সাত বছর পর উত্তর কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ৮ ও ৯ জুন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের আমন্ত্রণে তিনি এ সফর করবেন। সফরে দুই নেতার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। খবর বিবিসি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শির এ সফর কিমের জন্য রাজনৈতিক ও প্রচারণাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলা ও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পাশে অবস্থান নেয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। তবে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কিম ও পুতিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন শি। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত সামরিক কুচকাওয়াজে কিম জং উন ও ভ্লাদিমির পুতিন একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কিম সরকারের প্রধান ভরসা চীন। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন নির্মিত সমুদ্রসৈকত ও স্কি রিসোর্টে আরো বেশি চীনা পর্যটক আকৃষ্ট করার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে। এর আগে সর্বশেষ ২০১৯ সালে পিয়ংইয়ং সফর করেছিলেন শি।
উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশীদার চীন। পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা দেশটির জন্য বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন জুগিয়ে আসছে। দুদেশ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে আবদ্ধ, যা চীনের অন্য কোনো দেশের সঙ্গে নেই। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি দেশ আক্রমণের শিকার হলে অপর দেশ সহযোগিতা করবে। চলতি বছর এ চুক্তির ৬৫ বছর পূর্তি হচ্ছে।










