আমাদের দেশে যেখানে সেখানে থুথু ফেলার দৃশ্য অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। এ কাজটি মোটামুটি আমরা সবাই-ই হরহামেশা করে থাকি। তবে যথেচ্ছাচারে থুথু ফেললে শাস্তি পেতে হবে, এমন কথা আমরা কল্পনাই করতে পারি না। ভেবে দেখেছেন কখনো, ধরেন আপনি সৌদি আরবের রাস্তায় হাঁটছেন, দিগ্বিদিক না ভেবে থুথু ফেললেন। এরপর আবার যথারীতি হাঁটছেন। মিনিট দশেকের মধ্যে দেশটির পুলিশ আপনার সামনে চলে এল। এসেই ১০০ রিয়াল জরিমানা করে বসল। অপরাধ আপনি প্রকাশ্যে রাস্তায় থুথু ফেলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কী করবেন আপনি?
কেবল সৌদি নয়, অবাক হলেও সত্যি পরিবেশের কথা ভেবে থুথু ফেলার বিষয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রকমফের শাস্তির বিধান রয়েছে। সিঙ্গাপুরে প্রকাশ্যে থুথু ফেললে দেশটির প্রচলিত আইনে গুনতে হবে জরিমানা। লন্ডনের রাস্তায় থুথু, টিস্যু কিংবা সিগারেট ফেললে এ অপরাধের মাফ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের রাজ্য অ্যারিজোনাতে প্রকাশ্যে থুথু ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ধরা পড়লে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা দেয়া লাগতে পারে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও থুথু ফেললে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। গঙ্গায় বর্জ্য বা থুথু ফেললে তিন বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার রুপি জরিমানার বিধান রেখে ২০১১ সালে ভারতে আইন করা হয়। একই বিষয়ে ২০১৫ সালের আরেকটি আইনে বলা হয়েছে, মুম্বাইয়ের রাস্তায় থুথু বা পানের পিক ফেললে ৫ হাজার রুপি জরিমানা এবং পাঁচদিন পর্যন্ত দেশটির সরকারি দপ্তর ও রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। তবে বাংলাদেশেও যে এ বিষয়ে আইন নেই, তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশেও রয়েছে আইন, কিন্তু আমরা কতজনইবা এটা জানি!
বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৬০(১) ধারায় ‘আবর্জনা বাক্স ও পিকদানী’ শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের সুবিধাজনক স্থানে পর্যাপ্ত সংখ্যক আবর্জনা ফেলার বাক্স ও পিকদানী থাকতে হবে।’ পাশাপাশি ৬০(২) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, ‘কোন প্রতিষ্ঠানের আঙিনার মধ্যে কেউ বাক্স বা পিকদানী ছাড়া ময়লা বা থুথু ফেলতে পারবেন না। ৬০(৩) ধারায় আরো বলা হয়েছে, ‘এই বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’ এর পরও কী দেশে যেখানে সেখানে থুথু ফেলা বন্ধ হয়েছে? না দেশের কোথাও শাস্তির বিধান কার্যকর হয়েছে? এ তো গেল প্রচলিত আইনের সবচেয়ে ছোট অপরাধ, মামুলি বিধানের কেচ্ছা। বাকি সবের কী অবস্থা! যাপিতজীবনে যেসব আইন আমরা প্রতিনিয়তই ভাঙছি, দিনের পর দিন অকার্যকর হয়ে নামেমাত্র দালিলিক বিধান হিসেবে পড়ে আছে। সেদিকে এবার একটু চোখ বোলানো যাক।
রাজধানীর অন্তত ১১০টি সড়ক সংযোগ বা সিগন্যালে ডিজিটাল ট্রাফিক সিস্টেম মানে লাল-সবুজ-হলুদ বাতির স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু রয়েছে। তবে এ সিগন্যাল সিস্টেম কেবল দেখাই যায়, মূলত কাজের হয়ে উঠতে পারেনি। দেখা যায় লাল বাতিতে গাড়ি চলছে, আবার সবুজ বাতিতে আটকে যাচ্ছে যানবাহন। সিগন্যালগুলো নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারা, বাঁশি আর লাঠিতে।
ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে ২০০১-০২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়। ২৫ কোটি টাকা খরচের এ প্রকল্প এক বছরও টেকেনি। এর পর আবার বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২০১২-১৩ অর্থবছরে ‘ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় ১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯টি ইন্টারসেকশনে বসানো হয় সিগন্যাল বাতি। এবারো কাজের কাজ হয়নি। কিছুদিন চলার পর অবস্থা যা-তাই। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সরকার ঢাকার ৪৩টি ট্রাফিক সিগন্যাল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেয়। এতে গুলশানের হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া ঢাকার অধিকাংশ সিগন্যালে অবস্থার বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। মোটের ওপর বলা যায়, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত অকার্যকরই রয়ে গেছে।
নগরের সৌন্দর্য রক্ষায় ২০১২ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘দেয়াল লিখন ও পোস্টার লাগানো (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১২’। শুনতে খারাপ লাগলেও এটা সত্যি, যে জনপ্রতিনিধিদের সর্বসম্মতিতে আইনটি প্রণয়ন করা হয়, কিন্তু তাদেরই প্রচার ও প্রতিযোগিতার পোস্টারে আজ নগরীর দেয়ালগুলোয় ইঞ্চি পরিমাণ ফাঁকা পাওয়া মুশকিল। আইনটিতে ৬ নং এর অপরাধ ও দণ্ডের ১, ২ ও ৩ ধারায় স্পষ্টভাবে শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, ‘কেউ এ অপরাধ করলে সর্বনিম্ন শাস্তি ৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে অনধিক ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।’ এমনকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পোস্টার, রেক্সিন বা ইলেট্রনিক মাধ্যমসহ ব্যানার-বিলবোর্ড লাগালে, ঝুলিয়ে বা টানিয়ে দিলে সুবিধাভোগী ব্যক্তিকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে আইনে। তবে কে করবে এ প্রয়োগের কাজ! আইন আছে, আছে শাস্তির বিধানও, কিন্তু কে পরাবে বিড়ালের গলায় এ ঘণ্টা?
দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা চরম মাত্রায় বায়ুদূষণে ভুগছে। বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়। ‘বিশ্বের বায়ুর মান প্রতিবেদন-২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। কয়েক মাস ধরে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায়ও ঢাকার অবস্থান শীর্ষ পাঁচের মধ্যে দেখা গেছে। এমনকি টানা কয়েকদিন দ্বিতীয় শীর্ষ দূষিত শহরের অবস্থানেও ছিল ঢাকা। গত ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে দ্বিতীয় শীর্ষ দূষিত শহর হিসেবে ঢাকার বায়ুমানের সূচক (একিউআই) ছিল ২০৪, মাপকাঠিতে যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। মূলত প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে তথ্য দেয় এবং মানুষের জন্য কতটা স্বাস্থ্যঝুঁকির তা জানায়। ২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো—ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা। আমরা সবাই জানি কীভাবে এ শহরে দূষণ বাড়ছে, অথচ দূষণরোধে কঠোর বিধিমালা থেকেও তা অকার্যকর হয়ে আছে। বায়ুদূষণ রোধে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত বছর ‘বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২২’ প্রণয়ন করে। এতে বায়ুদূষণসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সরকারের মন্ত্রী পর্যায়েও তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঢাকায় বায়ুদূষণ বিপজ্জনক ও লজ্জার বলে মন্তব্য করে রাজধানীর দুই মেয়র ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের ওইদিন বলেন, ‘আজকে আমাদের লজ্জার ব্যাপার, বাংলাদেশ আজকে উন্নয়ন অর্জনে বিশ্বের বিস্ময়, সেই বাংলাদেশের রাজধানীর বায়ুদূষণ খুবই বাজে ও বিপজ্জনক অবস্থায়। অত্যন্ত লজ্জার বিষয় এবং এটা অবশ্যই মনুষ্যসৃষ্ট।’ দূষণ কমাতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায় আছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মন্ত্রীর আক্ষেপের ঠিক দুদিন আগে ৫ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ তোলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। বায়ুদূষণ রোধে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে উচ্চ আদালত বলেন, ‘দূষণের মাধ্যমে মানুষকে মেরে ফেলা হচ্ছে। বায়ুদূষণের হাত থেকে মানুষকে বাঁচান।’ আদালত কিংবা মন্ত্রীর এ স্বীকারোক্তির পরও কার কী আসে যাচ্ছে! দূষণরোধে সংশ্লিষ্টরা কতটাই দায়িত্বশীল হওয়ার চেষ্টা করেছেন! যদি বিধিমালা কার্যকর হতোই তাহলে নিশ্চয় দূষণ তালিকার শীর্ষে ঢাকার নাম দেখা লাগত না।
