ইংরেজি
শিক্ষা নিয়ে
আমরা এখনো
বিতর্কের মধ্যে
আছি। কাদের
এটি কোন
পর্যায় থেকে
শিখতে হবে,
কখন শিখতে
হবে, কোথায়
শিখতে হবে,
কীভাবে শিখতে
হবে ইত্যাদি
বিষয় এখনো
সেভাবে সুরাহা
হয়নি। ঐতিহাসিক
কারণে ভারতের
মতো আমাদের
দেশে দ্বিতীয়
ভাষা হিসেবে
ইংরেজি পেয়েছিল,
কিন্তু সর্বমহলে
তা প্রতিষ্ঠা
করা বা
যথাযথভাবে পরিপোষণ
করা যায়নি।
বর্তমান বিশ্বে
ইংরেজি শুধু
একটি ভাষা
নয়, এটি
একাডেমিক জগতে
শুধু পঠনের
একটি বিষয়
নয়, এটি
সংস্কৃতির বিশ্বায়ন
প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য
অংশ। বিশ্বাঙ্গনে
আমাদের টিকতে
যেসব বিষয়
লাগবে, এটি
তার মধ্যে
অন্যতম। এটিকে
হেলা করার
অবকাশ নেই।
যারা এর
বিরুদ্ধে যুক্তি
প্রদান করেন
তারা প্রায়ই
দেখি জাপান,
চীন ও
রাশিয়ার উদাহরণ
টানেন যে
এসব দেশে
ইংরেজি শেখানো
হয় না,
বাংলাদেশে কেন?
এটি ভুল
ধারণা। এসব
দেশেও ইংরেজি
গুরুত্বের সঙ্গে
শেখানো হয়,
যদিও দেশের
সব নাগরিকদের
জন্য প্রযোজ্য
নয়। আরেকটি
কথা এখানে
গুরুত্বপূর্ণ। আমরা
কিন্তু চীন,
জাপান বা
রাশিয়া নই।
আমাদের অর্থনীতি,
রাজনীতি, বিশ্বনীতি
সবই কিন্তু
তাদের চেয়ে
আলাদা। ওই
দেশগুলো বহুক্ষেত্রেই
নিজেরা স্বয়ংসম্পূর্ণ,
আমরা কি
তা-ই?
ইংরেজি ভাষা
শেখানোর মতো
শিক্ষকের অভাব
যে আমাদের
দেশে রয়েছে,
সেটি তো
একটি প্রতিষ্ঠিত
সত্য। ইংরেজির
শিক্ষক মানে
ভয়েস চেঞ্জ
করানো, ১২টি
টেন্স পড়ানো,
বিভিন্ন ধরনের
বাক্য যেমন
সিম্পল, কমপ্লেক্স,
কম্পাউন্ড—একটি
থেকে অন্যটি
কীভাবে পরিবর্তন
করা হবে
সেই নিয়মগুলো
মুখস্থ করানো,
ডাইরেক্ট স্পিসকে
ইনডাইরেক্টে রূপান্তর
করার নিয়ম
করানো এবং
আলাদা আলাদা,
ছাড়া ছাড়া
বাক্য শেখানো।
গ্র্যামার পড়াতে
হবে কনটেক্সট
অনুযায়ী, ইংরেজি
ভাষা শিখতে
হবে নিজের
জীবনে ব্যবহার
করার জন্য,
সেজন্য দরকার
এটিকে শ্রেণীকক্ষে
সরাসরি ব্যবহার
করা শোনায়,
বলায়, পড়ায়
ও লেখায়।
আলাদা আলাদা
বাক্যে গ্র্যামার
পড়ে সেগুলো
একত্র করে
ভাষায় ব্যবহার
করা যেমন
বিজ্ঞানসম্মত নয়,
তেমনি প্রাকৃতিকও
নয়। শিক্ষার্থীদের
ইংরেজি দক্ষতার
মূল্যায়নও হচ্ছে
সেভাবে, অর্থাৎ
ব্যক্তিগত পর্যায়ে
তারা ভাষা
ব্যবহার করতে
পারছে কিনা
সেটি দেখা
হয় না,
গ্র্যামারের কঠিন
ও দুর্লভ
কিছু নিয়ম
তারা জানে
কিনা সেটি
দেখা হয়।
আমাদের সমাজে
একজন ইংরেজি
শিক্ষকের দক্ষতা
ও যোগ্যতাও
সেভাবে মূল্যায়ন
করা হয়।
কিন্তু এগুলো
নিয়ে কি
