মধ্য গাজার একটি স্কুলে আশ্রয় নেয়া বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। গাজায় হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি বলেছে, নুসাইরাত শিবিরে অবস্থিত এই স্থাপনাটিতে গতকাল রোববার (১৩ অক্টোবর) কামানের গোলা ছুড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ)। এতে একই পরিবারের সবাই নিহত এবং আরো কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে। খবর বিবিসি।

একজন সিভিল ডিফেন্স মুখপাত্র বলেছেন, গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল আল-মুফতি স্কুলে। সেখানে আইডিএফের হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন আহত এবং এক ডজনেরও বেশি নিহত হয়েছেন। আইডিএফ এই ঘটনার প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে।

এর আগে, উত্তর গাজার একটি রাস্তার কোণায় খেলার সময় ড্রোন হামলায় পাঁচ শিশুর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

গাজার উত্তরের প্রধান সংঘর্ষের এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলায় শত শত মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে গাজার কর্তৃপক্ষ। বেইত হানুন, জাবালিয়া এবং বেইত লাহিয়ার বাসিন্দারা গাজা সিটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

এলাকার হাসপাতালগুলোতে খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ ফুরিয়ে যাচ্ছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, রেড ক্রসের সঙ্গে যৌথ অভিযানে নয় দিনের প্রচেষ্টার পর দুটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় দ্রব্য পুনরায় সরবরাহ করা হয়েছে।

উত্তর গাজার আল-শাতি শরনার্থী শিবিরে খেলার সময় ইসরায়েলি বিমান হামলায় পাঁচ শিশু নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত চিত্রগুলোতে দেখা যায়, কয়েকজন কিশোর বালকের রক্তাক্ত দেহ। তাদের একজনের হাতে কয়েকটি কাঁচের মার্বেল ধরা ছিল।

আইডিএফ এখনও এই হামলার ব্যাপারে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। গত এক বছরের যুদ্ধে, হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৪২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে।