজ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেহেতু তাদের দাবি পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। সেক্ষেত্রে পাটকলগুলোর ওপর সরকারের কোনো প্রকার নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হবে না। সরকারের মালিকানা হবে একটা কাগুজে ব্যাপার মাত্র।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার দেশে ‘সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ‘সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে সরকার রাষ্ট্রপতির এক আদেশে শিল্প-কারখানা, ব্যাংক ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানাদি জাতীয়করণ করে’ (জাতীয় বেতন কমিশন প্রতিবেদন ১৯৯৬)। সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ দেশের মানুষের মনমানসিকতাসহ সার্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না হওয়ায় সত্তরের দশকের শেষভাগে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন জেনারেল জিয়াউর রহমান সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তে ‘মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্থির করেন। অর্থনৈতিক নীতিতে বেসরকারি খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরবর্তী সরকারগুলো মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা শুধু চালু রাখেনি, বরং এ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করায় উদ্যোগী হয়েছে। এ-যাবৎ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতামূলক সহাবস্থানের নীতি অনুসরিত হয়ে আসছে। রাষ্ট্রায়ত্ত অবশিষ্ট ২৫টি পাটকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত উপর্যুক্ত নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে না।

সরকার বলছে, পিপিপির মাধ্যমে এসব পাটকল চালু করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ খাতে পিপিপি পদ্ধতি চালু রয়েছে। পরিবহন খাত, অর্থনৈতিক জোন, পর্যটন খাত, স্বাস্থ্য খাত, আবাসন ও নগরায়ণ খাত, শক্তি খাত, আইটি খাত, শিক্ষা খাত এবং শিল্প খাতে ৫৬টি প্রকল্প পিপিপির মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য নেয়া হয়েছে। শিল্প খাতে গৃহীত চারটি প্রকল্প হলো, ডেমরা টেক্সটাইল মিল উন্নয়ন, টঙ্গী টেক্সটাইল মিল উন্নয়ন, টাঙ্গাইল টেক্সটাইল মিল উন্নয়ন এবং বিটিএমসির ১৩টি টেক্সটাইল মিল প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৯)। এগারো মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো পিপিপির মাধ্যমে চালুকরণ কিছুটা সময়সাপেক্ষ হলেও এ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকত।

বিজেএমসির অধীন বন্ধ থাকা ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের মধ্যে ১৭টিকে লিজে দিতে সংস্থাটি গত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক দরপত্র (এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট) আহ্বান করে। এতে আগ্রহী দেশী ও বিদেশী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিকে ১৫ জুনের মধ্যে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়। পরে বাছাইয়ের পর সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চাওয়া হবে। কোনো মিলের জন্য সমমানভিত্তিক কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাবে সর্বোচ্চ বিবেচিত দরদাতাকে সেটি লিজ দেয়া হবে।

সরকার এসব পাটকল চালুর জন্য লিজ পদ্ধতি বেছে নিয়েছে এবং সে পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। সেখান থেকে ফেরা সম্ভব হবে না। এখন সরকারকে যা নিশ্চিত করতে হবে তা হলো, লিজ প্রদানের ক্ষেত্রে শিল্প খাতে, বিশেষ করে পাট শিল্পে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দেয়া। শুধু বেশি ভাড়া প্রদানের জন্য লিজ দেয়া সঠিক হবে না। দেখতে হবে সর্বোচ্চ দরদাতা কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের এ ফিল্ডে অভিজ্ঞতা আছে কিনা। কারণ অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ভাড়া প্রদান করে লিজ পেলেও মিল চালু করতে না-ও পারে বা পারলেও তা অনেক দেরিতে। বিদেশী দরদাতা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছে লিজ প্রদান অগ্রাধিকার পেতে পারে। এতে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) উৎসাহিত হবে। আর যে বিষয়ে সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে তা হলো, লিজ গ্রহীতা কর্তৃক অবসায়িত পাটকল শ্রমিকদের নিয়োগ দান। মোট কথা, পাটকলগুলো লিজ প্রদানে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সুরক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিতে হবে।

 

মো. আবদুল লতিফ মন্ডল: সাবেক সচিব