ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। যৌথ হামলার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ইসরায়েলের তেল আবিব ও জেরুজালেমে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তারা। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। অবশ্য ইরানের হামলায় কিছু বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের পাল্টা হামলার শিকার হয়েছে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান, ইরাকের এরবিলসহ বিভিন্ন অঞ্চল। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এসব হামলায় কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।
রয়টার্সের তথ্যমতে, ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির তেহরান কম্পাউন্ড বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। তবে ইরান দাবি করেছে, খামেনি নিরাপদে আছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হামলায় কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়ে থাকতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘আমার জানা মতে, খামেনি এখনো জীবিত।’ ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ২৪টি প্রদেশ আক্রান্ত হয়েছে। মেহর বার্তা সংস্থাকে দেয়া বক্তব্যে সংস্থাটির এক মুখপাত্র বলেন, এসব হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন। যার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় ৮১ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্পোর্টস হলে হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। অন্যদিকে হামলার মধ্যেই ইরানের নাগরিকদের রাজপথে নেমে সরকার পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু। তেহরানে শাসন ক্ষমতা পরিবর্তন হামলার বড় লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
গতকাল স্থানীয় সময় সকালে পরপর কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে তেহরান। এরপর ইসরায়েলি হামলার শিকার হয় দেশটির প্রধান শহরগুলো। তেল আবিব ঘোষণা দেয় তারা ‘প্রতিরোধমূলক’ হামলা চালিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানে ‘মেজর কমব্যাট অপারেশন’ শুরু হয়েছে।
যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ সময় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, পশ্চিম ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে তারা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্রসহ শতাধিক ইরানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হামলার পরই রাজধানী তেহরানে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক দেখা যায়। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল রাজধানীর প্রায় এক কোটি বাসিন্দাকে শহর ছাড়ার নির্দেশ দেয়ার পর সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রধান এক্সপ্রেসওয়েগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ করাসহ মানুষের যাতায়াত সহজ করার চেষ্টা করে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আরো বলা হয়, ওই স্কুলে আজ সকালে হামলার সময় ১৭০ জন শিক্ষার্থী ছিল। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইসরায়েলি হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে দেরি করেনি। শুরুতে তারা পাল্টা হামলা চালায় তেল আবিবে। ইসরায়েলজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে নেতানিয়াহু সরকার। বড় শহরগুলোর নাগরিকরা আশ্রয় নেন শেল্টারে। সবচেয়ে বেশি হামলার সতর্কতা ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় তেল আবিব, জেরুজালেম ও উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায়। জেরুজালেম ও মধ্য ইসরায়েলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে আয়রন ডোম ও অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে দেখা যায়। পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকেও আকাশে প্রতিরোধমূলক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরায়েলি জরুরি সেবা সংস্থার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হলেও উত্তরাঞ্চলে অন্তত একটি রকেট আঘাত হানে। এতে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে দেশজুড়ে নাগরিকদের বাংকারের কাছাকাছি থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়, অনেক এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থল বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া মধ্য ইসরায়েলের দুটি এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সরাসরি আঘাতের ভিডিও ও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে বিধিনিষেধ আরোপ করায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘ সময়জুড়ে সাইরেন বাজা ও আশ্রয় নেয়ার নির্দেশনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, এটি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ইসরায়েলে সবচেয়ে বিস্তৃত ইরানি পাল্টা হামলাগুলোর একটি।
এছাড়া ইরান হামলা চালিয়েছে কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেন্টকমের প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্র। হামলার পর দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এছাড়া কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের একটি রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা কাতারের একটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন এএন/এফপিএস-১৩২ ব্লক ৫ আর্লি ওয়ার্নিং রাডার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তেহরানের দাবি, তাদের এ নিখুঁত হামলায় বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডারটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে পেন্টাগন বা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এখনো এ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
একই সময় বাহরাইনের জুফাইর এলাকায় মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলা চালায় ইরান। সেখানে সাইরেন বেজে ওঠে ও আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে ইরান। রাজধানী আবুধাবিতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের হামলার পর সেখানে একজন নিহত হওয়ার খবর জানা গেছে। দুবাইয়ের পাম আইল্যান্ডের একটি হোটেলের কাছেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া বিভিন্ন শহরের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রের ধোঁয়ার রেখা দেখা যায় এবং বিস্ফোরণের শব্দে বাসিন্দাদের অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
কুয়েতের আল সালেম বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালায় তেহরান। এছাড়া ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের এরবিলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা স্থাপনাকে ঘিরে আঘাত ও হতাহতের খবরও পাওয়া গেছে। দক্ষিণ বাগদাদের একটি ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় দুজন নিহতের তথ্য জানিয়েছে দেশটির পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স। জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়। জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে আসা ৪৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।
সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান থাকা কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের খবর মিলেছে, যেখানে আগে থেকেই ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াদ এবং সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। কিন্তু সেগুলো প্রতিহত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, সৌদি আরব আগে থেকেই জানিয়েছিল তাদের আকাশসীমা ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না, তবু এ হামলা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসরায়েল ও এ অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। পার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাওয়া হবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় লক্ষ্য করে হামলা চলবে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক্সে দেয়া এক বার্তায় বলেছে, ইরানের শত শত হামলার মুখে মার্কিন বাহিনীর কোনো হতাহত বা যুদ্ধসংক্রান্ত আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি খুবই সামান্য এবং এতে কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এ অভিযানের লক্ষ্য শুধু সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস নয়, ইরানের আয়াতুল্লাহদের শাসনের অবসান ঘটানো। নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানিদের ওপর যে নিষ্ঠুর ও দমনমূলক শাসন চাপিয়ে দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে, ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে নয়।
এদিকে শনিবার এক ভিডিও বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানিদের প্রতি ক্ষমতা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমরা শেষ করব, আপনারা নিজেদের সরকার দখলে নিন।’ তিনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক করে বলেন, তারা যদি অস্ত্র ফেলে না দেয়, তাহলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তবে অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের মুক্তি দেয়া হবে।
গত রাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌ-মিশন অ্যাসপিডসের একজন কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডদের কাছ থেকে জাহাজগুলো ভিএইচএফ ট্রান্সমিশন (রেডিও বার্তা) পাচ্ছে যে কোনো জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে দেয়া হবে না। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এমন কোনো নির্দেশ জারি করেনি।
এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বানও জানিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করতে হবে এবং সব পক্ষকে উত্তেজনা বৃদ্ধি করা থেকে বিরত থাকতে হবে; সংলাপ পুনরায় শুরু করতে হবে।
ইরানে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তিনি একে ‘বিনা উসকানিতে হামলা’ বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে মস্কোর এ অবস্থান তুলে ধরেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথাকথিত একতরফা সামরিক পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এটি উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং একটি আরো অনিশ্চিত ও প্রতিকূল বিশ্ব ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন মনে করিয়ে দেন যে ইউরোপিয়ানরা এরই মধ্যে ইরানের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তিনি বলেন, আমরা সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানাই। তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পূর্ণভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান।
প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও। তিনি ইরানের বেসামরিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। উত্তেজনা কমাতে মিত্র ও আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। কূটনৈতিভাবে উত্তেজনা নিরসনের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।