কোনো কথা
বা আলোচনা
হয়? এ
ধরনের মূল্যায়নের
ভেতর দিয়েই
বের হচ্ছেন
আমাদের গ্র্যাজুয়েট,
মাস্টার্স পাস
করা শিক্ষার্থীরা।
তারা আবার
এসে শিক্ষকতা
শুরু করেন।
তারা নতুন
করে পড়াবেন
কেন? ইদানীং
কিছু প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা
পড়ানোর প্রতি
ঝুঁকেছে ও
পড়াচ্ছে। কিন্তু
এসব গ্র্যাজুয়েট
তো সহজে
শিক্ষকতায় আসেন
না। এলেও
থাকেন না,
কারণ পেশাটিকে
আমরা সেভাবে
আকর্ষণীয় করতে
পারিনি। দু-চারজন
যারা যোগ
দেন তারা
নতুনভাবে ইংরেজি
পড়ানো শুরু
করলেও তাদের
আশপাশের শিক্ষকরা
তার কড়া
সমালোচনা করেন,
তারা বিচার
করেন পুরনো
ইংরেজি শিক্ষকদের
আদলে ইংরেজি
পড়ানো হচ্ছে
কিনা তার
ওপর। আর
এসব গ্র্যাজুয়েট
শিক্ষকতায় ঢুকলেও
সাধারণত ইংরেজি
মিডিয়ামে ঢোকেন।
অনেক শিক্ষক
আছেন শিক্ষার্থীদের
জোর করে
শব্দের বাংলা
অর্থ মুখস্থ
করান। এগুলো
ইংরেজি শেখানোর
পক্ষে বিরাট
অন্তরায়। দীর্ঘদিনের
প্রচলিত এ
পদ্ধতি কীভাবে
পরিবর্তন করা
যাবে? শিক্ষকরা
ইচ্ছে করলে
অনেকটাই করতে
পারেন। কিন্তু
তাদের মধ্যে
সেই ইচ্ছেটাই-বা
কে জাগাবে?
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ইংরেজিতে
যে সম্মান
ও স্নাতকোত্তর
ডিগ্রি দেয়া
হয় তা
মূলত সাহিত্যকেন্দ্রিক,
ভাষাকেন্দ্রিক নয়।
বিশেষ করে
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়।
প্রাইভেটগুলোয় এখন
মোটামুটি ভাষাকেন্দ্রিক
ডিগ্রি দেয়া
হচ্ছে, পাবলিকে
কোথাও কোথাও
মাস্টার্সে দুটো
স্ট্রিম থাকে—ল্যাংগুয়েজ
ও লিটারেচার।
বেশির ভাগ
শিক্ষার্থী লিটারেচারই
নিয়ে থাকেন।
ঢাকার বাইরে
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে
ইংরেজি সম্মান
শ্রেণীতে অধ্যয়নরত
একজন শিক্ষার্থী
বলছেন, ‘একজন
শিক্ষক তাদের
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
পাস করা,
তিনি অনার্স
ক্লাসে বাংলায়
পড়াচ্ছেন। আর
একজন পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
পাস করা
তিনি তার
লেখা ডায়েরির
বাইরে কিছু
বলেন না।
আমি কোনো
মজা পাচ্ছি
না, ঢাকায়
চলে যাব।’
আমাকে আরো
শিক্ষার্থী বলেছেন,
তারা জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
কলেজে পড়ছেন।
তারা বলছেন,
‘স্যার,
আমাদের শিক্ষকরা
বিসিএস পাস
করা, অথচ
আমাদের ইংরেজি
অনার্স ক্লাসে
পুরো একটি
বাক্যও ইংরেজিতে
বলেন না,
পুরো লেকচার
বাংলায় দিয়ে
যাচ্ছেন, আমরা
ইংরেজি বলা
কোথায় শিখব?
