পাকিস্তানের করাচিতে গতকাল মার্কিন কনসুলেটে প্রবেশের চেষ্টাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত নয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ২০ জন। খবর আল জাজিরা।
করাচির ‘মাই কোলাচি রোড’ এলাকায় অবস্থিত মার্কিন কনসুলেট অভিমুখে গতকাল সকালে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হন বিক্ষোভকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উত্তেজিত জনতা কনসুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালায়। করাচির সিভিল হাসপাতালের পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সৈয়দ আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন, অন্তত নয়টি মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। এছাড়া বহু মানুষ আহত হয়েছে।
বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পাকিস্তানের অন্য প্রান্তেও। শিয়াপ্রধান গিলগিট-বালতিস্তানে বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় জাতিসংঘ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করে। স্থানীয় সরকারের মুখপাত্র শাব্বির মির রয়টার্সকে জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা ভবনটি পুড়িয়ে দিলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া লাহোরের মার্কিন কনসুলেটের বাইরে জড়ো হয় কয়েকশ মানুষ। কিছু বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা গেট ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণে আনে।
দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদের কূটনৈতিক জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনেও বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছিল। এছাড়া ইরাকের রাজধানী বাগদাদে কয়েকশ মানুষ কালো পোশাকে মার্কিন দূতাবাস কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা চালায় গতকাল। ব্যাপক নিরাপত্তাবলয় থাকা সত্ত্বেও তারা খামেনির ছবি হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, খামেনির ‘শাহাদাত’ তাদের ব্যথিত করেছে এবং তারা এখন ইরাক থেকে দখলদার মার্কিন বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চান। ইরাকের শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরু গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলী সিস্তানি এ কঠিন সময়ে ইরানি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। খামেনির মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোকও ঘোষণা করেছে ইরাক সরকার।










