ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করার সময় আটক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। খবর বিবিসি বাংলা।
দেশটির সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে জোর করে সরিয়ে রাহুল গান্ধীকে ছত্রাশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে একটি গাড়িতে করে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটকের পর মন্দির মার্গ পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছু পরেই সেখানে হাজির হন কংগ্রেসের পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। পরে প্রিয়াঙ্গা গান্ধীকে সেই পুলিশ স্টেশন থেকে চলে যেতে দেখা যায়।
সেই সঙ্গে আটক সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ ইয়াদবকেও ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের উচিৎ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়া। যেভাবে তাদের মারধর করা হয়েছে, জামাকাপড় ছিঁড়েছে, সেটা গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণ নয়। আমরা বিষয়টি হাউজে তুলব।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) সোমবারের 'সংসদ চলো' পদযাত্রায় শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনার প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আজ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভে করছিলেন কংগ্রেস নেতারা। বিকালে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে ওই কর্মসূচি শুরু হয়।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক ঘণ্টা বিক্ষোভ চলার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে কংগ্রেস নেতাদের আটক করতে শুরু করে দিল্লি পুলিশ। প্রথমে আটক করা হয় কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারসহ কয়েকজনকে। এরপর আটক হন এমপি সুখজিন্দর সিং ও সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব।
এরপর পুলিশ রাহুল গান্ধীকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে দিতে গেলে সেখান থেকে নড়তে অস্বীকৃতি জানান তিনি এবং রাস্তায় বসে পড়েন। এ সময় অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ফেলে এবং এক পর্যায়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নেয়া হয়। তখন তার নাক থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। এ সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও আটক করা হয়।