কীভাবে শিখব?’
এই হচ্ছে
ইংরেজি অনার্সের
অবস্থা। তাহলে
ইংরেজি চর্চা
হচ্ছেটা কোথায়?
তবে প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেহেতু
তীব্র প্রতিযোগিতার
মধ্যে দিয়ে
যাচ্ছে, তাই
বেশকিছু প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয় তাদের
শিক্ষার্থীদের ইংরেজির
ভিত শক্ত
করার চেষ্টা
করছে, যাতে
তারা চাকরির
বাজারে সহজে
জায়গা করে
নিতে পারেন।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে পাস
করে যারা
বের হন,
তারা যেসব
প্রতিষ্ঠানে চাকরি
করেন, চাকরির
স্বার্থেই তারা
ব্যবহারিক ইংরেজি
শিখে নেন।
কিন্তু আমার
প্রশ্ন হচ্ছে,
প্রাথমিক ও
মাধ্যমিক পর্যায়ে
ইংরেজি কারা
পড়াবেন, কীভাবে
পড়াবেন? এই
দুই লেভেলে
লাখ লাখ
ইংরেজি শিক্ষক
আছেন। বর্তমানকালের
প্রয়োজন অনুযায়ী
ইংরেজি শেখানো
তাদের কয়জনের
পক্ষে সম্ভব?
রাষ্ট্র থেকে
সে রকম
প্র্যাকটিক্যাল কোনো
তোড়জোড় নেই,
কারণ বিষয়টি
এখনো কিছুটা
বিতর্কের মধ্যে
দিয়ে যাচ্ছে।
সম্ভবত তাই
সরকারও সেভাবে
চাপাচাপি করছে
না। বিশ্ব
কিন্তু তার
আপন গতিতে
এগিয়ে চলছে,
বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার
মধ্য দিয়েই
আমাদের যেতে
হচ্ছে। এ
পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি
প্রাথমিক শিক্ষকদের
জন্য প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয় একটি
প্রশংসনীয় কাজ
করছে। তারা
ব্রিটিশ কাউন্সিলের
মাধ্যমে প্রাথমিক
শিক্ষকদের আন্তর্জাতিক
প্রশিক্ষকদের দ্বারা
ট্রেনিং অব
মাস্টার ট্রেইনার্স
ইন ইংলিশ
(টিএমটিই) নামে
তিন মাসের
একটি কোর্স
করাচ্ছে। এটি
ভাষার ওপরই
করানো হচ্ছে,
ইংরেজিকে আকর্ষণীয়
ও ফলপ্রসূভাবে
শেখানোর ওপর
জোর দেয়া
হচ্ছে।
ইংরেজি মাধ্যম
বিদ্যালয়গুলোয় ইংরেজি
চর্চার একটি
সংস্কৃতি তৈরি
হয়েছে, যদিও
সবগুলোয় নয়।
এখানকার শিক্ষা
কার্যক্রমে পাঠদান,
পরীক্ষা কার্যক্রম
ও মূল্যায়ন
প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক
মান অনুসরণ
করে সম্পন্ন
হয়। ইংরেজি
মাধ্যমে ক্যামব্রিজ,
এডেক্সল, আইবি
ইত্যাদি কারিকুলামের
যেকোনো একটিতে
পড়ালেখা করানো
হয়। এসব
কারিকুলাম বিশ্বব্যাপী
একযোগে একই
ধারায়, একই
শিক্ষাক্রমে শিক্ষাদান
করা হয়।
প্রতি দেশই
নিজস্ব কারিকুলামে
তাদের ভবিষ্যৎ
সন্তানদের লেখাপড়া
করিয়ে থাকে,
যে কারিকুলামের
মধ্য দিয়ে
প্রতিফলিত হয়
জাতীয় কৃষ্টি,
কালচার, ইতিহাস।
এর সঙ্গে
এখন বিশ্বায়নের
ব্যাপারটি যুক্ত
করতে হবে।
একটি দেশ
বিশেষ করে
আমাদের মতো
দেশের কারিকুলাম
হতে হবে
বিশ্বায়নের সঙ্গে
মিল রেখে।
কারণ এই
ছোট দেশ
কয়জন শিক্ষার্থীর,
কয়জন প্রার্থীর
কাজের সুযোগ
করে দিতে
পারছে? প্রতি
বছর যে
পরিমাণ গ্র্যাজুয়েট
বের হচ্ছেন
প্রতিটি ডিসিপ্লিন
থেকে, তাদের
মধ্যে কয়জনকে
সরকারি চাকরি
দিতে পারছে
আর কয়জনকে
অন্যান্য খাত
নিতে পারছে?
