স্থানীয় সময় গতকাল ভোর ৫টার দিকে দেশটিতে তীব্র ভূমিকম্প ও পরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। এতে আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পূর্বাঞ্চলের নুসা তারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা। খবর বিসিবি ও রয়টার্স।
ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা বিএমকেজি জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে প্রথম ভূকম্পনটি রেকর্ড করা হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটার বা ৯ মাইল গভীরে। এর আধা ঘণ্টার মধ্যে অন্তত আরো তিনটি আফটারশক হয়। রিখটার স্কেলে এগুলো যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯, ৫ দশমিক ৬ এবং ৬ দশমিক ১ মাত্রার ছিল।
এদিকে ভূমিকম্পের তীব্রতায় দেশের কয়েকটি অঞ্চলে ১ মিটারেরও (৩ ফুট) কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হলেও এর প্রায় ৩ ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয় সরকার।
দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পূর্ব নুসা তারা, পশ্চিম নুসা তারা এবং দক্ষিণ সুলাওয়েসির বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। একাধিক এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১ মিনিট ধরে এ শক্তিশালী ঝাঁকুনি অনুভূত হচ্ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন।










