ফেসবুকের
সিইও
মার্ক
জাকারবার্গ
গত
২৮
অক্টোবর
একটি
ঘোষণা
দেন।
ঘোষণা
অনুসারে
ফেসবুক
ইনকরপোরেটেডকে
মেটা
প্লাটফর্মস
ইনকরপোরেটেড—
সংক্ষেপে
মেটা
নামকরণ
করা
হয়।
বিশ্বের
বিভিন্ন
অঞ্চলের
বিশেষজ্ঞদের
মতে,
এটি
মূলত
সাম্প্রতিক
কালে
আমেরিকায়
কোম্পানিটির
কারণে
সৃষ্ট
নানা
ধরনের
বিতর্ক
থেকে
মুক্তি
পাওয়ার
একটি
মরিয়া
চেষ্টা
হিসেবে
নেয়া
হয়েছে।
এখানে
উল্লেখ
করা
প্রয়োজন
যে
ফেসবুকের
২৯০
কোটি
ব্যবহারকারীর
মধ্যে
২৭০
কোটি
ব্যবহারকারী
যুক্তরাষ্ট্রের
বাইরে
বসবাস
করেন।
এ
কথাও
উঠে
এসেছে
যে
ফেসবুকের
গতিশীলতা
বুঝতে
না
পারা
বা
সে
অনুযায়ী
কাজ
করতে
না
পারার
কারণে
অনেকে
হয়রানি,
সহিংসতা,
বিষণ্নতার
মতো
মানসিক
সমস্যায়
ভুগছেন।
মিয়ানমারের
কথা
ভাবা
যেতে
পারে।
সেখানকার
২
কোটি
৩০
লাখ
লোক
ফেসবুক
ব্যবহার
করে।
মিয়ানমারের
ফেসবুক
ব্যবহারকারীদের
অবস্থা
সেখানে
দিনকে
দিন
খারাপ
হয়ে
চলেছে।
দেশটির
সামরিক
সরকার
ফেসবুককে
ব্যবহার
করে
দেশের
মুসলিম
সংখ্যালঘু
রোহিঙ্গাদের
বিরুদ্ধে
গণহত্যার
প্রচারণা
চালিয়েছে।
মানবাধিকার
সংস্থাগুলো
২০১৮
সাল
থেকে
রোহিঙ্গাবিরোধী
এ
প্রচারণাকে
হত্যা,
সহিংসতা
ও
ধর্ষণের
মাধ্যমে
সাম্প্রতিক
সময়ের
সর্ববৃহৎ
মানব
স্থানান্তরের
কারণ
বলে
অভিযুক্ত
করছে।
জাতিসংঘের
একটি
নিরীক্ষা
থেকে
ধারণা
করা
হয়,
হাজার
হাজার
রোহিঙ্গাকে
হত্যা
করা
হয়েছে
এবং
সাত
লক্ষাধিক
রোহিঙ্গা
বাংলাদেশে
আশ্রয়
গ্রহণ
করেছে।
আন্তর্জাতিক
আদালত
এ
‘রোহিঙ্গা মুক্ত
অভিযান’
পরিচালনার
বিষয়ে
তদন্ত
করেন।
সে
সময়ে
ফেসবুক
জানায়
যে,
তাদের
কাছে
এ
ঘটনার
নেপথ্য
কর্তাদের
সম্পর্কে
তথ্য
আছে।
কিন্তু
সে
তথ্য
প্রদান
করার
ব্যাপারে
ফেসবুক
কর্তৃপক্ষ
সম্মত
হয়নি।
একই
ঘটনা
ঘটেছে
নাইজেরিয়ায়।
সেখানে
ফেসবুক
ব্যবহারকারীর
সংখ্যা
তিন
কোটি
এবং
দেশটিতে
বহুদিন
ধরে
বিদ্বেষমূলক
প্রচার
চলতে
দেয়া
হয়েছে।
অ্যাক্টিভিস্টদের
মতে,
এসব
প্রচারের
মধ্যে
জাতিগত
ঘৃণা
ছড়ানোর
মাধ্যমে
বহু
হত্যা
সংঘটিত
হয়েছে।
নাইরোবির
মানবাধিকার
কর্মী
বেরহান
তায়ি
সাম্প্রতিক
সময়ে
‘দ্য গার্ডিয়ান’কে
বলেছেন,
নেতিবাচক
ফেসুবক-কনটেন্ট—যেখানে
শিশু
নির্যাতনের
ভিডিও
পর্যন্ত
আছে—সম্পর্কে
বহুদিন
ধরে
আপত্তি
জানানোর
পরও
অবস্থার
তেমন
উন্নতি
হয়নি।
তায়ি
বলেন,