বিরাট একটি
অংশ কিন্তু
বিদেশে পাড়ি
জমাচ্ছেন হয়
উচ্চশিক্ষার জন্য
না-হয়
চাকরির জন্য।
দেশের সরকারি
চাকরির বাইরে
যেসব চাকরির
সুযোগ রয়েছে,
সেখানেও ভাষাটির
গুরুত্ব কিন্তু
অনেক। অর্থাৎ
যারা এ
ভাষায় পারদর্শী
তাদেরকে সেসব
প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার
দেয়া হয়।
বাংলা মাধ্যমে
যেখানে মুখস্থ
বিদ্যার ওপর
জোর দেয়া
হয়, সেখানে
ইংরেজি মাধ্যমে
উদ্ভাবনী ও
সৃজনশীলতার ওপর
জোর দেয়া
হয়। বাংলা
মাধ্যম যেখানে
গতানুগতিক, ইংরেজি
মাধ্যম সেখানে
বিশ্বের প্রথম
সারির বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃক প্রতিনিয়ত
পরিবর্তনশীল এবং
বিজ্ঞানসম্মত। শিল্প
বিপ্লবের পর
এবং গত
১৫০ বছরের
বিশ্ব ইতিহাস
পর্যালোচনা করলে
দেখা যাবে
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়
ব্রিটেন ও
আমেরিকাকে অনুসরণ
করছে আধুনিক
নেতৃত্ব ও
জ্ঞান ব্যবস্থাপনার
জন্য। সমাজসংস্কার,
গবেষণা, বৈজ্ঞানিক
আবিষ্কার, সম্পদ
ব্যবস্থাপনা, সামাজিক
অবকাঠামো উন্নয়ন,
চিকিৎসাশাস্ত্রের উদ্ভাবন—অধিকাংশই
ঘটছে ইংরেজি
যেসব দেশের
মাতৃভাষা সেখানে।
আমাদের শিক্ষানীতিতে
ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুল-সংক্রান্ত
সুনির্দিষ্ট কোনো
নীতিমালা নেই।
বিষয়টি অনেকটা
তাচ্ছিল্যের মধ্যে
পড়ে আছে।
আর তাই
দেশে ইংলিশ
মিডিয়াম স্কুলের
সঠিক সংখ্যা
সেভাবে কোথাও
উল্লেখ নেই।
১৯১২ সালে
এসএফ এক্স
গ্রিন হেরাল্ড
ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের
মাধ্যমে আমাদের
দেশে ইংরেজি
মাধ্যম বিদ্যালয়ের
যাত্রা শুরু।
বর্তমানে প্রায়
চার লাখ
শিক্ষার্থী ইংরেজি
মাধ্যমে বিদ্যালয়ে
পড়ে। বিভিন্ন
সূত্র থেকে
জানা যায়,
ইংরেজি মাধ্যম
বিদ্যালয়ের সংখ্যা
চার শতাধিক
হতে পারে।
এগুলোর প্রায়
সবই চলছে
সরকারের নিবন্ধন
ছাড়া। সরকারি
নিবন্ধন বলতে
একটি নিয়ম-শৃঙ্খলার
কথা বোঝায়,
সঙ্গে সঙ্গে
আরেকটি ছবি
চোখের সামনে
ভেসে ওঠে।
সরকারি অনুমোদন
নিতে হলে
কিছু অসাধু
ও অসৎ
কর্মকর্তাকে খুশি
করা। তারা
নানাভাবে বিদ্যালয়
খোলার কিংবা
নিবন্ধন করার
