নাইজারে সামরিক ঘাঁটির সামনে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছে। দেশটির রাজধানী নিয়ামিতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ও ফরাসি সেনাদের অবলিম্বে নাইজার ছাড়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। খবর রয়টার্স। 

অভ্যুত্থানের পর থেকে নাইজারে ফরাসিবিরোধী মনোভাব বেড়েছে। কিন্তু গত সপ্তাহে ফ্রান্স তার রাষ্ট্রদূত সিলভাইন ইত্তেকে চলে যাওয়ার জন্য জান্তার আদেশ উপেক্ষা করলে বিক্ষোভ আরো বাড়তে থাকে। তাকে বহিষ্কারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নাইজারের সামরিক বাহিনী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার অভিযোগ, সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্স নাইজারকে শোষণ করে আসছে।

স্থানীয় সময় সকালের দিকে, সহিংসতার কোনো দৃশ্যত প্রাদুর্ভাব ঘটেনি। ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ বাজুমের সঙ্গে ফ্রান্সের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল এবং নাইজারে ফ্রান্সের প্রায় ১ হাজার ৫০০ সেনা মোতায়েন রয়েছে।

সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানান, তিনি বাজুমের সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলেন এবং তারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেগুলো বাজুমের সঙ্গে মতামতের ভিত্তিতে হবে।

গত ২৬ জুলাই অভ্যুত্থানে নাইজারের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক বাহিনী। ২০২০ সালের পর পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার এ অঞ্চলজুড়ে সামরিক শাসন বিশ্ব শাসকদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে।

সাহারা মরুভূমির প্রান্তে অবস্থিত বিস্তীর্ণ দেশ নাইজার। ফ্রান্সের কাছ থকে ১৯৬০ সালে স্বাধীন হয় দেশটি।