দূরপাল্লার ভারী অস্ত্র বা আর্টিলারি উৎপাদন বাড়িয়েছে রাশিয়া। আগামী কয়েক বছরে আর্টিলারির বার্ষিক শেল উৎপাদন প্রায় ২০ লাখ ছাড়াতে পারে। এ পরিমাণ শেল উৎপাদন পশ্চিমাদের আগের পূর্বাভাসের চেয়েও অনেক বেশি। প্রায় দ্বিগুণ উৎপাদন বাড়ানোর পরও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তা মস্কোর চাহিদার তুলনায় কম। সম্প্রতি এক পশ্চিমা কর্মকর্তা এ দাবি জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, রাশিয়া গত বছর ইউক্রেনে এক কোটি থেকে ১ কোটি ১০ লাখ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মস্কো ইউক্রেনে আক্রমণ চালায়। আর এটাই তাদের দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘যদি আপনি এখন এ যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে থাকেন এবং যদি গত বছর এক কোটি রাউন্ড ফায়ার করে থাকেন আর বছরে যদি মাত্র ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ রাউন্ড উৎপাদন করেন, তাহলে আমি মনে করি না এটি খুব শক্তিশালী অবস্থান।’
ওই কর্মকর্তা জানান, প্রতিরক্ষা খাতে রাশিয়ার অন্যান্য যে বিনিয়োগ আছে তা দিয়ে মস্কো বছরে ২০০টি ট্যাংক তৈরি করতে পারে। যদিও এ উৎপাদন সংখ্যা পূর্ববর্তী পশ্চিমা অনুমানের দ্বিগুণ। তবে এ পরিমাণ ট্যাংকও চাহিদার তুলনায় অনেক কম। কারণ দুই হাজার ট্যাংক, চার হাজার সাঁজোয়া যুদ্ধযান এবং শতাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। যুদ্ধে ২ লাখ ৭০ হাজার জন হতাহত হয়েছে। আর উভয় বাহিনীর বহু আহত-নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও রয়টার্সকে কোনো উত্তর দেয়নি ওয়াশিংটনের রুশ দূতাবাস।