ক্ষেত্রে জটিলতা
সৃষ্টি করবে।
উদ্দেশ্য একটাই—অবৈধ
লেনদেন। তাদের
সঙ্গে দফারফা
করা। কিন্তু
বৈশ্বিক চাহিদা
মোকাবেলার জন্য
ইংরেজি মাধ্যম
বিদ্যালয়ের প্রসার
ঘটাতে হবে।
আর সেগুলোকে
দেখভাল করার
জন্য মন্ত্রণালয়ের
একটি বিশেষ
সেল থাকা
দরকার। মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে বিদ্যালয়গুলোর
যেহেতু তেমন
কোনো কাজ
নেই, তাই
কিছু ইংরেজি
মাধ্যম বিদ্যালয়
স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয়
নেয়। কাজেই
সরকার ও
ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুলগুলোর মাঝে
একটি ব্যালান্স
থাকা দরকার।
ইংরেজি মাধ্যম
বিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন
পদ্ধতি সৃজনশীল।
এখানে মুখস্থ
করা আর
কমন পড়ার
বিষয়টি নেই।
এ কারণে
নেই নিম্নমানের
নোট ও
গাইডের রমরমা
ব্যবসা। আর
ইংরেজির মতো
আন্তর্জাতিক ভাষাটি
তো তারা
বাই-প্রডাক্ট
হিসেবে অর্জন
করছে। বাংলা
মিডিয়ামে যেমনটি
হয়, আসল
লেখাপড়া শিকেয়
তুলে শিক্ষার্থী
ও শিক্ষক
এবং সবাই
নোট ও
গাইডমুখী। কিসের
নিজে লেখা
আর স্পিকিং
উন্নত করা।
পরীক্ষায় প্রশ্ন
কমন পড়ানো
হচ্ছে আসল
কাজ। কোথায়
সৃজনশীলতা আর
কোথায় অর্জিত
জ্ঞান ও
দক্ষতার ব্যবহার?
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে
চিকিৎসা, প্রকৌশলী,
গণিত ও
বিজ্ঞানের পাশাপাশি
শিক্ষার্থীদের ইংরেজির
মতো আন্তর্জাতিক
ভাষায় দক্ষ
করা আজ
দেশী-বিদেশী
সব প্রেক্ষাপটে
শুধু জরুরি
নয়, আবশ্যক
হয়ে পড়েছে।
ইংরেজি এখনো
বিশ্বের সবচেয়ে
দ্রুত ও
মূল্যবান কমিউনিকেশন
মাধ্যম হিসেবে
বিবেচিত হচ্ছে।
তাই মাতৃভাষা
জানার পাশাপাশি
এ ভাষা
যেমন আশীর্বাদ,
তেমনি একটি
মূল্যবান ব্যক্তিগত
সম্পদ। কাজেই
ইংরেজি মাধ্যম
বিদ্যালয়গুলোকে সমালোচনার
জন্য সমালোচনা
না করে
বরং বাংলা
মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরাও
যাতে তাদের
ব্যক্তিজীবনে ইংরেজি
সাফল্যজনকভাবে ব্যবহার
করতে পারে,
সে বিষয়টি
নিশ্চিত করতে
হবে।
মাছুম বিল্লাহ: শিক্ষা গবেষক, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত










