প্রথমেই
বিদ্যুৎ
খাতের
সাফল্যের
বয়ান
দিয়ে
শুরু
করছি:
২০২১
সালের
জুলাইয়ের
শেষে
বাংলাদেশের
জনগণের
৯৮
শতাংশেরও
বেশি
বিদ্যুৎ
সুবিধার
আওতায়
এসে
গেছে।
এই
ঐতিহাসিক
সাফল্যের
জন্য
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা,
প্রধানমন্ত্রীর
জ্বালানি
ও
বিদ্যুৎ
উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী
চৌধুরী
এবং
প্রতিমন্ত্রী
নসরুল
হামিদকে
অভিনন্দন।
একই
সঙ্গে
এ
খাতের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও
অভিনন্দন।
একটি
আধুনিক
অর্থনীতিতে
বিদ্যুৎ
একটি
‘মৌল প্রয়োজন’
বা
‘বেসিক নিড’।
একুশ
শতকের
বিশ্বে
অর্থনৈতিক
উন্নয়নের
অন্যতম
প্রধান
চাবিকাঠি
ধারণ
করে
রয়েছে
শতভাগ
জনগণকে
বিদ্যুৎ
সুবিধার
আওতায়
আনা।
৫০
বছরে
পা
রেখেছে
স্বাধীন
বাংলাদেশ,
এ
সময়ে
২০০৯
সাল
পর্যন্ত
বিদ্যুতের
ব্যাপারে
পর্বতপ্রমাণ
ব্যর্থতার
কোনো
তুলনা
হয়?
২০০১-০৬
মেয়াদের
বিএনপি-জামায়াত
নেতৃত্বাধীন
জোট
সরকারের
সময়
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
বাড়ার
পরিবর্তে
প্রায়
১
হাজার
১০০
মেগাওয়াট
কমে
৩
হাজার
২০০
মেগাওয়াটে
এসে
দাঁড়িয়েছিল।
শুধু
বিদ্যুতের
খাম্বা
বসিয়েই
শত
শত
কোটি
টাকা
লোপাট
করা
হয়েছিল
ওই
সময়ে।
টঙ্গীর
৮০
মেগাওয়াটের
একটা
‘পিকিং প্লান্ট’
ছাড়া
ওই
পাঁচ
বছরে
আর
কোনো
বিদ্যুৎ
প্লান্ট
নির্মাণ
করা
হয়নি।
কিন্তু
এ
সত্ত্বেও
বিএনপি
নেতারা
বড়
গলায়
তাদের
শাসনামলের
সাফল্যের
ফিরিস্তি
দেন!
প্রতিদিন
দফায়
দফায়
লোডশেডিংয়ের
ওই
মহাসংকটের
কথা
হয়তো
জনগণ
এতদিনে
ভুলে
গেছে।
বর্তমান
সরকার
ক্ষমতাসীন
হওয়ার
পর
গত
এক
যুগে
এ
মহাসংকট
সামাল
দিয়ে
৯৮
শতাংশ
জনগণকে
বিদ্যুতের
আওতায়
নিয়ে
এসেছে,
অভিনন্দন
নিঃসন্দেহে
তাদের
প্রাপ্য।
পাঠকদের
জ্ঞাতার্থে
জানাই,
রুশ
বিপ্লবের
মহান
নেতা
লেনিনকে
একবার
প্রশ্ন
করা
হয়েছিল,
বিপ্লব
কাকে
বলে?
