২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হয় দ্বিতীয়
ইন্তিফাদা নামে পরিচিত ফিলিস্তিনি আল-আকসা ইন্তিফাদা বা অভ্যুত্থান। এর পর থেকে ইসরায়েলি
বাহিনীর হাতে আটক হন প্রায় এক লাখ ৩৫ হাজার ফিলিস্তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর)
একটি ফিলিস্তিনি সরকারি সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু।
আল-আকসা ইন্তিফাদার ২৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে
এক বিবৃতিতে, প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) বন্দি বিষয়ক কমিশন বলেছে
যে আটকদের মধ্যে প্রায় ২১ হাজার অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং গত মেয়াদের ফিলিস্তিনি সংসদ সদস্যের
অর্ধেক।
গ্রেফতার ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা,
মন্ত্রী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট রয়েছেন।
দ্বিতীয় ইন্তিফাদা প্রায় পাঁচ বছর অর্থাৎ
২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এ সময় চার হাজার ৪১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত
ও প্রায় ৪৯ হাজার আহত হন।
কমিশন আরো উল্লেখ করেছে যে বন্দিদের মধ্যে
দুই হাজার ৬০০ নারীও রয়েছেন, যার মধ্যে চার জন কারাগারের কঠিন পরিস্থিতির মাঝে সন্তানের
জন্ম দিয়েছেন।
প্রশাসনিক আটকের ক্ষেত্রে নথিভুক্ত ঘটনা
৩২ হাজারে পৌঁছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই ফিলিস্তিনি বন্দির
আটক অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর অনুমতি দেয় এ প্রশাসনিক আটক।
কমিশন বলেছে একই সময়ে ইসরায়েলি কারাগারে
১১৪ জন ফিলিস্তিনি নির্যাতন বা ইচ্ছাকৃত চিকিৎসা অবহেলায় মারা গেছেন।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, পাঁচ হাজার
২০০ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী রয়েছেন, যার মধ্যে ৩৮ জন নারী, ১৭০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক
ও প্রায় এক হাজার ২০০ জন প্রশাসনিক বন্দি।
জেরুজালেমে আল-আকসা অভ্যুত্থান বা ইন্তিফাদা
শুরু হয় ২০০০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। এর দুইদিন আগে ইসরায়েলের মধ্য ডানপন্থী লিকুদ
পার্টির নেতা এরিয়েল শ্যারন আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে হামলা করেন।










