ভারতের নিম্নকক্ষ ও বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার বিধান রেখে ‘এক যুগান্তকারী’ বিল পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টম্বর) এ বিলের ওপর ভোটাভুটি হয়।

সিএনএন এক প্রতিবেদনে বলছেন, এ পদক্ষেপকে বড় একটি জয় হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো। তারা অনেক বছর ধরে রাজনীতিতে নারী-পুরুষ সমতার জন্য কাজ করে আসছে।

বিলটি প্রায় সব সদস্যের সমর্থন পায়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এ বিল কার্যকর হতে কয়েকবছর লেগে যেতে পারে।  

উচ্চকক্ষের মোট ২১৪ জন আইনপ্রণেতা নারী সংরক্ষণ বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ সংসদীয় অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিল প্রবর্তন করেন এবং পরদিন নিম্নকক্ষে তা অনুমোদন করা হয়।

অনুমোদনের পর টুইটারে মোদি লিখেন, ‘আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত! এই বিল পাশ হলে নারী শক্তির প্রতিনিধিত্ব জোরদার হবে এবং তাদের ক্ষমতায়নের এক নতুন যুগের সূচনা হবে।’

এর আগে ১৯৯৬ সালে প্রথম বিলটি পাস করার অনেকগুলো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

১৪০ কোটি জনসংখ্যার বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারত। দেশটির মোট ভোটার ৯৫ কোটি। যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী । কিন্তু সংসদে তাদের আসন মাত্র ১৫ শতাংশ ও রাজ্যসভায় ১০ শতাংশ। পাস হওয়া সত্ত্বেও পদক্ষেপটি আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনে প্রযোজ্য হবে না।