পৃথিবীতে শিক্ষার ইতিহাস অতি প্রাচীন। মানুষ যখন রান্নার কৌশল শেখেনি, বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে জীবন নির্বাহ করত, তখন থেকে মানুষের শিক্ষার যাত্রা শুরু। তখন প্রকৃতি থেকে একজন কোনো কিছু জানলে বা শিখলে তা অন্যকে বলত ও জানাত। এভাবে আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষ তার জ্ঞান বৃদ্ধি করত। জ্ঞানই সভ্যতার ভিত্তি। অক্ষর আবিষ্কারের আগেই মানুষ অনেক জ্ঞান অর্জন করে ফেলে। একমাত্র স্মৃতিশক্তিই ছিল তখন জ্ঞান সংরক্ষণের উপায়। তখন মানুষ তার অর্জিত জ্ঞানের কথা অন্যের কাছে বলে যেত, কলাকৌশল শিখিয়ে যেত। এভাবে পুরনো আর নতুন জ্ঞান মিলে মানুষের জ্ঞানভাণ্ডার বৃদ্ধি পেত। বর্ণ আবিষ্কারের বয়স খুব বেশি নয়, চার হাজার বছরেরও কিছু কম। বর্ণ আবিষ্কারের পর মানুষের অর্জিত জ্ঞান বর্ণে বন্দি হয়ে যায়। ফলে জ্ঞান যেমন হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়, তেমনি জ্ঞানের বিস্তরণও বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীকালে নানা বিবর্তনের মাধ্যমে এ জ্ঞানের বিস্তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। গড়ে ওঠে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষা জীবনের মূল ভিত্তি। আর এ ভিত্তিকে মজবুত করে যে সম্পর্ক, তা হলো ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক। এটি কেবল দুটি মানুষের মধ্যে জ্ঞান আদান-প্রদানের একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি পবিত্র রসায়ন, যা বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও স্নেহের সংমিশ্রণে একটি নতুন মানুষ ও একটি উন্নত জাতি গঠনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
প্রাচীনকালে এ সম্পর্ককে দেখা হতো গুরু-শিষ্য পরম্পরার দৃষ্টিকোণ থেকে, যেখানে গুরুর স্থান ছিল ঈশ্বরের পর এবং শিষ্যের একমাত্র কাজ ছিল আনুগত্য ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন। সময়ের বিবর্তনে সমাজের চাহিদা যেমন পাল্টেছে, তেমনি এ সম্পর্কের রসায়নও পেয়েছে এক নতুন মাত্রা। বর্তমান যুগে শিক্ষকের ভূমিকা কেবল জ্ঞান বিতরণকারীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন একজন পথপ্রদর্শক ও পরামর্শদাতা। এ আধুনিক প্রেক্ষাপটে, সম্পর্কের রসায়ন তখনই পরিপূর্ণতা পায় যখন শিক্ষক তার নিজস্ব অর্জিত শিক্ষা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে শিক্ষার্থীর জীবনকে আলোকিত করেন।
‘ছাত্র’ সংস্কৃত শব্দ। ‘ছাত্র’ শব্দের আভিধানিক অর্থ শিক্ষার্থী, বিদ্যার্থী বা শিষ্য। কিন্তু শব্দটির মূল অর্থ ছিল ‘যে গুরুর দোষ ঢেকে রাখে’। গুরু সংস্কৃত শব্দ, এর অর্থ ‘পরামর্শদাতা, পথপ্রদর্শক, বিশেষজ্ঞ বা শিক্ষক’। ‘গু’ শব্দের অর্থ অন্ধকার এবং ‘রু’ শব্দের অর্থ যিনি দূর করেন। সুতরাং মনের অজ্ঞান রূপ অন্ধকার যিনি দূর করেন তিনিই গুরু। আর শিষ্টাচার, ক্ষমা ও কর্তব্যের মধ্য দিয়ে যিনি ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেন তিনিই শিক্ষক। গুরু ও শিক্ষক সমার্থক শব্দ। তবে সব শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষাগুরু হয়ে উঠতে পারেন না। শিক্ষাগুরুর