ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নিচ্ছে বলে এক প্রতিক্রিয়ায় অভিযোগ তুলেছে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। এর আগে গতকাল রোববার (৮ অক্টোবর) ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দেয়। খবর সিএনএন।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এক বিবৃতিতে বলেন, এ সহযোগিতা আমাদের জনগণ বা তাদের প্রতিরোধকে ভীত করে না। জনগণ ও পবিত্র স্থানগুলোকে রক্ষা করব আমরা।

ভূমধ্যসাগরে ইসরায়েল উপকূলের পথে রয়েছে বিমানবাহী পারমানবিক রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ও গাইডেড মিসাইল ক্রুজার।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে বাধা দিতে মধ্যপ্রাচ্যে আরো যুদ্ধবিমান মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র।

হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মিত্ররা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেছেন।

অন্যদিকে হামাসের হামলায় নিহত ও বন্দিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছে কিনা তা যাচাইয়ের কাজও চলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

গত ৭ অক্টোবর সকালে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলে কয়েক হাজার রকেট ছোড়ে হামাস। একই সঙ্গে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে সশস্ত্র হামলা চালান হামাসের সদস্যরা। হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের অন্তত ৭০০ ও ফিলিস্তিনের ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।