কাতারের আল উদেইদ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের আওতায় একটি বৈধ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। খবর আল জাজিরা।
বিবৃতিতে ইরানের তিনটি পারমাণবিক অবকাঠামোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথা উল্লেখ করে মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই লিখেছেন, এ হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপ্ররোচিত আগ্রাসনের’ জবাব, যা ইরানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়। এর জবাবেই আত্মরক্ষায় কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তেহরান।
তিনি বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে ‘বিভাজন’ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও জানান ইসমাইল বাঘাই।
গত ১৩ জুন ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধের সূচনা করে ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানও। এ হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই রোববার ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ইরানের ফোর্দো, ইসফাহান ও নাতাঞ্জ পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলা চালায় ট্রাম্প প্রশাসন। যার জবাবে সোমবার রাতে কাতারের মার্কিন পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান।










