হংকংয়ে তাণ্ডব চালানোর পর দক্ষিণ চীনের প্রদেশ গুয়াংডংয়ে আঘাত হেনেছে টাইফুন সাওলা। ঘটনায় কমপক্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। উপকূলের নিচু এলাকাগুলোয় বন্যাও হয়েছে। খবর রয়টার্স।
গুয়াংডংয়ে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটারের বেশি (ঘণ্টায় ১২৫ মাইল) বেগে ঝড়ো বাতাস বয়ে গেছে। দক্ষিণ অঞ্চলের ইতিহাসে ১৯৪৯ সালের পর সাওলা সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে প্রায় নয় লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, টাইফুনটি জুহাই শহরে আঘাত হানার সময় গতিবেগ কমে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটারে পরিণত হয়।
সাওলার কারণে হংকং ও চীনের প্রতিবেশী প্রদেশগুলো শত শত ফ্লাইট বাতিল করেছে। বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর আগে চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র টাইফুন সাওলা ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা সংকেত জারি করে। চীনভিত্তিক গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, টাইফুন সাওলার প্রভাবে দেশটির উপকূলীয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। তাই দেশটির চার স্তরের ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
চীনের রাজ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ সদর দপ্তর টাইফুন প্রতিরোধের জন্য পদক্ষেপ নিতে ফুজিয়ান ও গুয়াংডংয়ে সহায়তা কর্মী পাঠিয়েছে। টাইফুনের প্রভাব বিবেচনা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) থেকে পরবর্তী বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ১২১টি যাত্রীবাহী ট্রেনের পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। ন্যাশনাল মেরিন এনভায়রনমেন্টাল ফোরকাস্টিং সেন্টার সব জাহাজকে সতর্ক থাকতে এবং ঝুঁকি এড়িয়ে চলাচল করতে বলেছে।