মর্যাদা সবার ওপরে। যুগে যুগে গুরু-শিষ্য বা ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক ছিল শ্রদ্ধা-ভক্তি ও স্নেহ-ভালোবাসার। প্রাচীনকালে ছাত্র শিক্ষকের বাড়িতে থাকতেন। সেখানে সে শিক্ষকের কাছ থেকে দৈনন্দিন আচার ব্যবহার, ধর্মকর্ম, কৃষিকাজ, জীবনযাপন, শিল্প-সংস্কৃতি সবই শিখতেন। এ শিক্ষার নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস ছিল না। যেমন দুনিয়ার সেরা সেতার বাদক পণ্ডিত রবিশঙ্করের গুরু ছিলেন উস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ। পণ্ডিত রবিশঙ্কর উস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁকে খুব শ্রদ্ধা করতেন। উস্তাদও খুব স্নেহ করতেন। শ্রদ্ধা ও স্নেহে গুরু-শিষ্যের সম্পর্কের গভীরতা ছিল অপরিসীম।
ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা দেখি, প্রাচীনকালে ছাত্র শিক্ষকের (গুরু) বাড়িতে থাকতেন। শিক্ষকের সঙ্গে শুধু বিদ্যা নয় বরং জীবনের জন্য যা যা দরকার, ধীরে ধীরে সবকিছু শিখতেন। শিক্ষকের সংসারের সব কাজকর্ম, মাঠঘাট দেখাশোনা, গৃহপালিত পশুপালন, দৈনন্দিন আচার-ব্যবহার, ধর্মকর্ম সবকিছু শেখার সুযোগ পেতেন। এজন্য ছাত্রকে কোনো অর্থ দিতে হতো না। লেখাপড়ার কোনো নির্দিষ্ট কোর্স কারিকুলাম ছিল না। সময় নির্দিষ্ট ছিল না। কতদিনে লেখাপড়া শেষ হবে সবকিছু শিক্ষকের ওপর নির্ভর করত। শিক্ষক নিজের জীবন থেকে বছরের পর বছর, মাসের পর মাস, দিনের পর দিন ছাত্রকে শিক্ষা দিতেন। কখনো কখনো ছাত্র শিক্ষকের পরিবারের সদস্য হয়ে যেতেন। যেদিন শিক্ষক ছাত্রের প্রতি সম্পূর্ণ পরিতৃপ্ত হয়ে আশীর্বাদ দিতেন, সেদিন শিক্ষা শেষ হতো। এখানে ডিগ্রির কোনো বিশেষ নামও ছিল না। ছাত্র-শিক্ষকের এ সম্পর্ক আমৃত্যু বজায় থাকত।
কাজী কাদের নওয়াজ রচিত শিক্ষাগুরুর মর্যাদা কবিতায় শিক্ষকের মর্যাদার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। মোগল বাদশাহ আলমগীরের ছেলে ও দিল্লি শহরের তার একজন মাদ্রাসা শিক্ষক (ওস্তাদ) সম্পর্কে একটি বিখ্যাত গল্প অবলম্বনে কবিতাটি রচিত। শিক্ষক একদিন ছাত্রকে বললেন—বৎস, আমি নামাজের জন্য অজু করব, তুমি পাত্র থেকে পানি ঢেলে দাও আমার পায়ের ওপর। ছাত্র শিক্ষকের পায়ের ওপর পানি ঢালতে থাকলেন, শিক্ষক অজু করছিলেন। বাদশাহ আলমগীর দূর থেকে বিষয়টি লক্ষ করলেন। তিনি পরের দিন শিক্ষককে (মৌলভী) দরবারে ডেকে পাঠালেন। মৌলভী অত্যন্ত বিচলিত হলেন এই ভেবে হয়তো-বা তার কোনো অপরাধ হয়েছে। তিনি ভীত দ্বিধান্বিত হয়ে বাদশাহ আলমগীরের দরবারে হাজির হলেন। বাদশাহ আলমগীর মৌলভীকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি লক্ষ করেছি আমার ছেলে আপনার অজুর পানি ঢেলে দিচ্ছে, আপনি অজু করছেন, কিন্তু আমার ছেলের উচিত ছিল, নিজ হাতে ওস্তাদের পা ধুয়ে দেয়া। আমার ছেলে প্রকৃত আদব শিখছে না। মৌলভী এ কথা শুনে বাদশাহ আলমগীরের মহৎ হৃদয়ের পরিচয় পেলেন, গর্বিত বক্ষ ও উন্নত শিরে রাজদরবার থেকে বাদশাহ আলমগীরকে কুর্নিশ করে বিদায় নিলেন। বাদশাহ আলমগীর প্রত্যাশা করেছিলেন তার সন্তান পানি ঢেলে নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেবেন। তবেই না তার সন্তান নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। বাদশাহ আলমগীর উপলব্ধি করেছিলেন যে ছাত্র শিক্ষকের সেবা করতে জানে না, সে কখনো পরিবার, সমাজ ও দেশের উপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে না।
