রাশিয়ার সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সংযোগ, গভীর পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াবে চীন। রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী বেইজিংয়ে চীনা বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে গভীর আলোচনা প্রেক্ষিতে এ আগ্রহ প্রকাশ করে দেশটি। খবর রয়টার্স।
গণমাধ্যমটি জানায়, গত বছর রুশ বাহিনী ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো অনেক দেশ রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। একই সঙ্গে রুশ সরকারের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ তার মিত্ররা। তবে তা সত্ত্বেও চীন ও রাশিয়া উভয় মিত্রই তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সম্প্রতি চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই চারদিনের মস্কো সফরে গিয়েছেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো কৌশলগত আলোচনার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আগামী মাসের চীন সফর নিশ্চিত করা।
চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাওয়ের বরাত দিয়ে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে , চীন-রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা দুই রাষ্ট্রপ্রধানের কৌশলগত দিকনির্দেশনার অধীনে আরো গভীর ও দৃঢ় হয়ে উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া অর্থনৈতিক সহায়তার জন্য চীনের দিকে ঝুঁকছে। দেশটি তেল ও গ্যাসের অন্যান্য শস্য সরবরাহের মাধ্যমে চীনা চাহিদা পূরণ করছে । সর্বশেষ চীনা কাস্টমস ডেটা অনুসারে, চলতি বছরের আগস্টে, চীনে রাশিয়ান পণ্যের আমদানি এক বছর আগের তুলনায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে ।
অবশ্য ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের আলোকে মস্কোর সঙ্গে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। বেইজিং জোর দিয়ে বলেছে, রাশিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক আন্তর্জাতিক নিয়মনীতিকে লঙ্ঘন করে না এবং চীন তার ইচ্ছামতো দেশের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক তৈরির অধিকার রাখে।
চীনের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে রাশিয়ান দূরপ্রাচ্যের সীমান্ত রয়েছে এবং ওই অঞ্চলটি আন্তঃসীমান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে নতুন কৌশলগত গুরুত্ব পেয়েছে।