লেনিন
উত্তর
দিয়েছিলেন,
বিপ্লব
হলো
দ্রুত
বিদ্যুতায়ন।
তিনি
শুধু
ওটুকু
বলেই
ক্ষান্ত
হননি।
সবচেয়ে
বেশি
অগ্রাধিকার
দিয়ে
পুরো
সোভিয়েত
ইউনিয়নকে
দ্রুততম
সময়ে
বিদ্যুৎ
নেটওয়ার্কের
আওতায়
নিয়ে
আসার
নির্দেশ
জারি
করেছিলেন,
যার
ধারাবাহিকতায়
১৯৩৩
সালে
সোভিয়েত
প্রথম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনার
সমাপ্তি
পর্যায়েই
৮৭
লাখ
বর্গমাইল
আয়তনের
বিশ্বের
সর্ববৃহৎ
দেশটির
প্রায়
পুরোটাই
বিদ্যুতায়নের
সুবিধা
অর্জন
করেছিল।
বাংলাদেশের
আয়তনের
১৫৭
গুণ বড় সোভিয়েত
ইউনিয়নকে
মাত্র
১৮
বছরে
বিদ্যুতের
আওতায়
নিয়ে
আসা
যে
কত
বড়
সাফল্য
ছিল,
তা
উপলব্ধি
করা
কঠিন
বৈকি!
অন্যদিকে
মাত্র
৫৫
হাজার
বর্গমাইলের
সামান্য
বেশি
আয়তনের
বাংলাদেশকে
শতভাগ
বিদ্যুৎ
সুবিধার
আওতায়
আনতে
আমাদের
স্বাধীনতা
অর্জনের
পর
৫০
বছর
লেগে
গেল!
তবুও
শেখ
হাসিনাকে
অভিনন্দন
বিদ্যুৎ
উৎপাদনকে
গত
এক
যুগে
যথাযোগ্য
অগ্রাধিকার
প্রদানের
জন্য।
এবার
আসি
সাফল্যের
পাশাপাশি
জ্বালানি
ও
বিদ্যুৎ
খাতের
বেশ
কয়েকটি
অবিশ্বাস্য
ব্যর্থতার
আলোচনায়।
সবচেয়ে
বড়
ব্যর্থতা
২০১২
সালের
ইন্টারন্যাশনাল
ট্রাইব্যুনাল
অন
লস
অব
দ্য
সি’স
(ইটলস) এবং
২০১৪
সালের
দ্য
হেগের
আন্তর্জাতিক
আদালতের
দুটো
ঐতিহাসিক
রায়ের
মাধ্যমে
মিয়ানমার
ও
ভারতের
বিরুদ্ধে
মামলা
জিতে
১
লাখ
১৮
হাজার
বর্গকিলোমিটার
এলাকার
সমুদ্রসীমার
ওপর
বাংলাদেশের
সার্বভৌমত্ব
প্রতিষ্ঠার
পর
নয়
বছর
এবং
সাত
বছর
অতিক্রান্ত
হওয়া
সত্ত্বেও
বঙ্গোপসাগরের
২৩টি
তেল-গ্যাস
অনুসন্ধান
ব্লক
ইজারা
দেয়ার
প্রক্রিয়া
সম্পন্ন
করতে
না
পারা।
বাংলাদেশের
স্থলভাগের
আয়তন
যেখানে
মাত্র
১
লাখ
৪৪
হাজার
বর্গকিলোমিটারের
সামান্য
বেশি,
সেখানে
১
লাখ
১৮
হাজার
বর্গকিলোমিটার
সমুদ্রসীমার
ওপর
অর্থনৈতিক
নিয়ন্ত্রণ
অর্জন
যে
বাংলাদেশের
জন্য
কত
বড়
সৌভাগ্য,
সেটা
দেশবাসী
সঠিকভাবে
উপলব্ধি
করতে
পারছে
কিনা
জানি
না!