একটি কার্যকরী এবং ফলপ্রসূ ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য কিছু বিশেষ উপাদানের প্রয়োজন, যা এ রসায়নকে আরো দৃঢ় করে তোলে। একটি শ্রেণীকক্ষকে শুধু পাঠ্যপুস্তকের আলোচনা কেন্দ্রে পরিণত না করে তা যদি উন্মুক্ত আলোচনার একটি মঞ্চ হয়ে ওঠে, তবে শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের মতামত ও নতুন ধারণা প্রদান ও গ্রহণ করতে শেখে। একজন বন্ধুসুলভ শিক্ষকের সাহচর্যে একজন অন্তর্মুখী ছাত্রও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। একজন শিক্ষক যখন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি লালিত বন্ধন গড়ে তোলেন, তখন শিক্ষার্থীরা তার ওপর নির্ভর করতে শেখে। এ নিবিড় বন্ধন থেকেই জন্ম নেয় অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা, যা শিক্ষার্থীকে শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষ হতেও শেখায়।
যখন এ পবিত্র রসায়নে ফাটল ধরে, তখন পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্পর্কের অবনতির পেছনে কারণগুলো প্রায়ই দ্বিমুখী। শিক্ষক যখন তার মহান পেশাকে শুধু একটি ‘চাকরি’ বা জীবিকা হিসেবে দেখেন, অতিরিক্ত প্রশাসনিক চাপ বা আর্থিক অসংগতির কারণে পেশাগত আদর্শ থেকে বিচ্যুত হন, তখন সম্পর্কের রসায়ন দুর্বল হয়ে যায়। নৈতিকতা ও আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো শিক্ষক যখন ক্ষমতার অপব্যবহার করেন, তখন তিনি শিক্ষার্থীর মনে শ্রদ্ধার আসনটি হারান।
ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের এ রসায়নকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে সমাজের সব স্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। রাষ্ট্রকে যেমন শিক্ষকের মর্যাদা, আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি শিক্ষক সমাজকেও নিজেদের নৈতিকতা ও পেশাগত আদর্শের প্রতি অবিচল থাকতে হবে।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক হলো গাছের শিকড়ের মতো। শিকড় মজবুত হলে গাছ যেমন ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও টিকে থাকে, তেমনি এ সম্পর্কের রসায়ন মজবুত হলে জীবনের যেকোনো প্রতিকূলতা মোকাবেলা করার শক্তি অর্জন করা যায়। এটি কেবল একটি সম্পর্ক নয়, এটি একটি শিল্প, যার মূল উপাদান হলো নিঃশর্ত ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা।
নানা কারণে আমাদের দেশে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি ঘটছে। সার্বিকভাবে মূল্যবোধের অবক্ষয় এর প্রধান কারণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেজুড়ভিত্তিক ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি ছাত্র-শিক্ষক সুন্দর সম্পর্কের এক বড় প্রতিবন্ধক। অনেক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এলাকাভিত্তিক ইজমপ্রীতি এতই প্রকট যে তা পরস্পরকে শত্রুভাবাপন্ন করে তোলে। অনেক সময় শিক্ষকদের মাঝেও নৈতিক অবক্ষয় দেখা যায়, ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষকসমাজের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান কমে যায়। তাই আগামী দিনের সুন্দর অর্থবহ শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরির জন্য পারস্পরিক দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের রসায়নও আরো জোরদার হওয়া জরুরি।
