সিঙ্গাপুর মুদ্রা পাচারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানো শুরু করে গত ১৫ আগস্ট। ওই অভিযানে ১০ বিদেশী নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি সিঙ্গাপুরিয়ান ডলারের সম্পদও জব্দ করে দেশটির পুলিশ। দেশটির তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই ১০ বিদেশী নাগরিকের স্ত্রী ও স্বজনদের ওপরও নজরদারি চলছে। এছাড়া আটককৃতদের সঙ্গে পরিচয় আছে বা লেনদেন ছিল এমন ব্যক্তিদের সম্পদ ও ব্যবসা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। খবর স্ট্রেইট টাইমস।

স্ট্রেইট টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ওই ১০ অভিযুক্তের স্ত্রীরাও আর্থিকভাবে বেশ প্রভাবশালী। ওই ব্যক্তিদের স্ত্রীদের নামেও বিপুল পরিমাণ সম্পতি রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের কারো কারো ভাই বা অন্য আত্মীয়দের নামেও অনেক সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে।

এদিকে ২৭ আগস্ট সিঙ্গাপুরের আইন মন্ত্রণালয় মূল্যবান ধাতু ও দামি পাথর ব্যবসায়ীদের কাছে একটি নোটিশ পাঠিয়েছে। ওই নোটিশে ২৪ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে অভিযুক্তরা এসব ব্যবসার মাধ্যমে কোনো ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন কি না সেটি যেন তাদের অবহিত করা হয়।

আগেস্টর মাঝামাঝি সময়ে ওই অভিযানের পর দেশটির সিঙ্গাপুরের কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের (সিএডি) ডিরেক্টর ডেভিড চিউ বলেছিলেন, সিঙ্গাপুরকে এ ধরনের অপরাধের কেন্দ্র হওয়া থেকে রক্ষা করতে পুলিশ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের সঙ্গে কাজ করবে। অপরাধীরা সিঙ্গাপুরকে তাদের আশ্রয়স্থল বানাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, যেখানে সম্ভাব্য জালিয়াতির অর্থ চিহ্নিত করা হয়েছে যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এফআই) সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নজরদারির কাজ চলছে।