চলতি বছরের এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার সময় আড়াই হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন।

ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বরের পর্যন্ত আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে মৃত বা নিখোঁজ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

২০২২ সালের একই সময়ের মধ্যে এক হাজার ৬৮০ অভিবাসন প্রত্যাশী মৃত বা নিখোঁজ হন।

রুভেন মেনিকদিওয়েলা জানান, অভিবাসন প্রত্যাশীদের অনেকেই আমাদের মানোযোগের বাইরে দূরের অঞ্চল মারা গেছেন। তদের কেউ কেউ ভূমিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

তিউনিসিয়া ও লিবিয়া উপকূলের নৌকা ছাড়ার স্থানকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক’ এলাকা বলে উল্লেখ করেন মেনিকদিওয়েলা। সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশ থেকে স্থলপথে অনেকেই এখানে আসেন।

তিনি বলেন, অভিবাসী ও উদ্বাস্তুরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

আরো জানান, গত জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ ইউরোপে সমুদ্রপথে প্রায় এক লাখ ৮৬ হাজার মানুষ ইতালি, গ্রিস, স্পেন, সাইপ্রাস ও মাল্টায় অবতরণ করেছে।

সবচেয়ে বেশি এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালিতে এসেছেন। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে।

জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে এক লাখ দুই হাজারেরও বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী তিউনিসিয়া থেকে এবং ৪৫ হাজার লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

তাদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীকে তিউনিসিয়া এবং ১০ হাজার ৬০০ জনকে লিবিয়ায় আটক অথবা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।