‘মানবাধিকার, সম্পদ
বা
ভাষার
ক্ষেত্রে,
আর্থিক
মুনাফা
না
এলে
সেখানে
বিনিয়োগ
করতে
তারা
আগ্রহী
নয়।’
বিষয়টি
দুঃখজনক।
একইভাবে,
নোবেল
শান্তি
পুরস্কারজয়ী
সর্বশেষ
নোবেল
লরিয়েট
মারিয়া
রেসা
উল্লেখ
করেন
যে
ফিলিপাইনের
সাড়ে
সাত
কোটির
অধিক
অধিবাসী
ফেসবুক
ব্যবহার
করে
এবং
সেখানে
প্রেসিডেন্ট
রদ্রিগো
দুতার্তের
অধীনে
গণতন্ত্রচর্চা
কমে
যাওয়ার
পেছনে
ফেসবুক
অন্যতম
প্রধান
অনুষঙ্গ
হিসেবে
কাজ
করেছে।
তিনি
যুক্ত
করেন,
‘ফেসবুক অ্যালগরিদম
অনেক
ক্ষেত্রে
প্রকৃত
ঘটনার
তুলনায়
মিথ্যার
সঙ্গে
ক্রোধ
এবং
ঘৃণা
মিশিয়ে
উপস্থাপন
করা
বিষয়গুলো
প্রচারে
প্রাধান্য
দেয়।
এ
কথাও
উল্লেখ
করা
হয়েছে
যে,
মাদকের
বিরুদ্ধে
দেশটির
বিচারবহির্ভূত
যুদ্ধের
ক্ষেত্রে
মাদক
ব্যবসায়ী
হিসেবে
সন্দেহভাজন
হাজারো
মানুষকে
হত্যার
ক্ষেত্রে
তাদের
লক্ষ্য
হিসেবে
বাছাইয়ের
ক্ষেত্রে
ফেসবুককে
ব্যবহার
করা
হয়েছিল।
এ
ধরনের
ঘটনা
সামনে
আসার
পর
ফেসবুক
স্বীকার
করেছে
যে,
বহু
দেশের
প্রেক্ষাপটে
তারা
ভুল
করেছে
কিন্তু
তাদের
দাবি,
এর
কোনোকিছুই
উদ্দেশ্যমূলকভাবে
করা
হয়নি।
কিন্তু
এখানেই
ঘটনার
শুরু
বা
শেষ
কোনোটিই
নয়।
স্মরণ
করা
যেতে
পারে
যে
২০১৪
সালে
যখন
জানা
গেল
২০১২
সালে
ফেসবুক
তার
সাত
লাখ
ব্যবহারকারীর
অজ্ঞাতে
তাদের
সাইকোলজি
টেস্ট
করেছিল,
তখন
প্রতিষ্ঠানটির
সুনামের
ওপর
নেতিবাচক
প্রভাব
পড়ে।
২০১৬
সালে
ভিয়েতনাম
যুদ্ধের
ছবি
এবং
‘ডাকোটা অ্যাকসেস
পাইপলাইন
প্রটেস্ট’
সম্পর্কিত
ভিডিও
সেন্সর
করার
মধ্য
দিয়ে
প্রতিষ্ঠানটি
পুনরায়
বিপদে
পড়ে।
২০১৬
সালে
যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের
সময়
প্রচুর
ভুল
তথ্য
ছড়ানোর
জন্যও
প্লাটফর্মটিকে
অভিযুক্ত
করা
হয়।
২০১৭
সালে
প্রমাণিত
হয়
যে
যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের
সময়
কয়েকশ
রাশিয়ান
ফেক
আইডি
থেকে
বিজ্ঞাপনের
মাধ্যমে
প্রায়
১
দশমিক
২৫
লাখ
ডলার
খরচ
করা
হয়।
এ
পর্যায়ে
প্রাসঙ্গিকভাবে
মনে
স্মরণ
করা
যায়,
২০১৯
সালে
এনবিসি
নিউজ
প্রচুর
পরিমাণে
গোপন
দলিল
হাতে
পায়
এবং
তা
প্রকাশ
করে।
ব্যবহারকারীদের
তথ্য
ব্যবহার
করে
আরো
শক্তিশালী
হয়ে
ওঠা
এবং
একসঙ্গে
এর
মাধ্যমে
প্রতিদ্বন্দ্বীদের
মোকাবেলা
এবং
সমমনাদের
সহযোগিতা
করা
সম্পর্কিত
ফেসবুকের
