গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ৩০টিরও বেশি সামরিক রিফুয়েলিং ট্যাংকার পাঠিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার নির্দেশ দেন, তবে এই ট্যাংকারগুলো ইসরায়েলি জেট বিমানের মাঝআকাশে জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হবে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের আকাশে সীমিত সময় অবস্থান করতে পারে। লক্ষ্য খোঁজা এবং হামলা চালানোর জন্য দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার প্রয়োজন হলে, মাঝপথে জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের নিজস্ব কিছু ট্যাংকার থাকলেও তা ২০০টির মতো জেটবিমানের বহরকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট নয়।

মোবাইল ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চার টার্গেট করে যেগুলো হামলা চালিয়ে দ্রুত আড়ালে চলে যেতে পারে তবে আকাশে বেশি সময় অবস্থান করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যদি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য বি টু বোমারু বিমান মোতায়েন করেন, তবে এগুলোকে আকাশেই বারবার জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে। কারণ, এ বিমানগুলো শুধু মিসৌরির ঘাঁটি থেকে পরিচালিত হয়। সেখানে থেকে ইরান পর্যন্ত যাওয়া-আসার পথে রিফুয়েলিং ছাড়া কার্যত অসম্ভব।

সিএন্এনের খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে রিফুয়েলিং ট্যাংকার পাঠানোর পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয়, সংঘাত বিস্তৃত হলে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত ও সামরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে চায়।