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে হামাগুড়ি দিয়ে চলা এসব আইন, বিধিমালা বা নিয়মের সংখ্যা নেহাত কম নয়, পদে পদে দেখা মিলবে। ধরুন, দেশে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ রয়েছে, কিন্তু এর কার্যকারিতা চোখে দেখবেন না। নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ রয়েছে, কিন্তু এর সুষ্ঠু প্রয়োগ বা অধিকাংশ মানুষই জানে না। আর প্রয়োগকারী সংস্থা যাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চয়তা দেয়ার কথা, তাদের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। মাঝে মধ্যে আওয়াজ দিতেই অভিযান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টার তর্জন-গর্জন আর সংবাদমাধ্যমের কাভারেজ শেষ, তো নিরাপদ খাদ্য নিশ্চয়তাও উধাও। পাশাপাশি ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫ রয়েছে দেশে। ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইনটি করা হলেও এর বর্তমান হাল কী, তা আপনিও জানেন। পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ বলে দেশে একটি আইন রয়েছে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন হয়নি। ২০১০-১১ সালে আইনটি প্রণয়নের প্রথমদিকে একটু হইচই হয়েছিল বৈকি, এর পরই তা পলিথিনে আবারো মুড়িয়ে গেছে।
একইভাবে দেশে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮, কপিরাইট আইন-২০০০, কৃষি বিপণন আইন-২০১৮, জাতীয় পরিবেশ নীতি-২০১৮, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন-২০১০, পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন-২০১৭, বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ আইন-২০১৪, বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) আইন-২০১৬, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশুখাদ্য, বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর বাড়তি খাদ্য ও উহা ব্যবহারের সরঞ্জামাদি (বিপণন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র আইন-২০২১ কিংবা সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮সহ বেশকিছু আইন বা বিধিমালা রয়েছে। তবে এসবের বর্তমান হালহকিকত বা প্রায়োগিক কার্যকারিতা সম্পর্কে নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ বা তথ্য অধিকার আইন-২০০৯-এর মতো কিছু আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আবার অপপ্রয়োগের যথেষ্ট অভিযোগও আমরা হরহামেশা দেখতে পায়।
তবে মনে রাখতে সব দোষ কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একার নয়। আপনি আমি যেকোনো আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কতটুকু সহযোগিতা করছি, সেটা খেয়াল করা খুব দরকার। সমন্বিত উদ্যোগ, চেষ্টা ছাড়া বড় কোনো কাজ একার পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, এ বেলায়ও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না নিশ্চয়। প্রত্যেকটি আইন প্রণয়ন করা হয় রাষ্ট্রের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি, সমস্যা ও সংকট মোকাবেলা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসাধারণেরই স্বার্থে। কিন্তু সে আইন থেকেও যদি মানুষের কাজে না লাগে, রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর হয়ে উঠতে না পারে—তাহলে এ আইন কিসের জন্য! আইনের সাতপাঁচ না বোঝা খেটে খাওয়া লোকটা সরল ভাষায় আফসোস করে সেজন্য বলে—‘এসব আইন লইয়্যা আমরা কী করিব...।’
আনিসুর সুমন: সাংবাদিক