পরিকল্পনা
প্রকাশিত
হয়।
২০১৮
সালে
কেমব্র্রিজ
অ্যানালিটিকা
স্ক্যান্ডালের
মধ্য
দিয়েও
এটি
একটি
ধাক্কা
খায়।
এর
মধ্যে
লাখ
লাখ
ব্যবহারকারীর
ব্যক্তিগত
ও
রাজনৈতিক
তথ্য
তাদের
অনুমতি
ব্যতিরেকেই
কেমব্রিজ
অ্যানালিটিকায়
প্রেরণ
করা
হয়।
এ
তথ্য
ব্যবহার
করে
ফেসবুক
২০১৬
সালের
নির্বাচনে
ভোটারদের
প্রভাবিত
করে।
প্রতিষ্ঠানটির
ইতিহাসে
বৃহত্তম
এ
তথ্য
কেলেঙ্কারির
জন্য
প্রতিষ্ঠানটিকে
৫০০
কোটি
ডলার
জরিমানা
করা
হয়।
এ
আবিষ্কারের
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
বিষয়গুলো
মিডিয়ার
ক্ষেত্রে
বিস্তৃতি
লাভ
করেছে।
দ্য
নিউইয়র্ক
টাইমস
উল্লেখ
করেছে
যে
ফেসবুক
কর্তৃপক্ষ
ভারতের
চলমান
ঘটনাবলি
এবং
প্রভাবের
পরিপ্রেক্ষিতে
এখনো
বিমূঢ়।
এখানে
আন্তর্জাতিকভাবে
স্বীকৃত
২২টি
ভাষাভাষী
৩৪
কোটি
মানুষ
ফেসবুক
ব্যবহার
করে।
কেবল
দুটি
ভাষার
ওপর
নির্ভর
করে
দেশটিতে
ব্যবহারকারীদের
ওপর
নজরদারি
করার
মতো
সামর্থ্য
ফেসবুকের
নেই।
এ
খামতির
কারণে
তথ্যবিভ্রাটের
মাধ্যমে
সংঘটিত
হওয়া
ভারতের
জাতিগত
বিরোধ,
সহিংসতা
রোধ
করা
সম্ভব
হচ্ছে
না।
দেশটিতে
নির্দিষ্ট
কিছু
সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের
বিরুদ্ধে
সহিংসতা
বেড়েই
চলছে।
দেখা
যাচ্ছে,
সাম্প্রতিককালে
ফেসবুক
নানা
কেলেঙ্কারির
মধ্যে
নিজেকে
জড়িয়ে
ফেলেছে।
ফলে
বিশেষজ্ঞরা
মনে
করেন,
নতুন
ব্র্যান্ডিং
শেষ
পর্যন্ত
বৃহৎ
সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যমটির
আরেকটি
ব্যর্থতায়
পরিণত
হবে।
আরো
চিহ্নিত
করা
গেছে
যে
কেবল
সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যম
হিসেবে
ফেসবুকের
পরিবর্তনের
জন্য
নয়
বরং
মেটাভার্সকে
এগিয়ে
নিয়ে
যাওয়াও
নাম
পরিবর্তনের
একটি
উদ্দেশ্য।
এক্ষেত্রে
প্রতিষ্ঠানের
সিইও
মার্ক
জাকারবার্গ
বলতে
বাধ্য
হয়েছেন,
‘সময়ের সঙ্গে
সঙ্গে
আমরা
একে
মেটাভার্স
কোম্পানি
হিসেবে
দেখব
এবং
আমি
আমাদের
কাজ
ও
পরিচয়কে
এগিয়ে
নিয়ে
যেতে
চাই।
এটা
এক
ধরনের
ভালো
চেষ্টা
কিন্তু
ভেতরকার
অনেক
মানুষ
মনে
করে
যে
সাম্প্রতিক
সময়ে
ফেসবুক
যে
ধরনের
সংকটের
মধ্য
দিয়ে
গেছে
তাতে
খুব
তাড়াতাড়ি
এ
সমস্য
থেকে
উত্তরণ
সম্ভব
হবে
না।
আরো
সামনে
এগোনোর
আগে
বুঝতে
এবং
চিহ্নিত
করতে
হবে
যে,
ফেসবুকের
নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট
কিছু
সীমা
লঙ্ঘন
এবং
বর্তমান
অবস্থা
ফেসবুকের
চলমান
কর্মকাণ্ডে
প্রভাব
ফেলেছে।
এর
মধ্যে
(১) ভাষাগত
সংকটের
কারণে
ইংরেজি
ভাষাভাষী
নয়
এমনসব
দেশের
লাখ
লাখ
পোস্ট
নিয়ে
কাজ
করা
কঠিন
হয়ে
ওঠে;
(২) অ্যালগরিদম
বুঝতে
না
পারা
এবং
(৩) আর্টিফিশিয়াল
ইন্টেলিজেন্স
কাজ
করে
না
এমনসব
ক্ষেত্রে
কোনো
পদক্ষেপ
না
নেয়া—কোম্পানিটি
বিদ্বেষমূলক
পোস্টের
ক্ষেত্রে
কেবল
৩
থেকে
৬
শতাংশ
এবং
সহিংসতার
ক্ষেত্রে
দশমিক
৬
শতাংশ
ঘটনায়
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করে।
নভেম্বরে
যুক্তরাষ্ট্রের
নির্বাচনের
পর
৬
জানুয়ারি
ক্যাপিটল
হিলে
ট্রাম্পিস্টদের
হামলার
ক্ষেত্রে
তাদের
কার্যক্রম
চিহ্নিত
করতে
না
পারার
কারণেও
ফেসবুকের
বিরুদ্ধে
অভ্যন্তরীণ
এবং
বাহ্যিক
অষন্তোষ
তৈরি
হয়।
স্মরণ
করা
যেতে
পারে
যে,
ফ্রান্সিস
হিউগেন
কর্তৃক
সিকিউরিটিজ
অ্যান্ড
এক্সচেঞ্জ
কমিশনে
তথাকথিত
‘ফেসবুক পেপারস’
ফাঁস
হওয়ার
পর
ইউএস
পার্লামেন্টের
একটি
কমিটির
সামনে
ইউএস
কংগ্রেসে
সাক্ষ্য
দেয়া
হয়
যে,
মানুষের
নিরাপত্তার
তুলনায়
ফেসবুক
মুনাফাকে
প্রাধান্য
দেয়।
তিনি
অভ্যন্তরীণ
বহু
নথিপত্র
সাপেক্ষে
আরো
দাবি
করেন
যে
কোম্পানিটি
জানত
তাদের
কার্যক্রমের
মাধ্যমে
ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়াচ্ছে
এবং
শিশুদের
মানসিক
স্বাস্থ্যও
ঝুঁকির
মুখে।
ফেসবুককে
নতুন
করে
ব্র্যান্ডিংয়ের
ক্ষেত্রে
কোম্পানির
তরফ
থেকে
নেয়া
পদক্ষেপটি
বিশ্লেষক
এবং
বিশেষজ্ঞদের
দিয়ে
খুবই
সতর্কতা
ও
যত্নের
সঙ্গে
বাস্তবায়ন
করা
হচ্ছে।
অন্যান্য
প্রধান
ও
গুরুত্বপূর্ণ
কোম্পানিগুলোর
ক্ষেত্রে
নতুন
করে
ব্র্যান্ডিংয়ের
ক্ষেত্রে
যে
সমস্যাগুলো
দেখা
গিয়েছিল
সেদিকে
তারা
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করেছেন।
তারা
২০০১
সালে
ব্রিটিশ
পেট্রোলিয়ামের
‘বিয়ন্ড পেট্রোলিয়াম’
হয়ে
ওঠার
বিষয়টির
উল্লেখ
করেন,
যা
কিনা
জীবাশ্ম
জ্বালানির
বাজারে
নিম্নমুখী
প্রভাব
ফেলেছিল।
এরপর
তারা
নবায়নযোগ্য
শক্তি
বা
পরিবেশবান্ধব
জ্বালানির
ক্ষেত্রে
তাদের
কার্যক্রম
অব্যাহত
রাখতে
পারেনি।
পরবর্তী
সময়ে
২০১০
সালে
বিশ্বের
অন্যতম
জটিল
পরিবেশ
সংকট
ডিপওয়াটার
হরাইজন
অয়েল
স্পিলের
পর
এর
সুনাম