এ
ব্যর্থতা
সত্যিই
বিস্ময়কর।
সমুদ্র
ব্লকগুলোয়
তেল-গ্যাস
আহরণের
জন্য
বিভিন্ন
বিদেশী
কোম্পানিকে
‘প্রডাকশন শেয়ারিং
কনট্রাক্ট’-এর
ভিত্তিতে
ব্লকের
ইজারা
প্রদানের
ব্যাপারে
জ্বালানি
মন্ত্রণালয়ের
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
প্রক্রিয়া
নাকি
থমকে
আছে
বিভিন্ন
শক্তিধর
দেশের
লবিং
থেকে
উদ্ভূত
টানাপড়েনের
কারণে।
নিচের
বিষয়গুলো
বিবেচনা
করুন:
সেন্ট
মার্টিনে
বাংলাদেশ
ও
মিয়ানমারের
সমুদ্রসীমার
অদূরে
২০০৪
সালে
প্রায়
৪
ট্রিলিয়ন
কিউবিক
ফিট
গ্যাস
আবিষ্কৃত
হয়েছে।
ওই
গ্যাস
এখন
পুরোটাই
চীনে
রফতানি
করছে
মিয়ানমার।
ভারত
এ
গ্যাসের
একটা
অংশ
পাইপলাইনের
মাধ্যমে
বাংলাদেশের
ভূখণ্ডের
ওপর
দিয়ে
নিজেদের
দেশে
আমদানি
করার
জন্য
বাংলাদেশকে
রাজি
করাতে
আপ্রাণ
চেষ্টা
করেছিল
২০০১-০৬
মেয়াদের
বিএনপি-নেতৃত্বাধীন
জোট
সরকারের
সময়।
প্রস্তাবিত
ওই
চুক্তিতে
এমন
শর্তও
রাখা
হয়েছিল
যে
বাংলাদেশের
ভূখণ্ডের
ওপর
দিয়ে
যাওয়া
পাইপলাইনের
হুইলিং
চার্জ
তো
বাংলাদেশ
পাবেই,
তদুপরি
বাংলাদেশের
প্রয়োজন
হলে
ওই
গ্যাসের
একটা
অংশ
বাংলাদেশ
কিনতেও
পারবে।
তত্কালীন
সরকার
সে
প্রস্তাব
গ্রহণ
করেনি।
দেড়
দশক
ধরে
বাংলাদেশ
যে
ক্রমবর্ধমান
গ্যাস
সংকটে
জর্জরিত
হচ্ছে,
সেটা
একেবারেই
হতো
না
ওই
প্রস্তাব
গ্রহণ
করলে!
এখন
চার-পাঁচ
গুণ
দাম
দিয়ে
এলএনজি
আমদানি
করছি।
এরপর
শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বাধীন
মহাজোট
সরকার
২০০৯
সালে
ক্ষমতাসীন
হওয়ার
পর
ওই
অঞ্চলের
নিকটবর্তী
বাংলাদেশের
সমুদ্রসীমায়
একটি
ব্লক
দক্ষিণ
কোরিয়ার
দাইউ
কোম্পানিকে
তেল-গ্যাস
আহরণের
জন্য
ইজারা
দিয়েছিল।
দাইউ
যথাযথ
প্রস্তুতি
এবং
সরঞ্জাম
নিয়ে
ওই
অঞ্চলে
তেল-গ্যাস
এক্সপ্লোরেশন
চালানোর
জন্য
কয়েকটি
জাহাজ
নিয়ে
উপস্থিত
হলে
সেখানে
মিয়ানমারের
নৌবাহিনী
তাদের
বাধা
দেয়
এবং
ফিরে
আসতে
বাধ্য
করে।
মিয়ানমারের
যুক্তি
ছিল
যে
ওই
অঞ্চলের
সমুদ্রসীমার
মালিক
মিয়ানমার,
বাংলাদেশের
কোনো
অধিকার
নেই
ওখানে
তেল-গ্যাস
অনুসন্ধানের।
ইটলসের
রায়ে
ওই
বিরোধপূর্ণ
অঞ্চলের
মালিকানা
এখন
পেয়ে
গেছে
বাংলাদেশ,
কিন্তু
গত
নয়
বছরেও
ওখানে
নতুন
এক্সপ্লোরেশন
শুরু
করতে
পারেনি
বাংলাদেশের
পক্ষ
থেকে
কোনো
ইজারাদার
কোম্পানি।
এই
অক্ষম্য
বিলম্বের
কারণে
মিয়ানমার
যে
এ
সমুদ্রাঞ্চলের
ভূগর্ভস্থ
গ্যাস
তুলে
নিঃশেষ
করে
দিচ্ছে,
সে
গ্যাস
তো
বাংলাদেশও
পেতে
পারত।
কারণ
সন্নিহিত
অঞ্চলগুলোর
ভূগর্ভে
গ্যাসের
মজুদ
তো
শুধু
মিয়ানমারের
নিয়ন্ত্রণাধীন
সমুদ্রসীমায়
সীমাবদ্ধ
থাকতে
পারে
না।
বাংলাদেশের
সমুদ্রসীমায়
ওখানে
গ্যাস
পাওয়া
যাবেই,
এটা
প্রায়
নিশ্চিত
মনে
করেন
বিশেষজ্ঞরা।
হয়তো
এমন
বিলম্বের
কারণে
কয়েক
ট্রিলিয়ন
ঘনফুট
গ্যাস
থেকে
বঞ্চিত
হচ্ছে
বাংলাদেশ!
