জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে সমুদ্রের পানির পরীক্ষায় কোনো তেজস্ক্রিয়তা শনাক্ত হয়নি। গতকাল এমন দাবি করেছে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়। জাপানের কর্তৃপক্ষ গত বৃহস্পতিবার থেকে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিশোধিত তেজস্ক্রিয় পানি প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলতে শুরু করার কয়েক দিনের মাথায় এমন দাবি করল তারা। খবর রয়টার্স।

জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয় শুক্রবার ১১টি ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় সাগরের পানির নমুনা সংগ্রহ করে। গতকাল মূলত ওই নমুনা পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে তারা। এতে বলা হয়, ট্রিটিয়াম বাদে বেশির ভাগ তেজস্ক্রিয় উপাদান অপসারণের জন্য পরিশোধনের পর পানি নিরাপদ। আর পর্যবেক্ষণের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ট্রিটিয়ামের ঘনত্ব শনাক্তযোগ্য হিসেবে নির্ধারিত স্তরের নিচে ছিল। ফলে এটি মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।

এদিকে জাপানের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খোদ সে দেশেই প্রতিবাদ চলছে। এ ঘটনা ক্ষুব্ধ করেছে তার প্রতিবেশীদেরও। জাপান থেকে সামুদ্রিক খাবার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির ঘোষণা দিয়েছে চীন।

জাপানের পরিবেশমন্ত্রী আকিহিরো নিশিমুরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, তার দেশের সুনামের ওপর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় উচ্চ স্তরের বস্তুনিষ্ঠতা, স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় অন্তত আগামী তিন মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করবে। জাপানের মৎস্য সংস্থা বলেছে, কাছাকাছি থাকা মাছের পরীক্ষায় কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।