পিতা-মাতা আমাদের জন্ম দেন, কিন্তু শিক্ষক তার অর্জিত শিক্ষা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সেই জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন। শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকরা আমাদের জীবনসূধা। যে মাতৃ কিংবা পিতৃস্নেহে তারা শিক্ষার্থীদের বড় করেন তার তুলনা নেই। এজন্য জীবনভর শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে তারা গেঁথে থাকেন পরম মমতায়। তাদের কথাবার্তা, দিক নির্দেশনা, জীবনবোধ, চালচলন, পোশাক আশাক—সবই শিক্ষার্থীদের পাঠ্য। শিক্ষার্থীদের মনে কত গভীরভাবে এগুলো প্রথিত হয় তা অনেক সময় শিক্ষকরাও অনুমান করতে পারেন না। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে বর্তমানে প্রফেসর বলা হয়। প্রফেসর শব্দটি লাতিন শব্দ থেকে আসা, যার অর্থ ‘person who professes’। প্রাচীনকালে প্রফেসররা প্রফেসি জানতেন। তাদের ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা দেখে অনুসারী তৈরি হতো। পরবর্তীকালে সক্রেটিস-প্লেটো-অ্যারিস্টটল যুগে তাদের অনুসারীরা মনে করতেন তাদের গুরুরাও প্রফেসি জানেন। এভাবে একসময় জ্ঞানী-গুণী মানুষের অনুসারীরা তাদেরকে প্রফেসর বলা শুরু করলেন। প্রফেসররা কাল-মহাকাল, সমাজ-রাষ্ট্র, দেশ-জাতির ভবিষ্যৎ বলতেন, নির্দেশনা দিতেন তাদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা থেকে। তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নতুন নতুন জ্ঞান মানুষের কাছে উপস্থাপন করতেন। তাই সব শিক্ষকই প্রফেসর হয়ে উঠতে পারেন না। প্রফেসর হতে হলে দৈবজ্ঞানের অধিকারী হতে হয়, জ্ঞান সাধনায় নিমগ্ন হতে হয়। যারা শিক্ষার্থীদের জীবন চলার পাথেয় হয়ে ওঠেন।
প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্বের প্রায় সব দেশে বিশ্ব শিক্ষক দিবস বা ‘ওয়ার্ল্ড টিচার্স ডে’ পালিত হয়। দিনটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি শিক্ষা ও সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানানোর একটি মহৎ উপলক্ষ। জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেস্কোর উদ্যোগে এটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। শিক্ষকের মূল্যায়ন, তাদের মর্যাদার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণে শিক্ষকের সক্ষমতা নিশ্চিত করাই এ দিবস পালনের মূল লক্ষ্য। একজন শিক্ষক যে কেবল জ্ঞানের আলো বিতরণ করেন না, বরং তিনি একজন শিক্ষার্থীর নৈতিকতা, চরিত্র এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অনন্য ভূমিকা পালন করেন—এ সত্যটি স্মরণ করিয়ে দেয় আজকের দিনটি।
আবু নোমান ফারুক আহম্মেদ: অধ্যাপক, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়