বাংলাদেশের
১
লাখ
১৮
হাজার
বর্গকিলোমিটার
অর্থনৈতিক
সমুদ্রসীমায়
আরো
প্রায়
২৩টি
ব্লক
ইজারা
দেয়ার
সুযোগ
রয়েছে
তেল-গ্যাসসহ
অন্যান্য
খনিজ
সম্পদ
অনুসন্ধানের
জন্য,
কিন্তু
গত
নয়
ও
সাত
বছরে
এ
ব্যাপারে
কোনো
অগ্রগতিই
পরিলক্ষিত
হয়নি।
এ
ব্লকগুলো
পাওয়ার
জন্য
বিভিন্ন
শক্তিধর
দেশের
বহুজাতিক
করপোরেশনগুলো
পর্দার
আড়ালে
প্রচণ্ড
লবিং
চালিয়ে
যাচ্ছে
বলে
শোনা
যায়।
এত
দিনেও
সরকারের
নীতিনির্ধারকদের
কোনো
সিদ্ধান্তে
আসতে
না
পারাটা
বড়ই
রহস্যজনক
বৈকি!
দ্বিতীয়
ব্যর্থতা
হলো,
রেন্টাল
ও
কুইক
রেন্টাল
বিদ্যুৎ
প্লান্টগুলোর
মেয়াদ
ফুরানোর
পাঁচ
বছর
পরও
চুক্তিগুলো
এখনো
বাতিল
না
করা।
বাংলাদেশের
বিদ্যুৎ
উৎপাদনের
ক্যাপাসিটি
এখন
২৪
হাজার
মেগাওয়াট
ছাড়িয়ে
গেছে,
অথচ
বর্তমানে
ব্যবহূত
বিদ্যুৎ
১০
হাজার
মেগাওয়াটের
নিচেই
থাকছে।
এর
মানে
আমরা
এখন
গড়ে
ক্যাপাসিটির
৪০
শতাংশের
বেশি
বিদ্যুৎ
ব্যবহার
করতে
পারছি
না।
এ
অবস্থায়
এসব
‘সাদা হাতি’
রেন্টাল/কুইক
রেন্টাল
প্লান্টগুলো
চালু
রাখা
হচ্ছে
কার
স্বার্থে?
সম্প্রতি
আরেকটি
অবিশ্বাস্য
ব্যর্থতার
খবর
পাওয়া
গেল
পায়রা
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির
নির্মাণ
সম্পন্ন
হওয়ার
পর।
পায়রা
থেকে
ফরিদপুরের
ভাঙ্গা
হয়ে
ঢাকা
পর্যন্ত
বিদ্যুৎ
ট্রান্সমিশন
লাইনের
নির্মাণকাজে
বিলম্বের
ফলে
পায়রা
প্লান্টের
বিদ্যুৎ
জাতীয়
গ্রিডে
সঞ্চালন
করতে
নাকি
আরো
কয়েক
মাস
লেগে
যাবে।
কিন্তু
পায়রা
বিদ্যুৎকেন্দ্রের
চীনা
কর্তৃপক্ষের
সঙ্গে
চুক্তির
শর্ত
মোতাবেক
বিদ্যুৎ
কিনতে
না
পারলেও
এ
ব্যর্থতার
দায়ভার
নিয়ে
বাংলাদেশ
সরকারকে
প্রতি
মাসে
১৩০
কোটি
টাকা
করে
ক্ষতিপূরণ
গুনতে
হচ্ছে
চীনাদের
কাছে।
কতখানি
অবিশ্বাস্য
এ
গাফিলতি!
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
শুরুর
কয়েক
মাস
আগেই
যেখানে
ট্রান্সমিশন
লাইন
স্থাপনের
সহজতর
কাজটি
সম্পন্ন
হওয়ার
কথা,
সেখানে
যাদের
দোষে
বাংলাদেশ
এই
কয়েকশ
কোটি
টাকা
ক্ষতির
শিকার
হলো,
তাদের
বিচার
আদৌ
হবে
কি?
সব
শেষে
যে
ব্যর্থতাটির
কথা
বলব
সেটা
হলো,
সৌরবিদ্যুৎ
উৎপাদনে
যথাযথ
গতিসঞ্চারে
ব্যর্থতা।
নবায়নযোগ্য
বিদ্যুতের
উৎপাদনকে
সত্যিকার
অগ্রাধিকার
প্রদান
আমাদের
জন্য
জরুরি,
শুধু
সোলার
হোম
সিস্টেমের
দ্রুত
বিস্তার
হচ্ছে
জেনে
আত্মতৃপ্তির
কোনো
অবকাশ
নেই।
দেশের
পুরো
সেচ
ব্যবস্থাকে
এতদিনে
সোলার
পাম্পের
আওতায়
আনা
খুবই
সম্ভব
ছিল,
কিন্তু
প্রয়োজনীয়
আগ্রহের
অভাবে
এক্ষেত্রে
আমাদের
অর্জন
অনুল্লেখ্য।
কৃষিজমির
মালিকদের
সরকারি
অর্থায়নে
সোলার
প্যানেল
স্থাপন
করে
দিয়ে
পাম্প
ও
ব্যাটারির
ব্যয়
তাদের
ওপর
ন্যস্ত
করার
ব্যবস্থা
গড়ে
তোলা
হলে
এবং
সেচ
ব্যবস্থা
রক্ষণাবেক্ষণের
দায়িত্বও
তাদের
হাতে
ছেড়ে
দেয়া
হলে
এ
ব্যাপারে
ব্যাপক
সাড়া
মিলত
বলেই
আমার
দৃঢ়
বিশ্বাস।
আমরা
দুর্গম
এলাকায়
সোলার
হোম
সিস্টেমের
দ্রুত
প্রসারে
সাফল্য
অর্জন
করেছি
বলে
সরকার
দাবি
করলেও
আমাদের
মোট
বিদ্যুৎ
উৎপাদনের
অতি
ক্ষুদ্র
অংশ
এখনো
সৌরবিদ্যুৎ
থেকে
পাওয়া
যাচ্ছে।
ভিয়েতনাম
যেখানে
ছাদভিত্তিক
সৌরবিদ্যুৎ
উৎপাদনকে
৯
হাজার
মেগাওয়াটে
উন্নীত
করেছে,
সেখানে
এ
দেশের
ছাদভিত্তিক
সৌরবিদ্যুৎ
উৎপাদন
এখনো
৫০০
মেগাওয়াটেও
পৌঁছতে
পারেনি।
বাংলাদেশের
‘সাসটেইনেবল অ্যান্ড
রিনিউয়েবল
এনার্জি
ডেভেলপমেন্ট
অথরিটি’
(এসআরইডিএ) তাদের
নব্য
ঘোষিত
ন্যাশনাল
সোলার
এনার্জি
রোডম্যাপে
৩০
হাজার
মেগাওয়াটের
সোলার
এনার্জির
টার্গেট
অর্জনের
সুপারিশ
করেছে,
যার
মধ্যে
১২
হাজার
মেগাওয়াট
সৌরবিদ্যুৎ
ছাদভিত্তিক
সোলার
প্যানেল
থেকে
আহরণের
পরিকল্পনা
করা
হয়েছে।
কিন্তু
এ
রোডম্যাপ
ঘোষণার
পর
বেশ
কিছুদিন
অতিবাহিত
হলেও
বাস্তবে
এ
টার্গেট
পূরণের
কোনো
কর্মসূচি
আজও
গৃহীত
হলো
না!
