প্রায় চার দশক শাসনের পর ক্ষমতা ছাড়লেন
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ছেলে হুন মানেট। খবর দ্য
গার্ডিয়ান।
আজ মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) টেলিভিশনে সরাসরি
সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে দেখা যায়, পার্লামেন্টে বেশিরভাগ সদস্যের সমর্থন পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর
পদ লাভ করেছেন হুন মানেট। গত মাসের সংসদ নির্বাচনে একটি আসনে জয়লাভ করেন তিনি।
হুন মানেট যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পয়েন্ট
মিলিটারি একাডেমি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে কম্বোডিয়ার সন্ত্রাসবিরোধী প্রধান,
হুন সেনের দেহরক্ষী ইউনিটের উপ-প্রধান, সেনাপ্রধান ও উপ-সামরিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেছেন।
অর্থনীতিতে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি
থেকে স্নাতকোত্তর ও ব্রিটেনের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন
হুন মানেট। বিপরীতে তার বাবা হুন সেনের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না।
এক কোটি ৬০ লাখ জনসংখ্যার দেশ কম্বোডিয়া
সম্পর্কে হুন মানেটের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে খুব একটা জানা যায় না। জনসংখ্যার বড় একটি
অংশ তার বাবা ছাড়া কারো অধীনে বসবাস করেননি।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে কার্যত সব বিরোধীদের
বাদ দিয়ে এক তরফা ভোট করেন হুন সেন। এরপরই কম্বোডিয়ার নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর ভিসা
নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে কিছু সহায়তা কর্মসূচিও স্থগিতের ঘোষণা
দেয় ওয়াশিংটন। তবে বিতর্কিত নির্বাচনের পর অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন মিত্র চীনের প্রেসিডেন্ট
শি জিনপিং।
সাবেক সামরিক কমান্ডার হুন সেন ১৯৮৫
থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্লেষকরা
বলছেন, ক্ষমতা ছাড়া পরও তিনি কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির (সিপিপি) প্রধান থাকবেন। একইসঙ্গে
সিনেট ও রাজার সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।










