সিরিয়ায় একটি মিলিটারি একাডেমিতে
ড্রোন হামলায় শতাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) একটি গ্র্যাজুয়েশন
অনুষ্ঠান শেষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্থানটি ছেড়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর এ ঘটনা
ঘটে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
সিরিয়ার সেনা স্থাপনায় সর্বকালের সবচেয়ে
রক্তক্ষয়ী হামলাগুলোর অন্যতম এটি। ১২ বছর ধরে গৃহযুদ্ধে ক্ষত-বিক্ষত দেশটিতে এ ধরনের
অস্ত্রবাহী ড্রোনের ব্যবহারও নজিরবিহীন।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক
বিবৃতিতে বলেছে, হোমসের সামরিক একাডেমিতে হামলায় নিহতদের মধ্যে বেসামরিক ও সামরিক
কর্মী রয়েছেন। ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠী এ হামলায় ড্রোন ব্যবহার করেছে।
বিবৃতিতে কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ করা
হয়নি। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠীও দায় স্বীকার করেনি।
‘পুরো শক্তি দিয়ে’ এ হামলার জবাব দেয়া
হবে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সিরিয়ার
সরকারি বাহিনী গতকাল দিনভর ইদলিবের বিরোধী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে।
সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস
জানিয়েছে, এ হামলায় শতাধিক নিহত ও ১২৫ জন আহত হয়েছেন। সিরিয়া সরকারকে সমর্থনকারী
জোটের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা প্রায় ১০০।
২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের
বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মাধ্যমে সিরিয়ায় সংঘাত শুরু হয়। এরপর ছড়িয়ে পড়া সর্বাত্মক যুদ্ধে
কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত হন।
এ যুদ্ধে সিরিয়ার সেনাবাহিনী প্রায়
ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়া ও ইরানের পাশাপাশি তেহরান সমর্থিত লেবানন, ইরাক ও অন্যান্য
দেশের যোদ্ধাদের সামরিক সহায়তার ওপর অনেক বেশি নির্ভর করছে এখন।
আসাদ দেশের বেশিরভাগ অংশ পুনরুদ্ধার
করেছেন। তবে তুরস্কের সীমান্তবর্তী উত্তরের একটি অংশ এখনো কট্টরপন্থীসহ সশস্ত্র বিরোধী
দলগুলোর দখলে রয়েছে।