বিশেষজ্ঞদের
মতে,
১২
হাজার
মেগাওয়াটের
মধ্যে
৫
হাজার
মেগাওয়াট
শুধু
পোশাক
ও
বস্ত্র
কারখানাগুলোর
ছাদ
ব্যবহার
থেকে
পাওয়া
যেতে
পারে,
আর
সরকারি-বেসরকারি
বিভিন্ন
ভবনের
ছাদ
ব্যবহারের
মাধ্যমে
আরো
২
হাজার
মেগাওয়াট
পাওয়া
যাবে।
প্রয়োজন
হবে
সোলার
প্যানেল
ও
ব্যাটারির
ভর্তুকি
দাম
কর্মসূচি
বাস্তবায়ন
এবং
যুগোপযোগী
‘নেট মিটারিং’
পদ্ধতি
চালু
করা।
‘নেট মিটারিং’
থেকে
যেহেতু
জনগণ
সরাসরি
ব্যয়
সাশ্রয়ের
মাধ্যমে
উপকৃত
হয়,
তাই
ছাদভিত্তিক
সৌরবিদ্যুৎ
উৎপাদন
জনপ্রিয়
হতে
মোটেও
বিলম্ব
হবে
না।
ভিয়েতনাম
ছাড়াও
গণচীন,
থাইল্যান্ড,
ভারত
ও
জার্মানি
ছাদভিত্তিক
সোলার
পাওয়ার
উৎপাদনে
চমকপ্রদ
সাফল্য
অর্জন
করেছে।
সোলার
প্যানেল
ও
‘ব্যাটারি’ স্থাপনে
সুনির্দিষ্ট
ভর্তুকি
প্রদান
এবং
ভর্তুকি
দামে
‘নেট মিটারিং’
স্থাপনে
প্রণোদনা
প্রদান
এসব
দেশের
সাফল্য
অর্জনের
প্রধান
উপায়
হিসেবে
চিহ্নিত
হয়েছে।
‘নেট মিটারিং’
ব্যবস্থায়
যেহেতু
জাতীয়
গ্রিড
থেকে
বিদ্যুৎ
ব্যবহারকারীদের
মাসিক
বিদ্যুৎ
বিল
প্রায়
শূন্যের
কোটায়
নামিয়ে
আনার
পাশাপাশি
উদ্বৃত্ত
সোলার
পাওয়ার
সরকারের
কাছে
বিক্রয়
করে
আয়
বৃদ্ধির
ব্যবস্থা
করা
যায়,
সেজন্য
এ
ছাদভিত্তিক
সোলার
এনার্জি
উৎপাদনকে
এসব
দেশে
দ্রুত
জনপ্রিয়
করা
সম্ভব
হয়েছে।
এই
‘নেট-মিটারিং’
প্রযুক্তি
গণচীন
থেকে
এখন
সুলভে
আমদানি
করা
যাচ্ছে।
অথচ
এক্ষেত্রে
আমাদের
অগ্রগতি
একেবারেই
নগণ্য
রয়ে
গেল।
সম্প্রতি
সরকারের
উপদেষ্টা
ও
প্রতিমন্ত্রী
ব্যবসায়ীদের
কাছে
‘নেট মিটারিং’
স্থাপনের
প্রচারণা
চালাচ্ছেন,
কিন্তু
সাধারণ
জনগণের
বসতবাড়ির
ছাদগুলোকে
এ
সুবিধার
আওতায়
আনা
হবে
না
কেন?
ড. মইনুল
ইসলাম: একুশে পদকপ্রাপ্ত
অর্থনীতিবিদ
অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়