নষ্ট
হয়।
ট্রপিকানা
অরেঞ্জ
জুসের
ক্ষেত্রে
নাম
বদলের
আরেকটি
বিখ্যাত
ঘটনা
ঘটেছিল।
২০০৯
সালে
কোম্পানিটি
এর
বহু
পরিচিত
প্যাকেজিংয়ের
বাহ্যিক
নকশা
বদলে
ফেলে।
তারা
ভাবেইনি
এর
ফলে
নতুন
প্যাকেজিংয়ে
পণ্যটি
চিনতে
ক্রেতাদের
অসুবিধা
হতে
পারে।
ফলে
বিক্রির
পরিমাণ
প্রায়
২০
শতাংশ
কমে
যায়
এবং
কোম্পানিটি
এর
পুরনো
পরিচিত
নকশায়
ফিরে
যেতে
বাধ্য
হয়।
একইভাবে
২০০৭
সালে
ইরাকে
১৪
জন
বেসামরিক
নাগরিক
হত্যার
পর
বেসরকারি
নিরাপত্তা
প্রতিষ্ঠান
‘ব্ল্যাকওয়াটার’ প্রথমে
‘এক্সই সার্ভিসেস’
এবং
পরে
‘একাডেমি ট্রেনিং
সেন্টার
ইনকরপোরেটেড’
নামকরণ
করে।
নাম
বদল
করেও
সুনাম
ফিরিয়ে
আনার
ক্ষেত্রে
কোম্পানিটি
ব্যর্থ
হয়ে
২০১৪
সালে
বন্ধ
হয়ে
যায়।
তবে
২০০৩
সালে
ফিলিপ
মরিস
সিগারেট
কোম্পানির
অ্যাট্রিয়া
নামকরণ,
ব্র্যান্ড
নাম
পরিবর্তনের
একটি
অখ্যাত
উদাহরণ।
এর
ফলে
তামাক
কোম্পানির
পরিপ্রেক্ষিতে
যে
ক্ষতি
হয়েছিল
তা
থেকে
কোম্পানিটির
অন্যান্য
ব্র্যান্ড
যেমন
ক্রাফট
ফুডস
এবং
মিলার
ব্রিউইংয়ের
সুনাম
রক্ষা
করা
কঠিন
হয়ে
দাঁড়ায়।
ব্র্যান্ডিং
গুরু
অ্যালেন
অ্যাডামসন
এখানে
এমনকি
ফিলিপ
মরিসের
উদাহরণও
ব্যবহার
করেছেন,
যা
কিনা
ব্যবসায়
হিতে
বিপরীত
হয়েছিল
এবং
মনে
করা
হয়,
ফেসবুকের
ক্ষেত্রেও
তেমন
কিছু
হতে
পারে।
সময়
এসেছে
একে
একে
ধেয়ে
আসা
প্রতিকূলতা
পেরিয়ে
ফেসবুককে
এর
নিজস্ব
উন্নতির
বিষয়টা
নিয়ে
চিন্তাভাবনা
করার।
এক্ষেত্রে
তারা
নতুন
করে
ইতিবাচক
একটি
ধারণা
বিশ্বকে
দিতে
পারে
যে,
ভবিষ্যতে
জলবায়ু-নিরপেক্ষ
অর্থনীতিতে
বিশ্বকে
সহায়তা
এবং
পথনির্দেশ
দিতে
ফেসবুক
সহায়তা
করবে।
সহজ
কথায়,
তারা
অংশীদার
হতে
পারে
বা
অন্তত
গুরুত্বপূর্ণ
একটি
উপাদান
হিসেবে
আবির্ভূত
হবে।
তথ্য
বিস্তার
বা
তথ্য
পরিবহনকে
সহজতর
করে
সরবরাহ
ব্যবস্থায়
আনার
মাধ্যমে
সে
কাজটি
করা
সম্ভব।
এর
মাধ্যমে
উৎপাদনকারী,
ভোক্তা
ও
পুনরুৎপাদনকারীদের
অধিকতর
টেকসই,
বৃত্তীয়
ব্যবস্থায়
কাজ
করা
সম্ভব
হবে।
চলমান
বিপ্লবে
নিজেকে
যুক্ত
করার
মাধ্যমে
প্রতিষ্ঠানটি
নিজেকে
সময়ের
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
উপাদান
হিসেবে
প্রতিষ্ঠা
করতে
সক্ষম
হবে।
মোহাম্মদ জমির: সাবেক রাষ্ট্রদূত, পররাষ্ট্র
তথ্য অধিকার ও সুশাসন বিশ্লেষক










